ঢাকা, বুধবার 28 February 2018, ১৬ ফাল্গুন ১৪২৪, ১১ জমদিউস সানি ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

প্রার্থীদের দৌড়-ঝাঁপ শুরু

বাম থেকে মুজিবুল হক চৌধুরী, এ কে জাহেদ চৌধুরী, ছালামত উল্লাহ চৌধুরী, এস এম সিরাজদ্দৌলা, আলী আজম সাদেক, আনোয়ার পাশা, দিদারুল আলম, মোরশেদ আমিন

মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, ফটিকছড়ি : ফটিকছড়ি নাজিরহাট পৌরসভার নির্বাচনী তফসিল ঘোষনার সাথে সাথে গা ঝারা দিয়ে উঠছেন সম্ভ্যাব্য কাউন্সিলর ও মেয়র প্রার্থীগণ। ইতিমধ্যে সম্ভাব্য প্রার্থীরা দৌড় ঝোপ শুরু করেছেন। এলাকার বিবাহ,মেজবান, মাহফিল, খেলাধূলাসহ নানা অনুষ্ঠানে যথাসাধ্য উপস্থিত হচ্ছেন। যোগাযোগ রক্ষা করে চলছেন দলের নেতাকর্মীদের সাথে। তদবীর চালাচ্ছেন উপরের মহলে।
আগামী ২৯ মার্চ নির্বাচনের দিন তারিখ ঠিক হয়েছে। ইতিমধ্যে এলাকাবাসীর মাঝে শুরু হয়েছে র্নিবাচনি গুঞ্জন। বিষেশ করে কে কে প্রার্থী হবেন,শেষ র্পযন্ত কে কে নির্বাচন করবেন। কে কে জয়লাভ করবে মূলত এসব বিষয় নিয়ে চলছে আলোচনা সমালোচনা জল্পনা কল্পনা। মেয়র পদে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তারা হলেন,ফটিকছড়ি আওয়ামীলীরে সভাপতি মুজিবুল হক চৌধুরী, আওয়ামীলীগ নেতা ও কলামিষ্ট একে জাহেদ চৌধুরী,বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও জারীয়া কমিউনিটি সেন্টারের স্বত্বাধিকারী আলী আজম ছাদেক,বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব দিদারুল আলম সওদাগর, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও ঠিকাদার আনোয়ার পাশা মেম্বার, আওয়ামী লীগ নেতা ও ঠিকাদার মোরশেদ আমিন, আওয়ামী লীগ নেতা জাবেদ জাহাঙ্গীর টুটুল, বি এন পির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের যাদের নাম শোনা যাচ্ছে দৌলতপুর ইউপি’র সাবেক চেয়ারম্যান এম.ছালামত উল্লাহ্ চৌধুরী, সাবেক দৌলতপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা এসএম সিরাজউদ্দৌলা, মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন। অন্যান্যদের মধ্যে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক আলহাজ্ব মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন আজম,এডভোকে মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন চেধৈুরীসহ আরো অনেকের নাম শোনা যাচ্ছে। কাউন্সিলর পদে বর্তমান দুই ইউপির সদস্যগনদের পাশাপাশি অনেকের নাম শোনা যাচ্ছে।
এলাকাবাসী মনে করেন নির্বাচনের দিন ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে মেয়র ও কাউন্সিলর পদে আরো অনেকের নাম উঠে আসবে। এলাকাবাসী আরো বলেন বিশেষ পয়দা হাসিল বা নাম প্রচারের জন্য অনেকেই নির্বাচন করবে বলছেন শেষে দেখা যাবে তারা নির্বাচন করছেননা। এদিকে নির্বাচকে পুজিঁ করে অনেক টাউটরাও সক্রিয হয়ে উঠছে বলে এলাকাবাসী অভিযোগ করেন। তাই দেখার বিষয় শেষ পর্যন্ত কারা নির্বাচন করবেন।
উলে¬খ্য ১ মার্চ মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ, ৪ মার্চ মনোনয়ন পত্র বাছাই, ১২ মার্চ প্রর্থীতা প্রত্যাহার, ১৩ মার্চ প্রতীক বরাদ্দ এবং ভোট গ্রহন ২৯ মার্চ।
এলাকাবাসীর স্বস্তি-প্রস্তাবিত নাজিরহাট পৌরসভা মামলা জটিলতায় দীর্ঘদিন নির্বাচন বঞ্চিত ছিল দৌলতপুর ও সুয়াবিল ইউনিয়নবাসি। ফলে উন্নায়ন ও নির্বাচন বঞ্চিত এলাকাবাসীর মনে সৃষ্টি হয়েছিল ক্ষোভ। পৌরসভা কিংবা ইউপি যে কোন নির্বাচনের আশায় দিন গুনছিল এলাকাবাসী এছাড়া সম্ভাব্য প্রার্থীরা ও নির্বাচনে অংশ নিতে ছিল প্রস্তুত। অবশেষে নাজিরহাট পৌরসভা ঘোষনার মধ্যে দিয়ে এলাকাবাসীর মাঝে উৎসাহ উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। তারপরও বিভিন্ন কারনে নির্বাচনী তফশীল ঘোষনা না হওয়া এলাকাবাসীর আবরো ক্ষোভ বাড়তে থাকে। সর্বশেষ নির্বাচনী তফশীল ঘোষনার মাধ্যমে এলাকাবাসীর খুশির আমেজ সৃষ্টি হয়েছে। তারা চাই নির্বাচনের মাধ্যেমে তাদের কাক্সিক্ষত প্রতিনিধিরা পৌরসভা পরিচালনা করুক।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ