ঢাকা, শুক্রবার 2 March 2018, ১৮ ফাল্গুন ১৪২৪, ১৩ জমদিউস সানি ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

রাজধানীতে সড়ক দুর্ঘটনায় ইন্টার্ন চিকিৎসকসহ নিহত ২

 

স্টাফ রিপোর্টার : রাজধানী ঢাকায় পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় এক ইন্টার্ন চিকিৎসকসহ দু’জন নিহত হয়েছেন। বুধবার রাতে পল্লবীর কালশি ও নতুন বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- বাংলাদেশ মেডিকেল হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক নাজমুল হোসেন রুদ্র (৩০) ও চা বিক্রেতা রুমন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন নিহত রুদ্রের বন্ধু আমিনুল ইসলাম।

বুধবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নাজমুল মারা যান। রাত ১টার দিকে ওই সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই বাচ্চু মিয়া বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য নিহতের লাশ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

নিহত নাজমুলের বন্ধু মো. মিজান জানান, বুধবার রাতে মোটরসাইকেলে করে মিরপুরে যাচ্ছিলেন নাজমুল ও আমিনুল। এ সময় কালশিতে বেপরোয়া গতিতে একটি ট্রাক এসে তাদের ধাক্কা দেয়। এতে নাজমুল ও আমিনুল গুরুতর আহত হয়। পরে তাদের উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৩টার দিকে নাজমুলের মৃত্যু হয়। নাজমুল বাংলাদেশ মেডিকেল হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক ছিলেন।

রুদ্র পল্লবীর শহীদ জিয়া মেডিক্যাল মহিলা ডিগ্রি কলেজের পাশে থাকতেন। তার বাবা ডা. নাজির হোসেন একজন হোমিও চিকিৎসক।

অন্যদিকে, বুধবার রাতে নতুন বাজার এলাকায় ঢালাইয়ের কাজে ব্যবহৃত সিমেন্ট মিক্স করার গাড়ির ধাক্কায় রুমন নামে এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোর সাড়ে ৪টার দিকে রুমনের মৃত্যু হয় বলে জানান হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের এসআই বাচ্চু মিয়া। তিনি বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য নিহতের লাশ ঢামেক হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। নিহত রুমন পেশায় চা বিক্রেতা ছিলেন। তিনি নতুন বাজার এলাকাতেই থাকতেন এবং চা বিক্রি করতেন।

 কেন্দ্রীয় কারাগারের কয়েদির মৃত্যু : কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারের এক কয়েদি মারা গেছে। মঙ্গলবার রাতে স্যার সলিমুরøাহ মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে (মিটফোর্ড হাসপাতাল)  তিনি মারা যান। কোতোয়ালী থানার পুলিশ কনস্টেবল মো. হযরত আলী মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। তার নাম মো. মাইন উদ্দিন (৩২) ।  বাবার নাম মোস্তফা হোসেন। বাড়ি লক্ষীপুর জেলার রামগতি থানার আলেকজান্ডার গ্রামে। 

হযরত আলী বলেন,  ‘বুধবার দুপুর ২টায় মিটফোর্ড হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের লেকচারার ডা. বিপ্লব পাল নিহতের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করেছেন। কিন্তু, নিহতের লাশ নেওয়ার জন্য হাসপাতালের মর্গে কোনও স্বজন আসেননি।’

হযরত আলী আরও বলেন,  ‘নিহত মাইন উদ্দিন রামগতি থানায় তার স্ত্রীর দায়ের করা নারী নির্যাতনের একটি  মামলায় লক্ষীপুর কারাগারে বন্দি ছিলেন। ১৩ ফেব্রুয়ারি মাইন উদ্দিনকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠিয়েছে লক্ষ্মীপুর কারা কর্তৃপক্ষ।  কয়েক দিন আগে তিনি অসুস্থ হলে তাকে মিটফোর্ড হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। মঙ্গলবার রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তার লাশ বাড়িতে পাঠানোর জন্য নিহতের স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে।’

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ