ঢাকা, মঙ্গলবার 27 February 2018, ১৫ ফাল্গুন ১৪২৪, ১০ জমদিউস সানি ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

কবিতা

হে মুসলিম সেনা
সুমাইয়া জামান

মোরা আজ শূণ্যতায় পূর্ণতাহীন
বিফলে বিহ্বলে কাটাই রাত দিন।

কন্টকাকীর্ণ পথে আজ চলছি মোরা নিষ্কৃতি হবে কবে?

দেখ অবরুদ্ধ আজ হাজারো নেতা
বেঁচে আছে নিয়ে এই প্রতীতি,
একদিন তারা প্রসন্ন দৃষ্টিতে দেখবে
ইসলামী অন্তরীক্ষ পরে জালেমদের হাত থেকে অব্যাহতি।

তুমি কি দেখনা তাদের  অশ্রুসিক্ত নয়ন
এখনো বসে কেন? কেন করছো নীরবতা পালন?

ঝংকার তোলো, এগিয়ে যাও
     হাতে তুলে নাও খঞ্জর
কন্টকাকীর্ণ পথ মাড়িয়ে
     ভেঙে দাও জালেমের পিঞ্জর।

বীরবাহু নিয়ে এগিয়ে যাও, বৈরীদের করো লোস্ট্রাঘাত
ঝঞ্ঝারাতে এগিয়ে যাও, কর স্বৈরাচারীর নিপাত।

আর কতদিন থাকবে পিঞ্জরাবদ্ধ, কত দিন!
শুনবে বিজয়ের ধ্বনি, কেন এখনও দৃষ্টিক্ষীণ?

দেখাও তোমার দীপ্তি
     হও দুর্দান্ত, না হয় থেকে কী লাভ?
বাজাও দামামা, করো জালেমদের দিশেহারা
ইসলামী পতাকা ওঠাও তবে হে মুসলিম।

আকাশ বাতাস তামাম গাইবে বিজয়ের গান
মহীতে হবে শীর্ষ হবে মহীয়ান।


উন্মীলন
খাদিজা তাসনীম
এত সহজেই সমীকরণ মিলে যাবে কখনোই ভাবিনি
বরং জীবনকে ভাবতাম এক গরল গণিতের উৎপাদ !
ভাবিনি তো মিলে যাবে এক পশলা তৃপ্তিবোধ
কিংবা সখেদ অন্তর আশ্বস্ত হবে শুদ্ধতার বর্ষণে!
হ্যা, তেমনটাই ঘটেছে অকল্পনীয়ভাবে!
একটা বিবর্ণ আয়ুষ্কাল নিয়ে হাঁটছিলাম...
নিমিষেই বর্ণতার আলোকচ্ছটায়
রেগে ওঠব ভাবিনি মোটেও!
মনের খেয়ালে হাঁটতে থাকা এই আমি
পেয়ে গেলাম আমার মঞ্জিল...
হূয়মান কিতাবের খোলা সমুদ্রে
জেগে গেল নিস্পন্দ, প্রসুপ্ত দিল

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ