ঢাকা, রোববার 25 February 2018, ১৩ ফাল্গুন ১৪২৪, ৮ জমদিউস সানি ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

লালু প্রসাদের জামিনের আবেদন খারিজ

২৪ ফেব্রুয়ারি, ইন্টারনেট : ভারতের বিহারের চাঞ্চল্যকর পশুখাদ্য কেলেঙ্কারির তিনটি মামলায় বিহারের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও বিহারের রাষ্ট্রীয় জনতা দল বা আরজেডি প্রধান লালু প্রসাদ যাদব দোষী সাব্যস্ত হয়ে এখন কারাদণ্ড ভোগ করছেন। তিনি রয়েছেন ঝাড়খন্ড রাজ্যের রাঁচির কেন্দ্রীয় বিরসামুন্ডা কারাগারে। আসন্ন দীপাবলি উৎসবকে সামনে রেখে গতকাল শুক্রবার রাঁচি হাইকোর্টে জামিন চান তিনি।
ঝাড়খন্ড হাইকোর্টের বিচারপতি অপরেশ কুমার সিং লালু প্রসাদ যাদবের জামিনের আবেদন খারিজ করে দেন। এতে লালু প্রসাদের আর তাঁর পরিবারের সঙ্গে এবার হোলি উৎসব পালন করার সুযোগ হলো না।
গত ৬ জানুয়ারি পশুখাদ্য কেলেঙ্কারির তৃতীয় মামলায় লালু প্রসাদ যাদব দোষী সাব্যস্ত হলে রাঁচির বিশেষ সিবিআই আদালত তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে ৫ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ রুপি জরিমানার নিন্দেশ দেয়। পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি মোট ৬টি মামলা দায়ের হয়েছে লালু প্রসাদ যাদবের বিরুদ্ধে। সর্বমোট ৮৯ কোটি রুপির এই পশুখাদ্য কেনার দুর্নীতি নিয়ে বিহারের সিবিআই আদালতে বেশ কয়েকটি মামলা দায়ের হয়। এর আগে ২০১৩ সালে চাইবাসা ট্রেজারি থেকে পশুখাদ্য কেনার জন্য ভুয়া ভাউচার দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে সিবিআইর দায়েরকৃত মামলায় লালু প্রসাদকে ৫ বছরের কারাদণ্ড ও ২৫ লাখ রুপি জরিমানা করা হয় লালু প্রসাদের। ওই মামলার পর লালু প্রসাদ তাঁর সাংসদ পদ হারান এবং তাঁকে ৬ বছরের জন্য নির্বাচনে দাঁড়ানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়। পরে লালু প্রসাদ সুপ্রিম কোর্ট থেকে জামিনে মুক্তি পান।এরপর গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর প্রথম রায় ঘোষিত হয় দেওঘর ট্রেজারি থেকে পশুখাদ্য কেনার দুর্নীতি মামলার। ১৯৯৪ সাল থেকে ১৯৯৬ সালে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী থাকার সময় ভুয়া ভাউচার দাখিল করে দেওঘর ট্রেজারি থেকে ৮৯ লাখ ২৭ হাজার রুপি আত্মসাত করেন।
এই মামলায় অবশ্য গত ২৩ ডিসেম্বর বিহারের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী জগন্নাথ মিশ্র সহ ৭ জনকে বেকসুর খালাস দেন সিবিআইর ওই বিশেষ আদালত। দোষী সাব্যস্ত করা হয় লালু প্রসাদ যাদব সহ ১৬ জনকে। রায় ঘোষণার পর পুলিশ ওই দিনই লালু প্রসাদকে নিয়ে যায় রাঁচির বিরসা মুন্ডা কেন্দ্রীয় কারাগারে। এরপর গত ৬ জানুয়ারি দেওয়া হয় দ্বিতীয় দেওঘর ট্রেজারির পশু কেলেঙ্কারি মামলার অর্থ আত্মসাতের রায়। তাতে লালু প্রসাদকে সাড়ে ৩ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ রুপি জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ