ঢাকা, বৃহস্পতিবার 8 March 2018, ২৪ ফাল্গুন ১৪২৪, ১৯ জমদিউস সানি ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনায় কি কি করণীয় বঙ্গবন্ধু তা বলে দিয়েছিলেন ৭ মার্চের ভাষণে -শেখ হাসিনা

গতকাল বুধবার ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় ভাষণ দেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

মিয়া হোসেন : আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যারা এতিমের টাকা চুরি করে, দেশের টাকা বিদেশে পাচার করে, মানুষকে পুড়িয়ে মারে, তারা যেন আর ক্ষমতায় আসতে না পারে সেজন্য দেশবাসীকে সজাগ এবং ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
গতকাল বুধবার বিকালে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। দেশবাসীর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, মাদক সম্পর্কে সবাই সজাগ থাকবেন। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে দেশের উন্নয়ন হয়। পূর্বে যারা ক্ষমতায় ছিল তাদের সময়তো দেশ এতো উন্নতি করতে পারেনি। তারা দেশের উন্নয়নে বিশ্বাস করতো না। যারা দেশের স্বাধীনতাই চায়নি তারা দেশের উন্নয়ন চাইবে কেন?
জনসভায় সভার কার্যক্রম শুরু করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। পরে কেন্দ্রীয় ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা বক্তব্য রাখেন। জনসভা ঘিরে সকাল থেকেই রাজধানী ও আশপাশের জেলা থেকে নেতাকর্মীরা আসতে থাকেন। দুপুরের পর সোহরাওয়ার্দী উদ্যান কানায় কানায় ভরে যায়। সমাবেশ নির্বাচনী সমাবেশে পরিণত হয়। সমাবেশে আগতরা নৌকার প্রতীক ও ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে উপস্থিত ছিল। নেতাকর্মীদের স্রোত সমাবেশস্থল পেরিয়ে ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের রাস্তায়। সমাবেশ ঘিরে সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে তীব্র যানজট দেখা দেয়।
বিকাল চারটা ৪০ মিনিটে বক্তব্য শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। ৪০ মিনিটের ভাষণে তিনি বাংলাদেশের স্বাধিকার থেকে স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিবৃত্ত, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট থেকে শুরু করে জেলহত্যার ঘটনা, পরের বাংলাদেশের রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ তুলে ধরেন। শেখ হাসিনার ভাষণের বড় অংশজুড়ে ছিল উন্নয়নের পথে এগিয়ে আসার আহ্বান।
শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা সারাটা জীবন সংগ্রাম করেছেন এদেশের শোষিত বঞ্চিত মানুষের জন্য। এদেশে একবেলা খাবার পেতো না এমন কোটি মানুষ ছিল। পরনে ছিল ছিন্ন কাপড়। রোগে ধুঁকে ধুঁকে মারা যেতো। মানুষ ছিল শোষিত বঞ্চিত। তাদের সামাজিক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক মুক্তির জন্য ছিল জাতির পিতার সংগ্রাম। শোষণ বঞ্চনার প্রতিবাদ করতে গিয়ে তিনি বারবার কারাগারে গেছেন। ৭ই মার্চসহ স্বাধীনতার ইতিহাস মুছে দেয়ার চেষ্টা হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৭ই মার্চ, ১৭ই মার্চ এমনকি ১৫ই আগস্টের কর্মসূচি পালন করা যেতো না। এই কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে আমাদের অসংখ্য নেতাকর্মী নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। কিন্তু ইতিহাসকে কেউ নিশ্চিহ্ন করতে পারে না। আজকে এটা প্রমাণ হয়েছে। ৭ই মার্চের ভাষণ আন্তর্জাতিক প্রামাণ্য দলিলের স্বীকৃতি পেয়েছে। আড়াই হাজার বছরে যতো ভাষণ পৃথিবীতে হয়েছে বৃটিশ সাংবাদিক ও লেখক তা নিয়ে গবেষণা করে ৪১টি ভাষণ বেছে নিয়েছিলেন। এর মধ্যে ৭ই মার্চের ভাষণ স্থান পেয়েছিল। জাতির পিতার এই ভাষণের মাধ্যমে পাকিস্তানীদের অত্যাচার নির্যাতন নিপীড়নের ইতিহাস উঠে এসেছে। অপরদিকে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনায় কি কি করণীয় তাও তিনি বলে দিয়েছিলেন এই ভাষণে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৫ই আগস্টে আমরা আপনজন হারিয়েছিলাম। বিচার চাইবার কোন অধিকার ছিল না। মামলা করতে গিয়েছিলাম, মামলা নেবে না। কোন সভ্য দেশে কখনও এমন আইন হতে পারে। এটা কখনও হতে পারে। বাংলাদেশে সেই ঘটনা ঘটেছিল। আমরা সংগ্রাম করেছি বাংলাদেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার জন্য। এই অবিচার দূর করার জন্য। সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আমরা ২১ বছর পর সরকার গঠন করতে পেরেছিলাম। এই সংগ্রামে অনেকে মৃত্যুবরণ করেছে, আহত হয়েছে। নির্যাতনের শিকার হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে সরকারের উন্নয়নের তথ্য তুলে ধরে নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, আপনাদের প্রতি আহ্বান- গ্রামেগঞ্জে উন্নয়নের চিত্র জনগণের কাছে তুলে ধরবেন। প্রধানমন্ত্রী উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আওয়ামী লীগকে সমর্থন দেয়ার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।
শেখ হাসিনা বলেন, এই বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস ও মাদক যেন যুবসমাজকে নষ্ট করতে না পারে। আজকে আপনারা বিবেচনা করে দেখেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে দেশের উন্নয়ন হয়। অন্যরা স্বাধীনতায় বিশ্বাসই করত না, তাই দেশের উন্নতি হয়নি, নিজেদের উন্নতি করেছে। দেশের মানুষের উন্নতি হয়নি। আজকে সারা দেশের মানুষ স্বাধীনতার সুফল ভোগ করছে।
আওয়ামী লীগের সভানেত্রী বলেন, আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। আগামী মাসেই বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হবে। বাংলাদেশ যেন কারও কাছে ভিক্ষা করে না চলে, তার ব্যবস্থা করছি। বাংলাদেশ উন্নয়নের পথে এগিয়ে চলেছে।
তিনি বলেন, ‘১৯৮১ সালে জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর সময় নাকি তিনি পরিবারের জন্য কিছুই রেখে যেতে পারেননি। কিন্তু খালেদা জিয়া ক্ষমতায় আসার পর লুটপাট-দুর্নীতির মাধ্যমে তারা রাতারাতি সম্পদের পাহাড় গড়ে তুললো, দেশের টাকা বিদেশে পাচার করলো। আমেরিকার ফেডারেল কোর্ট, সিঙ্গাপুরের কোর্টে সেই অর্থ পাচারের ঘটনা ধরা পড়লো। সেই টাকা বাজেয়াপ্ত করা হলো, আমরা দেশে ফেরত আনলাম।’
শেখ হাসিনা আহ্বান জানান, যুদ্ধাপরাধী ও খুনিরা যেন আর কখনো বাংলাদেশে ক্ষমতায় আসতে না পারে। তিনি বলেন, ‘যারা এতিমের টাকা চুরি করে, যারা আগুন দিয়ে মানুষ পোড়ায়, যারা দেশের টাকা বিদেশে পাচার করে, তারা যেন দেশকে আর ধ্বংসের দিকে নিয়ে যেতে না পারে। এ জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
তিনি বলেন, আপনারাই বিবেচনা করেন কাকে ভোট দেবেন। যারা এতিমের টাকা চুরি করে, আগুন দিয়ে মানুষ পোড়ায়, দেশের টাকা পাচার করে, যারা স্বাধীনতা বিরোধী যুদ্ধাপরাধীদের পুনর্বাসন করে তাদের ভোট দেবেন নাকি যারা উন্নয়ন করে তাদের।
বিএনপি জোট আমলে দেশ নরকে পরিণত হয়েছিল অভিযোগ করে শেখ হাসিনা বলেন, ওই সময় আমাদের হাজার হাজার নেতাকর্মীকেই শুধু হত্যা করেনি, গর্ভবতী নারী এমনকি সন্তান প্রসবের দু’দিন পরেও নারীদের ধর্ষণ করা হয়েছে। যুদ্ধাপরাধীদের পুনর্বাসন করা হয়েছে, তাদের গাড়িতে পতাকা তুলে দেওয়া হয়েছে। ২০১৪ সালের নির্বাচন বানচাল করার জন্য তারা ৩ হাজার ৩৫ জন মানুষকে পুড়িয়ে দিয়েছে। ৫০০ মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করেছে। সাড়ে তিন হাজার যানবাহন পুড়িয়ে দেশব্যাপী এক ভীতিকর অবস্থার সৃষ্টি করেছে।
এর বিপরীতে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেই জনগণের উন্নয়নের জন্য কাজ করছে দাবি করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা ক্ষমতায় এসেই জনগণের উন্নয়নের জন্য কাজ শুরু করি। কারণ আমাদের রাজনীতির মূলমন্ত্রই হচ্ছে জনগণের কল্যাণ। ৪ কোটি ৩৫ লাখ শিক্ষার্থীর ৩৫ কোটিরও বেশি বই বিনামূল্যে বিতরণ করা হচ্ছে, বিভিন্ন স্তরে শিক্ষাবৃত্তি দেওয়া হচ্ছে। ১ কোটি ৩০ লাখ স্কুল শিক্ষার্থীর নামে তার মায়ের মোবাইল ফোনে টাকা পাঠানো হচ্ছে। প্রায় ৩০ লাখ মায়ের মোবাইল ছিল না। আমরা তাদের মোবাইল ফোন কিনে দিয়েছি। প্রায় প্রতিটি জেলায়ই সরকারি/বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে।
তথ্য-প্রযুক্তি খাতের উন্নতির চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন: ইন্টারনেট গ্রাহক এখন ৮ কোটি, ১৩ কোটি মোবাইল সিম ব্যবহার করা হচ্ছে, ৪জি চালু হয়েছে। মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম এবং কম্পিউটার ল্যাব সমৃদ্ধ আধুনিক ক্লাসরুম করে দেওয়া হচ্ছে। ট্রেনিং দেওয়া হচ্ছে আউটসোর্সিংয়ে। শিক্ষাগ্রহণ করো, উপার্জন করো এই নীতিতে যুবকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। সাড়ে ৫ হাজার পোস্ট অফিসকে ডিজিটাল করা হচ্ছে। তথ্য বাতায়ন করে দিয়েছি। এছাড়া আগামী মাসেই বঙ্গবন্ধু স্যালেলাইট উৎক্ষেপণ করা হবে।
খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে সাফল্যে তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন: মাছ উৎপাদনে আমরা বিশ্বে ৪র্থ, সবজিতে ৩য়, চাল উৎপাদনে ৪র্থ। এভাবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমরা আরও উন্নয়নের চেষ্টা করছি যাতে বাংলাদেশ কারও কাছে ভিক্ষা করে না চলে। ২৬ হাজার কিমি রাস্তা করে দেওয়া হয়েছে। ৪৯ টি নতুন সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। প্রবৃদ্ধি অর্জনে আমরা বিশ্বের সেরা পাঁচ দেশের একটি যা অব্যশই আমাদের জন্য গর্বের। আপনারা গ্রামে গ্রামে সরকারের উন্নয়ন এবং ভবিষ্যত উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরুন। যাতে জনগণ বুঝতে পারে।
১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার  কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে দেশে ব্যাপক উন্নয়ন করার পরও কেবল দেশের গ্যাস বিক্রি করতে না চাওয়ায় ২০০১ সালে ক্ষমতায় আসতে পারিনি।
জনসভায় শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার ২১ বছর পর আমরা সরকার গঠন করতে সক্ষম হয়েছি। আমাদের লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটাবো, দেশকে উন্নত করবো। দেশকে ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত করা ছিল আমাদের লক্ষ্য। আমরা বাংলাদেশকে মর্যাদার আসনে আসীন করবো। আমাদের সরকারের সময় ছিল বাংলাদেশের জন্য স্বর্ণযুগ। বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছিল। আমরা দেশের প্রতিটি খাতকে উন্নত করতে কাজ করেছি। জাতির পিতা সোনার বাংলাদেশ গড়তে যে কাজ শুরু করেছিলেন, সেই কাজ আমরা শেষ করতে কাজ করছিলাম।
দেশের এত উন্নয়ন করার পরও পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনে ক্ষমতায় আসতে না পারার কারণ তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘দেশের জন্য এতকিছু করার পরও আমরা ২০০১ সালে সরকারে আসতে পারলাম না। তখন দেশের গ্যাস উত্তোলন করার প্রক্রিয়া চলছিল। আমেরিকান কোম্পানি সেই গ্যাস তুলে ভারতের কাছে বিক্রি করবে। কিন্তু আমরা বললাম, গ্যাসের মালিক জনগণ। আমাদের জনগণের জন্য ৫০ বছরের রিজার্ভ নিশ্চিত করতে হবে, তারপর গ্যাস বিক্রির সিদ্ধান্ত হবে। দেশের জনগণের এই স্বার্থ দেখেছিলাম বলে আমাদের বিরুদ্ধে গভীর চক্রান্ত হলো, ষড়যন্ত্র হলো। আওয়ামী লীগ ভোট বেশি পেয়েছিল। কিন্তু আমরা ক্ষমতায় আসতে পারলাম না। দেশের মানুষের স্বার্থ দেখার কারণে আমাদের ক্ষমতায় আসতে দেওয়া হলো না।
সূচনা বক্তব্যে ওবায়দুল কাদের বলেন, আগামী ডিসেম্বরের নির্বাচনকে সামনে রেখে আমাদের শপথ নিতে হবে। মৌলবাদী শক্তিকে পরাজিত করে বিজয় ছিনিয়ে আনতে হবে। যারা ৭ মার্চ পালন করে না, তারা স্বাধীনতায় বিশ্বাসী নয়। তিনি ঘোষণা দেন, আগামীতে সব কর্মসূচি ছুটির দিনে পালন করা হবে।
জনসভা পরিচালনা করেন দলের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল। দুপুর আড়াইটায় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, গীতা, বাইবেল ও ত্রিপিটক থেকে পাঠের মাধ্যমে জনসভা শুরু হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে ওবায়দুল কাদের সূচনা বক্তব্য রাখেন।
জনসভায় বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদের উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, আওয়ামী লীগ উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, স্বাস্থ্যমস্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন, লে কর্নেল অব ফারুক খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম, কবি নির্মলেন্দু গুণ, ঢাকা সিটি কর্পোরেশন দক্ষিণের মেয়র সাঈদ খোকন, মহানগর আওয়ামী লীগ উত্তরের সভাপতি এ কে এম রহমতুল্লাহ, মহানগর আওয়ামী লীগ দক্ষিণের সভাপতি হাজী আবুল হাসনাত, যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক হারুর অর রশিদ, আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সদস্য সচিব ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, মহিলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সাফিয়া খাতুন , শ্রমিক লীগ সভাপতি শুক্কুর মাহমুদ, কৃষক লীগ সভাপতি, মোতাহার হোসেন মোল্লা, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোল্লা আবু কাওসার, মহিলা লীগের সভাপতি নাজমা আক্তার, ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ