ঢাকা, রোববার 25 February 2018, ১৩ ফাল্গুন ১৪২৪, ৮ জমদিউস সানি ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

খুলনায় শিল্পকলা একাডেমীর নির্মাণ কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ হচ্ছে না

খুলনা অফিস: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুত খুলনা জেলা শিল্পকলা একাডেমি কমপ্লেক্সের নির্মাণের ৮০ভাগ কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হলেও বর্ধিত নির্ধারিত সময়ে শেষ হচ্ছে না। খুলনার সাংস্কৃতিকপ্রেমী মানুষের দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের ফসল এ শিল্পকলা একাডেমীর কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ হবে এমনটি প্রত্যাশা ছিলো এ অঞ্চলের মানুষের। গণপূর্ত অধিদপ্তর ও বিসিটিএই ইলোরা জেভি নামক ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সাথে সমন্বয়হীনতার কারণে কমপ্লেক্স নিমার্ণে ধীর গতি বলে অনেকে মনে করছেন। প্রথম দফার নির্ধারিত সময় অনুযায়ী কাজ শেষ হলে আগামী ৩মার্চ খুলনায় এসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিল্পকলা একাডেমীর উদ্বোধন করতে পারতেন বলে অনেকে মনে করেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নগরীর শেরে বাংলা রোডের পুরাতন নার্সিং ইন্সটিটিউটের জায়গায় শিল্পকলা একাডেমীর আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন কমপ্লেক্স তৈরীর পরিকল্পনা গ্রহণ করে সরকার। এর আগে ২০১১সালের ৫মার্চ খুলনার খালিশপুরের প্রভাতী স্কুল মাঠের জনসভায় অন্যান্য উন্নয়ন প্রকল্পের সাথে খুলনায় শিল্পকলা একাডেমি নির্মাণ করার ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী। ইতোপূর্বে দীর্ঘদিন ধরে খুলনার সাংস্কৃতিক অঙ্গণের কর্মীরা ও সাংবাদিকরা যৌথভাবে আন্দোলন করেন খুলনায় শিল্পকলা একাডেমি ভবন নির্মঅণের জন্য। অবশেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খুলনাবাসীর সেই আশা পূরণ করেন। সূত্র জানায়, ২০১৬সালের ১০জুন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান বিসিটিএই ইলোরা জেভি খুলনার শিল্পকলা একাডেমীর নির্মাণ কাজ শুরু করে। শেরে বাংলা রোডে ৮১শতক জমির ওপর দৃষ্টিনন্দন আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন শিল্পকলা একাডেমি নির্মাণের কাজ শুরু হয়। ১২ কোটি ৭ লাখ ৪০হাজার ২১৯ টাকা ব্যয় ধরে এ নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি অনুযায়ী ১৮ মাস সময়ে অর্থাৎ ২০১৭ সালের ডিসেম্বর মাসে শিল্পকলা একাডেমীর কাজ সম্পন্ন হওয়ার কথা। ২০১৭ সালের ডিসেম্বর মাসের মধ্যে কাজ শেষ করতে না পারায় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান বিসিটিএই ইলোরা জেভি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে সময় বৃদ্ধির আবেদন জানায়। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা মনে করছেন চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসের মধ্যে তারা শিল্পকলা একাডেমীর কাজ শেষ করতে পারবেন। তবে অপর একটি সূত্র জানায়, নির্ধারিত সময়ে শিল্পকলা একাডেমীর নকশা না পাওয়ায় কাজ শুরু করতে বিলম্ব হয়। এ ছাড়া সময় মত অর্থ ছাড় না করার কারণেও নির্মাণ কাজে বিঘœ সৃষ্টি হয়।
এ ব্যাপারে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান বিসিটিএই ইলোরা জেভি’র স্বত্তাধিকারী মো. তৌহিদুল ইসলাম আজাদ বলেন, শিল্পকলা একাডেমীর নির্মাণ কাজ ইতোমধ্যে ৮৫ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে। ঠিকাদারী কাজের পুনঃমূল্যায়ন ও ফান্ড পেলে চলতি বছরের জুন মাসের মধ্যে শিল্পকলা একাডেমি কমপ্লেক্সের নির্মাণ কাজ শেষ হয়ে যাবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ