ঢাকা, বৃহস্পতিবার 8 February 2018, ২৬ মাঘ ১৪২৪, ২১ জমদিউল আউয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

সাবিনা-কৃষ্ণা ভারতের ফুটবল লিগে খেলতে যাচ্ছেন

স্পোর্টস রিপোর্টার: ভারতের ঘরোয়া ফুটবলে এবার খেলতে যাচ্ছেন বাংলাদেশের তারকা নারী ফুটবলার সাবিনা খাতুন ও কৃষ্ণা রানী সরকার। জাতীয় নারী দলের এই দুজন আক্রমনভাগের ফুটবলারকে ইতিমধ্যেই দলভুক্ত করেছে তামিলনাড়–র ক্লাব সেথু এএফসি। বাংলাদেশের প্রথম নারী ফুটবলার হিসেবে সাতক্ষীরার কন্যা সাবিনা এর আগে দুইবার মালদ্বীপে খেলে এসেছেন। জানা গেছে,মার্চের তৃতীয় সপ্তাহে শুরু হতে যাওয়া ফ্রাঞ্চাইজিভিত্তিক ইন্ডিয়ান উইমেন্স লিগে খেলবেন বাংলাদেশ জাতীয় ও অনূর্ধ্ব-১৬ দলের দুই অধিনায়ক। গতকাল বুধবার সেথু এএফসির সভাপতি সিনি মোহাইদিন সাবিনা ও কৃষ্ণাকে দলে নেয়ার বিষয়টি বাফুফেকে জানিয়েছেন।এ লিগে ৭ টি দল খেলবে। ১৩ দল নিয়ে হয়েছে বাছাই পর্ব। সেখান থেকে  ৫ দল উঠেছে চূড়ান্ত পর্বে। সেথু এএফসি ইতিমধ্যেই চূড়ান্ত পর্বে উঠেছে। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড টেকনিক্যাল ডাইরেক্টর পল স্মলিও সাবিনা ও কৃষ্ণার ভারতের লিগে খেলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।তিনি জানালেন,‘সাবিনা ও কৃষ্ণাকে ক্লাবটি আমন্ত্রণ জানানোর পর আমি সভাপতি কাজী মো. সালাউদ্দিনের কাছ থেকে অনুমতি নিয়েছি। সভাপতি এটাকে মেয়েদের ফুটবলের ইতিবাচক দিক হিসেবে দেখছেন। আমিও বলবো ভারতের কোনো ক্লাব বাংলাদেশের মেয়েদের নিচ্ছে এটা দারুণ খবর। বাংলাদেশের নারী ফুটবল যে এগিয়ে যাচ্ছে এটা তারই প্রমান’।

সাবিনা ও কৃষ্ণার এ সুযোগ আসায় বাংলাদেশের আরো কয়েকজন ভারতের এ লিগে খেলার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। পল স্মলি জানিয়েছেন, ‘সানজিদা, আঁখি খাতুন, নারগিস আক্তার, শামসুন নাহার, মনিকা চাকমারা চাইছে ভারতের এ লিগে খেলতে। তবে এখনো কোনো ক্লাব অন্য কাউকে নিয়ে আগ্রহ দেখায়নি। এতটুকু জানি, ভারতের ক্লাবগুলোর নজর আক্রনভাগের খেলোয়াড়ের দিকে। দেখি আরো দুই একজনকে সেখানে পাঠানো যায় কিনা।’উল্লেখ্য সাবিনা খাতুন দুই বছর আগে মালদ্বীপে খেলেছেন। প্রথমবার খেলেছেন দেশটির ফুটসাল টুর্নামেন্টে পুলিশ ক্লাবের হয়ে। দ্বিতীয়বার খেলেছেন দেশটির এএফএম উইমেন্স চ্যাম্পিয়নশিপে মালদ্বীপ ন্যাশনাল ডিফেন্স ফোর্সের হয়ে। দুই প্রতিযোগিতাতেই মালদ্বীপ মাতিয়েছিলেন বাংলাদেশের স্ট্রাইকার। ফুটবসালে ৬ ম্যাচে ৫ হ্যাটট্রিকসহ সাবিনা করেছিলেন ৩৭ গোল। টুর্নামেন্টসেরা হওয়ার পাশপাশি ৬ ম্যাচের ৫ টিতেই সেরা হয়েছিলেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ