ঢাকা, মঙ্গলবার 6 February 2018, ২৪ মাঘ ১৪২৪, ১৯ জমদিউল আউয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

চলতি অর্থবছরে চামড়া পণ্যের রফতানি আয় কমেছে

স্টাফ রিপোর্টার : ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৬২ কোটি ২ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার বা ৫ হাজার ১৬৬ কোটি টাকা। যা এই সময়ের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৫ দশমিক ৭১ শতাংশ কম। একইসঙ্গে গত ২০১৬-১৭ অর্থবছরের একই সময়ের চেয়েও ১ দশমিক ২১ শতাংশ কম বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়েছে এ খাতে।
বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) জানুয়ারি মাসে প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ১২৩ কোটি ৪০ হাজার মার্কিন ডলার। চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরে এই খাতের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩৮ কোটি মার্কিন ডলার। এর মধ্যে জুলাই-ডিসেম্বর মেয়াদে রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৬৫ কোটি ৭৮ লাখ মার্কিন ডলার।
২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে কাঁচা চামড়া রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১১ কোটি ৪৪ লাখ মার্কিন ডলার। এ সময়ের মধ্যে আয় হয়েছে ৯ কোটি ৭৫ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ কম। গত ২০১৬-১৭ অর্থবছরের জুলাই-ডিসেম্বর মেয়াদে কাঁচা চামড়া রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ১৩ কোটি ৫১ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার। অর্থাৎ আগের অর্থবছরের তুলনায়ও চলতি অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে চামড়ার রপ্তানি আয় ২৭ দশমিক ৮৪ শতাংশ কমেছে।
সদ্য সমাপ্ত ২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে চামড়াজাত পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ২০ কোটি ৯৩ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার। চলতি অর্থবছরের জুলাই-ডিসেম্বর মেয়াদে এ খাতের পণ্য রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ২৫ কোটি ৭৪ লাখ মার্কিন ডলার। এর বিপরীতে এ খাতে আয় হয়েছে ২১ কোটি ৫২ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৬ দশমিক ৩৯ শতাংশ কম। তবে গত ২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসের চেয়ে এ খাতের পণ্য রপ্তানি আয় ২ দশমিক ৮১ শতাংশ বেড়েছে।
২০১৭-১৮ অর্থবছরের জুলাই-ডিসেম্বর মেয়াদে চামড়ার জুতা রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৩০ কোটি ৭৫ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৭ দশমিক ৫২ শতাংশ বেশি। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এই খাতের রপ্তানি আয় ৮ দশমিক ৫২ শতাংশ বেড়েছে। ২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে চামড়ার জুতা রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ২৮ কোটি ৩৩ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ