ঢাকা, শনিবার 17 February 2018, ৫ ফাল্গুন ১৪২৪, ৩০ জমদিউল আউয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

খুলনা-কলকাতা রুটে বন্ধনের দুই তৃতীয়াংশ আসন খালি

খুলনা অফিস : বন্ধন এক্সপ্রেসে যাত্রী চলাচল থেমে নেই। যাত্রী সংখ্যা কোনভাবেই পূরণ হচ্ছে না। এই এক্সপ্রেসের মোট আসনের দুই তৃতীয়াংশ আসন খালিই যাচ্ছে। তবে এই আসন পূরণ না হওয়ার কারণ বলতে পারছেন না সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এদিকে সর্বশেষ বৃহস্পতিবার বন্ধনে যাত্রী খুলনায় এসেছে ১১৭ জন এবং খুলনা থেকে কলকাতা গমন করেছে ১৪৪ জন। জানা গেছে, খুলনা-কলকাতা রুটে বন্ধন এক্সপ্রেসে প্রথমদিকে কলকাতা থেকে আগত যাত্রীর সংখ্যা ভালই ছিল। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে যাত্রী হ্রাস-বৃদ্ধি হয়েছে। তবে ডিসেম্বর থেকে বর্তমান পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে হ্রাস-বৃদ্ধি অব্যাহত রেেয়ছ। তবে বৃহস্পতিবারের যাত্রা পর্যন্ত কোনবারই বন্ধনের সম্পূর্ণ আসন পূর্ণ হয়নি। এক্সপ্রেসের দুই তৃতীয়াংশ আসন খালিই থাকছে। আর এই আসন পূরণের ব্যাপারে কর্তৃপক্ষেরও তেমন নজর নেই। তবে এই আসন খালি থাকার কোন কারণ জানাতে পারেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তবে এই আসন খালি থাকার বিষয়ে যাত্রীরা নান ধরনের কারণ উল্লেখ করেছেন। তার মধ্যে রয়েছে কাস্টমসের ক্লিয়ারেন্স, বিলম্ব এবং বেশি ভাড়া।

কলকাতা থেকে বন্ধনের তৃতীয় যাত্রায় কলকাতা থেকে ৮১ জন যাত্রী আসে। ২৮ ডিসেম্বরের যাত্রায় ভারত থেকে আসে ১৭৮ জন। খুলনা থেকে ভারতে যাত্রা করে ১৪৩ জন। পরবর্তী বৃহস্পতিবার খুলনায় আসেন ১২৩ জন যাত্রী। খুলনা থেকে কলকাতায় যাত্রা করেছেন ১৯৭ জন। ১১ জানুয়ারির যাত্রায় কলকাতা থেকে ১৩৯ জন যাত্রী খুলনায় আসে। কিন্তু এর বিপরীতে খুলনা থেকে ১৩৭ জন যাত্রী রওনা দেয়। ১৮ জানুয়ারির যাত্রায় কলকাতা থেকে বন্ধনে আসে ১১১ জন যাত্রী। আর খুলনা থেকে ১৩৭ জন কলকাতাগামী যাত্রী নিয়ে রওনা দেয়। পরের বৃহস্পতিবার বন্ধনে কলকাতা থেকে ১১৩ জন যাত্রী আসেন। এর বিপরীতে খুলনা থেকে ১৪৭ জন যাত্রী কলকাতা গেছে। ১ ফেব্রুয়ারির যাত্রায় কলকাতা থেকে খুলনায় এসেছে মাত্র ৬৮ জন যাত্রী। কলকাতা থেকে আগত যাত্রীদের বিপরীতে খুলনা থেকে প্রস্থান করেন ১৩৭ জন। বৃহস্পতিবারের যাত্রায় বন্ধনে খুলনায় এসেছে মাত্র ৮৮ জন। আর খুলনা থেকে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা হয় ১৬৫ জন। সর্বশেষ ১৫ ফেব্রুয়ারি বন্ধনে খুলনায় এসেছে ১১৭ জন এবং কোলকাতায় গেছে ১৪৪ জন।

কলকাতা থেকে আসা মো. আব্দুল কাদের বলেন, বন্ধনে এই পর্যন্ত কখনও আসন পূর্ণ হয়নি। এ জন্য যাত্রীরা ধীরে ধীরে বন্ধনে যাতায়াতে অনীহা প্রকাশ করছেন।

অপর আরেক যাত্রী সাধন সরকার বলেন, বন্ধনে বাংলাদেশিরা যায় আর সপ্তাহখানেক পরের যাত্রায় আবার ফিরে আসে। আর বিড়ম্বনাও কিছুটা রয়েছে।

খুলনা রেলওয়ের স্টেশন মাস্টার মানিক চন্দ্র সরকার বলেন, বন্ধনের যাত্রী হ্রাস-বৃদ্ধি হচ্ছে ঠিকই। কিন্তু যাত্রী আসন খালি থাকার কারণ তিনি কিছুই বলতে পারেন না।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ