ঢাকা, শনিবার 17 February 2018, ৫ ফাল্গুন ১৪২৪, ৩০ জমদিউল আউয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা সংক্রান্ত কাজে ত্রুটি-বিচ্যুতি ও সমাধানে করণীয়

বিল্লাল হোসেন কলতান : [পূর্ব প্রকাশিতের পর]
৭. ফলাফল তৈরিকরণের ক্ষেত্রে সমস্যা/ত্রুটি :
ক) কারিকুলাম সিস্টেম অনুযায়ী বর্তমানে ফলাফল গ্রেডিং এ প্রকাশ করতে হয়। অন্যদিকে প্রতিটি শ্রেণিতে এখন ১৩/১৪টি পাঠ্যবই থাকে। তারপর আছে SBA। আরো আছে Home Work বা বাড়ির কাজ। প্রায় প্রতিটি ভালো মানের প্রতিষ্ঠান টিউটোরিয়াল বা মিডটার্ম পরীক্ষা নিয়ে থাকে। সে পরীক্ষার নম্বরগুলোর আবার কিছু শতকরা হারে অর্ধ-বার্ষিক ও বার্ষিক পরীক্ষায় যোগ হয়। আসলে এত সব কাজ একজন শিক্ষকের পক্ষে ম্যানুয়ালি করে ফলাফল তৈরি করা নিদারুণ কষ্টের।
খ) শ্রেণি শিক্ষককে প্রথমে ফলাফল রেজিস্টার বহিতে গ্রেডিং সিস্টেমে ফলাফল তৈরি করতে হয়। তারপর তাকে সেই রেজিস্টার বহি দেখে শিক্ষার্থীর প্রোগ্রেস রিপোর্টে ফলাফল উঠাতে হয়। সঙ্গত কারণে এই কাজগুলো অবশ্যই সময় সাপেক্ষ এবং একজন শিক্ষকের উপর মানসিক চাপ সৃষ্টি হয়।
গ) বর্তমান যুগ প্রযুক্তির যুগ। এ যুগে একজন শিক্ষক ম্যানুয়ালি গ্রেডিং সিস্টেমের এত বেশি কাজ করতে গিয়ে অনেক সময় অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। পূর্বে শুধু নম্বরের ভিত্তিতে ফলাফল তৈরি করতে হত। গ্রেডিং সিস্টেম ছিল না। অন্যদিকে আগে বিষয় ছিল ৯/১১টি। তাই তখন ফলাফল তৈরি করতে এত কষ্ট হতো না।
ঘ) উপরে উল্লেখিত ‘ক’ অনুযায়ী একটি শ্রেণির ফলাফল ম্যানুয়ালি তৈরি করতে একজন শিক্ষকের নিয়মিত ধারাবাহিকভাবে কাজ করলেও ১২/১৫ দিন সময় লাগবে। এই সময়টাতে তাকে ফলাফল তৈরির জন্য কঠোর পরিশ্রম করতে হয়। সমস্ত মনোযোগ ফলাফল তৈরিতে দিতে হয়। ফলে এই সময়ে শ্রেণিতে পাঠদানের ক্ষেত্রে শিক্ষককে অমনোযোগী হতে দেখা যায়।
ঙ) যেহেতু অল্প সময়ের মধ্যে ম্যানুয়ালি অনেক কাজ করতে হয় সেহেতু ফলাফল তৈরিতে শিক্ষকের ভুলও বেশি হচ্ছে। অনেক সময় একটানা অনেক কাজ করার ফলে ফলাফল তৈরিতে কাটাকাটি/ঘষামাজা বেশিই হচ্ছে। এত বেশি ঘষামাজার ফলে অভিভাবকের নিকট একজন শিক্ষককে অসন্মানিত হতে হয়। শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের যোগ্যতা সম্পর্কে ভুল ম্যাসেজ পায়।
৮. কম্পিউটার বিভাগে সমস্যা/ত্রুটি :
ক) প্রশ্নপত্র কম্পোজ এবং প্রিন্ট করার ক্ষেত্রে কম্পিউটার বিভাগ একটি গোপনীয় শাখা। ইংরেজিতে যাকে বলা হয় ঈড়হভরফবহঃরধষ ইৎধহপয. এখানে শুধু প্রবেশাধিকার থাকে প্রতিষ্ঠান প্রধানের, কম্পিউটার অপারেটরদের এবং প্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক অনুমোদিত কর্মকর্তা বা দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের। এ ছাড়া অন্য সকলের এখানে প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ থাকে। কিন্তু মাঝে মাঝে দেখা যায় উপরিউক্ত প্রবেশাধিকার প্রাপ্ত ব্যক্তি ছাড়াও অন্য কেউ সেখানে প্রবেশ করছেন। স্কুল এ- কলেজ প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ধরা যাক মাধ্যমিক শাখার পরীক্ষা চলছে এবং প্রশ্নপত্রের গোপনীয় কাজগুলো চলছে, ঐ সময়ে কলেজ শাখার শিক্ষকগণ প্রবেশ করছেন। অন্যদিকে কলেজ শাখার পরীক্ষা হচ্ছে মাধ্যমিক শাখার শিক্ষকগণ প্রবেশ করছেন। আবার পরস্পর উভয় ঘটনাও সত্য। এটা স্পষ্টভাবে গোপনীয়তার লংঘন।
খ) পরীক্ষা পদ্ধতির নীতিমালা এবং Confidentiality অনুযায়ী যিনি কম্পিউটার বিভাগে কাজ করবেন কিংবা প্রশ্নপত্র বাছাই করবেন কিংবা এই জাতীয় গোপনীয় শাখায় কাজ করবেন তিনি কোন শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়াতে পারবেন না। কিন্তু দেখা যাচ্ছে যিনি কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে কাজ করছেন তিনিই আবার শিক্ষক হিসেবে শ্রেণিতে ক্লাস নিচ্ছেন; তিনিই আবার শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়াচ্ছেন। যা কোনভাবেই হওয়া উচিত নয়। এটা গোপনীয়তার সুস্পষ্ট লংঘন।
পূর্বেই উল্লেখ করেছি যে, কাজ করতে গেলে ত্রুটি-বিচ্যুতি ও সমস্যা সৃষ্টি হওয়াটাই স্বাভাবিক। এই ভুল-ত্রুটি থেকে শিক্ষা নিয়ে সুষ্ঠু পরিকল্পনার আলোকে সমাধানের পথ খুঁজে নির্ভুলভাবে কাজ করার চেষ্টা করতে হয়। তাহলেই সফলতার সোনালী সিঁড়ি পাড়ি দিয়ে সাফল্যের উচ্চ শিখরে পৌঁছা যায়। কখনো কখনো কিছু সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধান করতে হয়। আবার কখনো সমস্যা সমাধানে নিতে হয় মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা। অন্যদিকে সমস্যার সমাধান কিংবা ত্রুটি সংশোধনের জন্য শুধু স্বল্প, মধ্য আর দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নিলেই হবে না বরং তা বাস্তবায়নের মাধ্যমেই সম্ভব সমস্যার সুষ্ঠু সমাধান।
প্রশ্নব্যাংক :
ক) প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকগণ তাদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি প্রশ্ন ব্যাংক তৈরি করতে পারেন। তাই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক/শিক্ষিকাম-লী প্রশ্নব্যাংকের জন্য সৃজনশীল ও বহুনির্বাচনী প্রশ্ন প্রণয়ন করবেন। প্রশ্নব্যাংকটি তৃতীয় থেকে একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য করা যেতে পারে।
খ) প্রথম ধাপে অর্ধবার্ষিক পরীক্ষার জন্য একটি প্রশ্নব্যাংক তৈরি করা যেতে পারে। এই প্রশ্নব্যাংকটির তৈরি করার কাজ শেষ হলে দ্বিতীয় ধাপে বার্ষিক/নির্বাচনী পরীক্ষার জন্য একটি প্রশ্নব্যাংক তৈরি করা যেতে পারে। প্রধান শিক্ষক/অধ্যক্ষ মহোদয়ের তত্ত্বাবধানে এই কাজ তদারকির জন্য একটি বিষয় বা একটি সমগোত্রীয় বিষয়গুচ্ছের জন্য একজনকে সমন্বয়কারী করে দুই/তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি করা যেতে পারে। এই কমিটির কাজ হবে শিক্ষক/শিক্ষিকা কর্তৃক প্রণয়নকৃত সৃজনশীল ও বহুনির্বাচনী প্রশ্নগুলোকে মডারেশন করা এবং প্রশ্নের আদর্শ মান নিশ্চিতকরণে চেষ্টা করা।
গ) এবার উদাহরণের মাধ্যমে বিষয়টি স্পষ্ট করা যায়। ধরা যাক, ৬ষ্ঠ শ্রেণির বিজ্ঞান পাঠ্যবইটির কথা। বইটিতে ১৪টি অধ্যায় আছে। সিলেবাসের আলোকে অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষার জন্য কমপক্ষে ৮/৯টি অধ্যায় অন্তর্ভুক্ত হওয়া উচিত। প্রথম ধাপে শিক্ষক/শিক্ষিকাগণ প্রতিজন প্রতি অধ্যায় হতে কমপক্ষে দুইটি করে ১৬/১৮টি সৃজনশীল প্রশ্ন প্রণয়ন করবেন এবং প্রতি অধ্যায় হতে অনুরূপভাবে ২০টি করে বহুনির্বাচনী প্রশ্ন প্রণয়ন করবেন। যেহেতু প্রত্যেক শিক্ষক/শিক্ষিকা নিজ নিজভাবে প্রশ্ন তৈরি করবেন সেহেতু কোন শিক্ষক/শিক্ষিকার প্রশ্নের সাথে অন্য কোন শিক্ষক/শিক্ষিকা প্রশ্নের মিল থাকার সম্ভাবনা নেই। কোন শিক্ষক/শিক্ষিকা গাইড বই থেকে প্রশ্ন প্রণয়ন করবেন না। তারপর দ্বিতীয় ধাপে বার্ষিক/নির্বাচনী পরীক্ষার জন্য এভাবে প্রশ্ন প্রণয়ন করা যায়। এই সমস্ত কাজগুলো শুধু প্রথম বছরেই করতে হবে। সিলেবাস, পাঠ্যবই ও অধ্যায়ের কোন পবিরতর্থন না হলে দ্বিতীয় বছর হতে আর কোন প্রশ্নব্যাংকের জন্য প্রণয়নের প্রয়োজন নেই। শুধু পরিবর্ধন ও পরিমার্জনের কাজগুলো করলেই চলবে।
ঘ) তারপর মডারেশন কমিটি প্রশ্নগুলো নিয়ে কাজ করতে পারেন। কোন সংযোজন কিংবা বিয়োজনের প্রয়োজন হলে তারা তা করবেন। অর্থাৎ একটি প্রশ্নকে মানসম্মত প্রশ্নে রূপান্তরে তারা কাজ করবেন। কোন শিক্ষক/শিক্ষিকার অধিকাংশ প্রশ্নই যদি মানসম্মত না হয় তাহলে তাকে পুনরায় প্রশ্ন প্রণয়নের জন্য বলা যেতে পারে।
ঙ) মডারেশন কমিটির কাজ শেষ হলে প্রধান শিক্ষক/অধ্যক্ষ মহোদয়ের মাধ্যমে প্রশ্নগুলো কম্পিউটার সেকশনে দেয়া যেতে পারে। সেখানে অতি দ্রুত প্রশ্নগুলোর কম্পোজের কাজ শেষ হলে তার এক কপি প্রধান শিক্ষক/অধ্যক্ষ মহোদয়ের কাছে এবং অন্য কপি সহকারী প্রধান শিক্ষক/উপাধ্যক্ষ মহোদয়ের কাছে সংরক্ষিত অবস্থায় রাখা যেতে পারে। বিষয় শিক্ষক/শিক্ষিকগণ সহকারী প্রধান শিক্ষক/উপাধ্যক্ষ মহোদয়ের নিকট থেকে তা সংগ্রহ করবেন। সফট কপিগুলো কম্পিউটারে অত্যন্ত সাবধানতার সাথে সংরক্ষণ করা যেতে পারে।
চ) বিষয় শিক্ষক/শিক্ষিকাগণ বিভিন্ন পরীক্ষার জন্য প্রশ্ন প্রণয়ন করার সময় প্রশ্নব্যাংকের আলোকে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করবেন। তাহলে প্রশ্নপত্রের মান নিয়ে আর কোন সমালোচনার সুযোগ থাকবে না এবং প্রশ্নপত্রে ভুলের পরিমাণ প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে আসবে।
চ) বিষয় শিক্ষক/শিক্ষিকাগণ বিভিন্ন পরীক্ষার জন্য প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করার সময় প্রশ্নব্যাংকের আলোকে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করবেন। তাহলে প্রশ্নপত্রের মান নিয়ে আর কোন সমালোচনার সুযোগ থাকবে না এবং প্রশ্নপত্রে ভুলের পরিমাণ শূন্যের কোঠায় নেমে আসবে।
ছ) এখানে উল্লেখ্য যে, উক্ত মডারেশন কমিটি শুধু প্রশ্নব্যাংক নিয়ে কাজ করবেন কিন্তু পরীক্ষার কোন প্রশ্নপত্র নিয়ে কাজ করবেন না।
২. প্রশিক্ষণ ও প্রশ্নপত্র প্রণয়ন:
ক) প্রশ্নপত্র প্রণয়নের জন্য নোটিস প্রদানের এক/দুই দিন পূর্বে প্রধান শিক্ষক/অধ্যক্ষ মহোদয় শিক্ষক/শিক্ষিকাদের নিয়ে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য সমবেত হতে পারেন। এখানে তিনি সংক্ষিপ্তভাবে প্রশ্নপত্র প্রণয়নের নিয়ম-নীতি, প্রশ্নপত্রের সময়, মান বণ্টন ইত্যাদি বিষষয় তুলে ধরতে পারেন। এরপর তিনি প্রশ্নপত্র প্রণয়ন যাতে সিলেবাস ভিত্তিক ও NCTB এর Model Question অনুসারে হয় এবং কোন শিক্ষক/শিক্ষিকা যাতে গাইড বই থেকে হুবহু প্রশ্ন তুলে না দেন সে ব্যাপারে নির্দেশনা প্রদান করতে পারেন।
খ) যে কোন পেশার লোকদের তাদের পেশাগত মান উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই। শিক্ষকতা হলো এমন একটি পেশা যে পেশার লোকজন সরাসরি একটি সভ্য জাতি গড়ার কাজে সর্বদা নিয়োজিত থাকেন। তাই শিক্ষকদের পেশাগত মান উন্নয়নের লক্ষ্যে সময়ে সময়ে প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ইন হাউজ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা অতীব জরুরী। একটি ভালো মানের বৃহৎ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যে পরিমাণ শিক্ষক নিয়োগ েিত হয় তাদের সবাইকে সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ/প্রাইমারি টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট-এ সিপিডি প্রোগ্রামের অধীনে প্রশিক্ষণের জন্য পাঠানো সম্ভব হয় না। সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজগুলোতে শিক্ষকদের পেশাগত মান উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৪/২১/২৪/৩০/৪৫ দিনের প্রশিক্ষণের আয়োজ করা হয়ে থাকে এবং প্রশিক্ষণের সময়ের ব্যাপ্তি হয় প্রতিদিন সকাল ৯ ঘটিকা হতে বিকাল ৫ ঘটিকা পর্যন্ত। এই প্রশিক্ষণ নেয়ার পর আবার ৩/৫/৭ দিনের ফলোআপ প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করতে হয়। এভাবে সিপিডি প্রোগ্রামের অধীনে সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজে প্রশিক্ষণ নিয়ে একজন শিক্ষক দক্ষতা অর্জন করেন এবং শ্রেণিতে ভালো মানের পাঠদান করতে পারেন ও একটি আদর্শ প্রশ্নপত্র তৈরি করতে পারেন। কোন প্রতিষ্ঠান যদি বছরে একবার/দুইবার ১ দিনের জন্য সকাল ৯ ঘটিকা হতে বিকাল ৫ ঘটিকা পর্যন্ত ইন হাউজ প্রশিক্ষণের আয়োজন করে তাহলে সে হিসাবে সিপিডি প্রোগ্রামের ১৪ দিনের একটি প্রশিক্ষণ শেষ করতে ঐ প্রতিষ্ঠানের ১৪/৭ বছর সময় লাগবে। তাই প্রশিক্ষিত শিক্ষক গড়ে তোলার প্রয়োজনে প্রতি বছর জানুয়ারি ও জুলাই মাসে প্রতিবার ৩ দিনব্যাপি সকাল ৯ ঘটিকা হতে বিকাল ৫ ঘটিকা পর্যন্ত প্রশিক্ষণের আয়োজনের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। প্রশিক্ষণের জন্য অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষক ছাড়াও সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ/প্রাইমারি টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট-এর কোন প্রশিক্ষক অথবা দেশের শ্রেষ্ঠ কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোন অভিজ্ঞ শিক্ষককে প্রশিক্ষক হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো যেতে পারে। প্রশিক্ষণের সময় হতে পারে বুধবার, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার। প্রশিক্ষণ চলাকালীন সময়ে শিক্ষক/শিক্ষিকাদের জন্য প্রতিষ্ঠানের পক্ষ হতে আপ্যায়নের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। প্রশিক্ষণের জন্য শিক্ষক প্রশিক্ষণ ম্যানুয়াল-এর ব্যবস্থা করা যেতে পারে।
গ) ইন হাউজ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে একজন শিক্ষক/শিক্ষিকা শ্রেণিতে কিভাবে সৃজনশীল পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করবেন সে বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিবেন। কিভাবে একটি সৃজনশীল প্রশ্ন প্রণয়ন কতে হয় এ বিষয়ে শিক্ষক/শিক্ষিকাম-লী প্রশিক্ষিত হবেন। এ প্রশিক্ষণে মাধ্যমে একটি সৃজনশীল পদ্ধতির উত্তরপত্র মূল্যায়নের কৌশল সম্পর্কে শিক্ষক/শিক্ষিকাম-লী দক্ষতা অর্জন করবেন। [চলবে]

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ