ঢাকা, বৃহস্পতিবার 1 March 2018, ১৭ ফাল্গুন ১৪২৪, ১২ জমদিউস সানি ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

ব্যবসা ব্যয় বৃদ্ধির ফলে বিনিয়োগে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি থেকে উত্তোরণে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

চট্টগ্রাম অফিস : চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি এর সভাপতি খলিলুর রহমান বলেছেন, সরকারের যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহনের ফলে বিগত বছরে বিনিয়োগ তথা ব্যবসা বাণিজ্য বান্ধব পরিবেশ, সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে অগ্রগতি ও স্থিতিশীল অবস্থা বিরাজমান রাখাতে সহায়ক ছিল। ব্যাংক ঋণের সুদের হার একক সংখ্যায় থাকার ফলে ব্যবসায়ী মহল জাতীয় অগ্রগতিতে অবদান রাখতে সক্রিয় হতে পেরেছিল। মঙ্গলবার গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।
উদ্বেগ প্রকাশ করে খলিলুর রহমান বলেন, নতুন বছরের শুরুতে ঘোষিত মুদ্রানীতির প্রভাবে, বিশেষ করে আমানতের মাত্রার বিপরীতে ঋণদানের বিষয়ে কঠিনতর শর্ত, আমদানী এল.সি, নগদ অর্থের সংকট ইত্যাদি প্রতিবন্ধকতা মোকাবেলা করে অর্জিত প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা সম্ভব নাও হতে পরে। ইতিমধ্যে ব্যাংক ঋন প্রবাহ সংকোচন, ৩-৪ শতাংশ হারে ব্যাংক ঋণের সুদ বৃদ্ধি, ১৫% চট্টগ্রাম বন্দর সেবা খাতে ভ্যাট আরোপের ফলে ব্যবসা ব্যয় আরও এক দফা বৃদ্ধি পাবে। ব্যাংক ঋনের উচ্চ সুদ হার এবং কর্পোরেট ট্যাক্স ইত্যাদির ফলে এতদঞ্চলে আমাদের ব্যবসা ব্যয় সর্বোচ্চ বলা হয়েছে।
তিনি বলেন, বিরাজমান অবস্থায় অতীতের ১৭-১৮% ব্যাংক ঋণের সুদের কথা মনে করে ব্যবসায়ী মহল এখনই উদ্বিগ্ন। ইতিমধ্যেই অনেক ব্যাংক ঋণ দানের সক্ষমতা হারানোর ফলে ঋণের সুদ হার বৃদ্ধি, বেশি সুদে আমানত সংগ্রহ করতে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত, যার নেতিবাচক প্রভাবে বিনিয়োগ ও ব্যবসা বান্ধব পরিবেশ বিনষ্ঠ এবং আর্থিক সক্ষমতা ধীরগতি হওয়া কাম্য নয়। আমানত ও ঋণের সুদের ব্যবধান কমাতে কেন্দ্রিয় ব্যাংকের হস্তক্ষেপ সময়ের দাবী।
তিনি আরো বলেন, এ অবস্থা থেকে উত্তোরনের জন্য বিনিয়োগ তথা ব্যবসা বাণিজ্য সহায়ক পদক্ষেপ গ্রহন করা জরুরী। রপ্তানি খাত, বিশেষ করে পোষাক শিল্পে বিদেশী ক্রেতার চাহিদা পূরন করতে গিয়ে বড় ধরনের দায়ভার বহন করতে হচ্ছে। চলমান ব্যবসা বাণিজ্য, বিনিয়োগ, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উৎপাদন ও রপ্তানি অব্যাহত রেখে অর্জিত প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে ইতিবাচক নীতি সহায়তা কাম্য।
এমতাবস্থায় বিগত দিনের মতো সংকট উত্তোরনে সিএমসিসিআই প্রেসিডেন্ট প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ