ঢাকা, সোমবার 29 January 2018, ১৬ মাঘ ১৪২৪, ১১ জমদিউল আউয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

নবীন শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হলো মানারাত ক্যাম্পাস

 

তরুণদের, তারুণ্যের জয় সবখানে সবসময়। তেমনি জয়ের উল্লাসে  মেতে উঠল সম্ভাবনায় ভরপুর প্রাণোচ্ছল একদল তরুণ শিক্ষার্থী মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির আঙিনায়। নবীন শিক্ষার্থী আর অভিবাবকদের পদচারণায় মুখরিত হলো সবুজে ভরা নয়নাভিরাম মানারাত ক্যাম্পাস। নবাগতদের বরণ করে নিতে ব্যানার, ফেস্টুন, ফুল, রঙবেরঙের পতাকার সাজ কোনটারই কমতি ছিল না এদিন। ফুলেল ভালবাসা, দরদভরা কণ্ঠের দেশাত্মবোধক গান আর প্রেরণাদায়ী বক্তৃতায় নবাগতরা এদিন শপথ নিল নিজেকে বদলানোর, দেশমাতৃকাকে কিছু দিয়ে যাওয়ার।

একদল স্বপ্নসারথী মানারাত ক্যাম্পাসে পা দিয়েই নিজেদের ভাবনাগুলো প্রকাশ করে অকপটে। কেনইবা আরো ৯৫টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে বাদ দিয়ে এখানে তারা ভর্তি হলেন। মানারাত পরিবারের সদস্যদের আন্তরিকতাপূর্ণ ব্যবহার, একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিকতা শিক্ষার সমন্বয় তাদের মানারাতের আঙিনায় নিয়ে এসেছে শিক্ষার্থীরা নির্দ্ধিধায় প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানের ফাঁকে ফাঁকে ফার্মাসি বিভাগের নকিবুল্লাহ গালিবের ... আর জার্নালিজম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের নবাগত শিক্ষার্থী ... এই পদ্মা, এই মেঘনা ... দরদভরা কণ্ঠের দেশাত্মবোধক উপস্থিত দেশাত্মবোধের চেতনায় নতুন করে জাগিয়ে তোলে। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত ভিসি অধ্যাপক ড. উমার আলী শোনালেন মিসাইলম্যান এপিজে আবদুল কালাম, আব্রাহাম লিংকন, আইনস্টাইন, টমাস আলভা এডিসন, গুগলিও মার্কোনিদের গল্প। সময়ের সদ্ব্যবহার আর অধ্যাবসায়ের কারণে কিভাবে সাধারণ থেকেও অসাধারণ হয়ে উঠা যায় এমন সব গল্প। শিক্ষার্থীরা মন্ত্রমুগ্ধের ন্যায় শুনে যাচ্ছিল আর নিজেকে গড়ার প্রত্যয়ে নতুন করে শপথ নিচ্ছিল।

মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ট্রাস্টের সদস্য ও সাবেক সাংসদ অধ্যাপক আবদুল্লাহ বলেন, আল্লাহ মানুষকে দুটি কাজের দায়িত্ব দিয়ে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। ভাল কাজের আদেশ দেয়া আর মন্দ কাজ থেকে মানুষকে বিরত রাখা। শিক্ষার্থীরা জ্ঞান অর্জনের সাথে সাথে নৈতিকতার গুণাবলী ধারণ করতে পারলেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলাদেশ গড়া সম্ভব হবে বলে তিনি মনে করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট শেখ কবির হোসেন। তিনি বলেন, পৃথিবীতে পিতা-মাতার সন্তুষ্টি একটাই। সন্তানরা শিক্ষিত হবে, প্রতিষ্ঠিত হবে, সমাজে মা-বাবার মুখ উজ্জ্বল করবে। পড়ালেখার পাশাপাশি তিনি শিক্ষার্থীদের কমনসেন্স-এর বিকাশ ঘটানোর আহবান জানান। এছাড়া তিনি মানারাত বিশ্ববিদ্যালয়ের সমৃদ্ধি কামনা করে সংগঠনের পক্ষ থেকে সব ধরণের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ