ঢাকা, শুক্রবার 9 February 2018, ২৭ মাঘ ১৪২৪, ২২ জমদিউল আউয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

দেশে কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়-আইনমন্ত্রী

 

স্টাফ রিপোর্টার : আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার দুর্নীতির মামলায় ৫ বছর সাজা হওয়াই প্রমাণ করে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা আছে। কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। তিনি বলেন, কেউ যে আইনের ঊর্ধ্বে না, এ রায়ে তা প্রতিষ্ঠিত হলো। সাবেক প্রধানমন্ত্রীর দুর্নীতির পর সাজা হবে, তাতে আমাদের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয় না। তবে এখন পৃথিবীকে বলতে পারব, এ দেশে দুর্নীতি করলে বিচার হয়।

গতকাল বৃহস্পতিবার খালেদা জিয়ার দুর্নীতির মামলার রায় ঘোষণার পর মন্ত্রণালয়ের নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। আনিসুল হক বলেন, এই রায়ে প্রমাণ হলো, বাংলাদেশে বিএনপির আমলে অপরাধীদের যে স্বর্গ ছিল, তার অবসান হয়েছে। এখন এটাই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, অপরাধ করলে তার বিচার হয়। তিনি বলেন, এ মামলা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কাগজপত্রে প্রমাণিত হয়েছে, সে জন্যই আজকের এই সাজা। বাংলাদেশে দুর্নীতির যে আখড়া ছিল সেখান থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার প্রচেষ্টায় ছিলাম আমরা, এটা তারই সাফল্য।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ২০০৮ সালের জুলাই থেকে মামলা রুজু করার পর সাড়ে ৯ বছর জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলা চলেছে। যদি তা খুব অল্প সময় হয়ে থাকে বলেন, তাহলে আমার কিছু বলার নেই। সাড়ে ৯ বছরে খালেদা জিয়া আইনে যা যা সুবিধা পাওয়ার কথা, তা তাকে দেওয়ার পর মামলা শেষ হয়েছে। আমার মনে হয় না, খুব তাড়াতাড়ি এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়াসহ অন্য সাজাপ্রাপ্তরা এই মামলায় আপিল করার সুযোগ পাবেন। তারা হাইকোর্টে আপিল করতে পারবেন। সেটাই পরের পদক্ষেপ। তবে এটা পুরোপুরি তাদের ব্যাপার।

সাজা হওয়ায় খালেদা জিয়া আগামী সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কিনা, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, আমাদের সংবিধানে বলা আছে, নৈতিক স্থলনের কারণে দুই বছরের বেশি সাজা হলে তিনি নির্বাচন করতে পারবেন না। আদালতের রায়ে আছে, আপিল যতক্ষণ শেষ না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত এই মামলা পূর্ণাঙ্গ স্থানে যায় নাই, কিন্তু অভিযুক্ত দন্ডপ্রাপ্ত হলেও নির্বাচন করতে পারবে। আবার আরেকটা রায় আছে পারবেন না।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ