ঢাকা, রোববার 28 January 2018, ১৫ মাঘ ১৪২৪, ১০ জমদিউল আউয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

ডিএসসিসির ভান্ডার ও ক্রয় বিভাগে লুটপাটের মচ্ছব

তোফাজ্জল হোসেন কামাল : ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ২১ টি বিভাগের ব্যবহৃত মালামালের কমবেশি যোগান দেয় সংস্থাটির ভান্ডার ও ক্রয় বিভাগ। এই বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীর কাজই হচ্ছে প্রয়োজনীয় সকল মালামাল ক্রয়, মজুত রাখা ও সময়মতো চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ করা। এ জন্য ডিএসসিসির বাজেটে প্রতি অর্থ বছরের জন্য ৫০ থেকে ৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়। বরাদ্দকৃত অর্থের বিনিময়ে ওই বিভাগটি প্রায় তিন শতাধিক আইটেমের মালামাল সংগ্রহ করে। অভিযোগ উঠেছে, বিভিন্ন মালামাল বা পন্য কেনাকাটায় ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতির সাথে লুটপাটের মচ্ছবে মেতেছেন সংশ্লিষ্ট দু‘একজন। এ নিয়ে গণমাধ্যমে বেশ ক’বার লেখালেখি হলেও মচ্ছবকারীদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থাই নেয় নি ডিএসসিসির প্রশাসন। উল্টো সহজ সরল দু‘চারজনকে সন্দেহের তালিকায় ফেলে তাদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ দিয়ে হয়রানিসহ বরখাস্তের নজির রয়েছে। ইতোমধ্যে হয়রানির পর দেয়া অপবাদ পেয়ে ওই বিভাগের একজনকে স্ট্রোক করে দুনিয়া থেকে অকালে বিদায় নিতে হয়েছে, আরেকজন প্যারালাইজড-পঙ্গু হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। এর পরও চিহ্নিত দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থাই নেয়া হয়নি।
এ ছাড়া, ডিএসসিসির ভান্ডার ও ক্রয় বিভাগের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, স্বেচ্ছাচারিতা ও ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ উঠলেও তারা বহাল তবিয়তেই আছেন সংস্থাটির শীর্ষ পর্যায়ের কারও কারও আর্শীবাদপুষ্ট হয়ে। যার কারণে ওই বিভাগে একটি সিন্ডিকেট গড়ে ওঠেছে। এই সিন্ডিকেটের নেপথ্যে রয়েছেন সাখাওয়াত-শাহাবুদ্দিন।
সম্প্রতি এ ব্যাপারে চারটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে নানা অভিযোগের তথ্য-উপাত্ত দিয়ে ডিএসসিসির মেয়রসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন উর্ধ্বতন দফতরে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে ডিএসসিসির সচিব শাহাবুদ্দিন খান জানিয়েছেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করা হবে। এ জন্য কমপক্ষে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। এতে কেউ দোষী প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
অভিযোগ প্রদানকারী ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান চারটি হচ্ছে যথাক্রমে, ফোর পি লজিস্টিকস, মেসার্স স¤্রাট কনস্ট্রাকশন এন্ড কোম্পানী লি:, মেসার্স মালিহা এন্টারপ্রাইজ ও মুক্তা কনস্ট্রাকশন লি:। তারা পাঁচ পৃষ্ঠার লিখিত অভিযোগটি মেয়রের বরাবরে দাখিল করেন ২০১৭ সালের ২৩ জুলাই। অজ্ঞাত কারণে অভিযোগটি ফাইলবন্দী হয়ে আছে।
এর আগেও ২০১৪ সালে ১২ টি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে নানা অভিযোগ করে লিখিতভাবে সংশ্লিষ্টদের জানানো হয়েছিল। সে সময়ও কোন ব্যবস্থা নেয়া হয় নি জড়িতদের বিরুদ্ধে। যার কারণে তারা বেপরোয়া হয়ে উঠে দিনের পর দিন। 
অভিযোগে জানা যায়, উপ-সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা সাখাওয়াত হোসেন প্রেষণে ডিএসসিসির প্রধান ভান্ডার ও ক্রয় কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। বিভাগীয় প্রধান হিসেবে সাখাওয়াত হোসেন ২০১৫ সালের ২ জুলাই যোগদানের পরই তার ব্যক্তিগত সহকারী (পিএ) শাহাবুদ্দিন মাতুব্বরকে নিয়ে আখের গোছাতে একটি সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন। এরপর  নানা অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন। তারা ঘুষ ছাড়া কোন কাজে হাত দেন না, কোন কাজ করেন না। বিভাগীয় প্রধানের আর্শীবাদ পেয়ে ব্যক্তিগত সহকারী শাহাবুদ্দিন মাতুব্বর হয়ে পড়েন বেপরোয়া। তিনি যোগসাজস করে অফিসের সব গোপন তথ্য পছন্দের ঠিকাদারকে আগেভাগেই দিয়ে দেন এবং নিজের পছন্দ অনুযায়ী একই ঠিকাদারকে বারবার কাজ পাইয়ে দেয়ার কাজ শুরু করেন। এরপর ঠিকাদাররা কাজ পেলে কার্যাদেশ দেয়ার সময় প্রধান ভান্ডার ও ক্রয় কর্মকর্তার স্বাক্ষর করিয়ে দেয়ার কথা বলে ঘুষ দাবি করেন। ঠিকাদাররা ঘুষ না দিলে ফাইল আটকে রাখেন। এছাড়া মালামাল সরবরাহ করার সময় বিভাগীয় প্রধানের স্বাক্ষরের কথা বলে আবারো ঘুষ দাবি করেন। ঘুষ না দিলে মালামাল খারাপ বলে ফেরত দেয়ার ভয় দেখান। এরপর টাকা দেয়ার পর বিল নেয়ার জন্য ফাইল উপস্থাপন করার জন্য তিনি নিজের জন্য আরো ঘুষ দাবি করেন। না দিলে প্রধান ভান্ডার ও ক্রয় কর্মকর্তার স্বাক্ষর করান না। নিয়ম অনুযায়ী বিভাগের ভান্ডার রক্ষকদের কেনাকাটার বিষয়টি দেখার কথা। ডিএসসিসিতে বর্তমানে তিন জন ভান্ডার রক্ষক থাকার পরও তাদের কোন কাজ দেয়া হয় না। শাহাবুদ্দিন মাতুব্বর এবং প্রধান ভান্ডার ও ক্রয় কর্মকর্তা যোগসাজশ করে সব কেনাকাটা সম্পন্ন করেন। বর্তমানে একজন ভান্ডার রক্ষকের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন শাহাবুদ্দিন মাতুব্বর।
শুধু তাই নয় শাহাবুদ্দিন মাতুব্বর এবং প্রধান ভান্ডার ও ক্রয় কর্মকর্তা যোগসাজশ করে বিভিন্ন কেনাকাটায় ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্ণীতি চালিয়ে যাচ্ছেন। পিপিআর ২০০৮ অনুযায়ী বছরে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পাঁচ লাখ টাকার বেশি টাকার কোটেশন ৬৯ (১) বা সরাসরি ৮১ (১) কোন পন্য কেনাকাটা করা যাবে। কিন্তু এসবের তোয়াক্কা না করে তারা টাকার সীমা অতিক্রম করে নিজেদের ইচ্ছামত নিজেরাই কোটেশন ও সরাসরি কেনাকাটা করছেন। এভাবে বিভিন্ন বিভিন্ন মনোহরী সামগ্রী কিনে এক লাখ ৩০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। শুধু তাই নয় একই পণ্য  কেনায় দুই বার বিল নিয়েছেন তারা।
ডিএসসিসির ২০১৬-১৭ অর্থ বছরের বাজেট বই ছাপানোর কাজেও ব্যাপক অনিয়ম করা হয়েছে। ১০০ জিএসএম আর্ট পেপার ও ৩০০ জিএসএম আট কার্ডের কভার সম্মৃদ্ধ বাজেট বই ছাপাতে সর্বোচ্চ প্রতিটি ৬০ টাকা খরচ হওয়ার কথা, অথচ এ বই ছাপানো হয়েছে প্রতিটি ২৮৫ টাকা দরে। যাতে প্রতিটি বই থেকে ২১৫ টাকা হিসেবে এক হাজার বই ছাপিয়ে দুই লাখ ১৫ হাজার টাকা আত্মসাত করেছেন।
তবে সবচেয়ে বড় ধরনের দুর্নীতির ঘটনা ঘটেছে মশার ওষুধ কেনাকাটায়। প্রধান ভান্ডার ও ক্রয় কর্মকর্তা সাখাওয়াৎ হোসেন ও তার ব্যক্তিগত সহকারী শাহাবুদ্দিন মাতুব্বর কোন প্রকার উন্মুক্ত টেন্ডার বা ই-টেন্ডার ছাড়াই নারায়ণগঞ্জের ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেডকে কার্যাদেশ দিয়েছেন। এ কোম্পানির মাধ্যমে ডিএসসিসি এ পর্যন্ত মোট ৩২ কোটি টাকার ওষুধ কিনেছে। এজন্য ডকইয়ার্ডের মধ্যস্ততাকারীদের কাছ থেকে শাহাবুদ্দিন মাতুব্বর এবং প্রধান ভান্ডার ও ক্রয় কর্মকর্তা দুই শতাংশ হারে মোট ৬৪ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। মশার ওষুধ কেনা বাবদ দু‘শতাংশ কমিশনের টাকা পাওয়ার পর কয়েকভাগে ভাগ হওয়ার রীতি রয়েছে। এ রীতি অনুসারে প্রধান ভান্ডার কর্মকর্তা পেয়ে থাকেন ২৫ শতাংশ, তার পিএ পান ১৩ শতাংশ, দু‘জন ভান্ডার ও ক্রয় কর্মকর্তা পান ১৩ শতাংশ করে। আর বাকীটা ওই বিভাগের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে ভাগ করে দেয়া হয়। কিন্তু ওই সিন্ডিকেট সক্রিয় হওয়ার পর থেকে কমিশনের ভাগ কেহই পান না বলে অভিযোগে প্রকাশ।
ওই বিভাগে খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেছে, প্রতি মাসে জরুরি ভিত্তিতে নগদে কিছু কিছু প্রয়োজনীয় মালামাল কেনাকাটার জন্য ইমপ্রেসড মানি বাবদ এক লাখ টাকা দেয়া হয়। এ টাকা ওই বিভাগের চারজন ভান্ডার রক্ষকের কাছে ভাগ করে দেয়ার কথা। তারা হাতে টাকা রেখে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় মালামাল কেনে নেবে। অভিযোগ উঠেছে, এই ইমপ্রেসড মানির টাকা পুরোটাই সিন্ডিকেটের হাতে রাখা হয়। মাস শেষে ভ’য়া বিল ভাউচার তৈরী করে ওই টাকা এডজাষ্ট দেখিয়ে হাতিয়ে নেয়া হয়।
অভিযোগে আরো বলা হয়, এভাবে বছরের পর বছর অনিয়ম-দুর্ণীতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা ঘুষ নিয়ে শাহাবুদ্দিন মাতুব্বর বর্তমানে বেশ কয়েকটি বাড়ি-গাড়ির মালিক হয়েছেন। মিরপুরের বড়বাগ বসতী হাউজিংয়ের ১ নং রোডের ৩ নম্বর বাড়ির তয় তলায় সি-২ ফ্লাট কিনেছেন। তিনি চিড়িয়াখানা রোড সংলগ্ন বেড়িবাধ এলাকায় আট কাঠা জমি কিনেছেন। এছাড়া তিনি একটি সাদা রঙের একটি নোয়া গাড়ির (ঢাকা মেট্রো-চ-১৫-৪৫৬৮) মালিক।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ডিএসসিসির ক্রয় বিভাগের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী বলেন, প্রধান ভান্ডার ও ক্রয় কর্মকর্তার ব্যক্তিগত কর্মকর্তা শাহাবুদ্দিন মাতুব্বরের নানা হয়রানির শিকার ওই বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। বিভিন্ন সময়ে তিনি প্রধান ভান্ডার ও ক্রয় কর্মকর্তার কাছে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ করেন, নোট প্রদান করেন। এ কারণে বিভিন্ন সময়ে কয়েকজনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও নেন প্রধান ভান্ডার ও ক্রয় কর্মকর্তা। শাহাবুদ্দিন মাতুব্বরের চক্রান্তের শিকার হয়ে ভান্ডার রক্ষক (মুদ্রণ ও মনোহরী) নজরুল ইসলাম ভুইয়া পদ হারিয়ে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন। পরে নিরাপত্তা বিভাগে তাকে বদলি করলে স্ট্রোক করে মারা যান নজরুল।
জানা যায়, প্রধান ভান্ডার ও ক্রয় কর্মকর্তা সাখাওয়াৎ হোসেন তার নিজের লেখা বই (শাওন সঙ্গীত) ডিএসসিসির বিভিন্ন ঠিকাদারদের মাধ্যমে প্রকাশের ব্যবস্থা করেছেন। এভাবে তিনি প্রায় দেড় কোটি টাকার বই ছাপিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেছে, ভান্ডার ও ক্রয় বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী মিলে ১৬/১৭ জন রয়েছেন। তারমধ্যে প্রধান ভান্ডার কর্মকর্তা ও তার ব্যক্তিগত সহকারী মিলে গড়েছেন একটি সিন্ডিকেট। বাকীরা রয়েছেন বাদ প্রতিবাদের মধ্যে। ওই বিভাগের লাগামহীন অনিয়ম-দুর্নীতির অপবাদ সইতে না পেরে হয়রানির ভয়ে সবাই চুপসে গেছেন। মাঝখানে একজন ভান্ডার ও ক্রয় কর্মকর্তা স্বেচ্ছায় চাকরি ছেড়ে দেয়ার উদ্যোগ নেন। সহকর্মীসহ অন্যরা তাকে অনুরোধ করে দায়িত্ব পালন করে যেতে বলেন। আবার অনেকেই ওই বিভাগ থেকে অন্য বিভাগে স্বেচ্ছায় যাওয়ার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
জানতে চাইলে পিএ শাহাবুদ্দিন মাতুব্বর বলেন, তাকে হেয় করার জন্য এসব অভিযোগ আনা হয়েছে। তিনি দাবী করেন, যে সব বিষয়ে অভিযোগ আনা হয়েছে কোনটাতেই তার এখতিয়ার নেই। কেনাকাটাও তিনি করেন না। যা কিছু করতে হয় মেয়রের নির্দেশেই করা হয়। যার কারণে অফিস ডেকোরামের বাইরে তার সুযোগ নেই বলেও দাবি করেন শাহাবুদ্দিন মাতুব্বর। তিনি বলেন, যারা লিখিত অভিযোগ করেছে, তা পুরোটাই ভিত্তিহীন। কারণ ওই সকল ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এ ধরনের অভিযোগ করেনি বলে তারা লিখিতভাবেই জানিয়েছে। তার মধ্যে মুক্তা কনস্ট্রাকশনের প্যাডে লেখা একটি চিঠি তিনি এ প্রতিবেদকের হাতে তুলে দেন। প্রধান ভান্ডার ও ক্রয় কর্মকর্তার বরাবরে লেখা কয়েক লাইনের চিঠিতে বলা হয়েছে, তাদের প্রতিষ্ঠানের প্যাডে ইতিপূর্বে কেউ কোন প্রকার অভিযোগ করেনি। এই চিঠিটি পাওয়ার জন্য প্রধান ভান্ডার ও ক্রয় কর্মকর্তাই ৪৬.২০৭.০০৪.১৭.০২.৭০০.২০১৭ স্মারকে ২০১৭ সালের ২৬ অক্টোবর একটি পত্র দিয়েছিল মুক্তা কনস্ট্রাকশনকে। তার ভিত্তিতে তারা অভিযোগ পত্রের সত্যতা যাচাই প্রসঙ্গে পত্রটি দেয় ওই বছরেরই ৬ নবেম্বর।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান ভান্ডার ও ক্রয় কর্মকর্তা সাখাওয়াৎ হোসেন বলেন, কোন অভিযোগই সত্য নয়। তিনি এ ধরনের কিনা তা যাচাই বাছাই করার জন্য তার সাবেক কর্মস্থলে খোঁজ নেয়ার জন্য এ প্রতিবেদককে পরামর্শ প্রদান করে দাবী করেন, এখানে যোগদানের পরপরই যত অনিয়ম দুর্নীতি ছিল তা সবই বন্ধ করেছেন। এ জন্য তার বিরুদ্ধে এ সব করা হচ্ছে। তিনি বলেন, গত ২/৩ মাস যাবত ইমপ্রেসড মানি বন্ধ রয়েছে। ফ্রেম ওয়ার্ক নামের একটি প্রতিষ্ঠান গোটা বছর জুড়েই এখানকার সকল কাজকর্ম করছে বলে তিনি জানান।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ