ঢাকা, বৃহস্পতিবার 15 March 2018, ১ চৈত্র ১৪২৪, ২৬ জমদিউস সানি ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

দাবি মেনে নেয়ার আশ্বাসে আন্দোলন স্থগিত ঘোষণা পৌর কর্মচারীদের

স্টাফ রিপোর্টার : দাবি পূরণে সরকারের আশ্বাসে আন্দোলন স্থগিত করেছেন পৌর সার্ভিস কর্মীরা। গতকাল বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি হিসেবে গোপালগঞ্জের পৌর মেয়র লিয়াকত হোসেন দাবি পূরণের ঘোষণা দেন। এরপর তারা আন্দোলন স্থগিত করে বাড়ি ফিরতে শুরু করেন।
 মেয়র লিয়াকত হোসেন বলেন, যৌক্তিক দাবিতে গত কয়েকদিন ধরে রাস্তায় বসে আন্দোলন করছেন। দাবির বিষয়টি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও সচিব আমলে নিয়েছেন। রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে বেতন ও পেনশন দেয়ার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকও হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তাতে সম্মতি দিয়েছেন।
তিনি বলেন, অনেক পৌর কর্মী নিয়মিত বেতন পাচ্ছেন না। অনেকের বেতন বকেয়া রয়েছে। এখন থেকে আর এ সমস্যা থাকবে না। আগামী দুই মাসের মধ্যে দাবি বাস্তবায়ন করে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে বেতন দেয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, আপনারা ঘরে যান। মন দিয়ে কাজ করেন। আমাকে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে পাঠানো হয়েছে। সরকার আপনাদের দাবি মেনে নিয়েছে, সেই ঘোষণা দিতেই আমি এসেছি। আগামী দুই মাসের মধ্যে আপনাদের জাতীয়করণ করা হবে।
বাংলাদেশ পৌর সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আব্দুল আলিম মোল্লা বলেন, দাবি আদায়ে টানা পাঁচদিন ধরে আন্দোলন করছি। অবশেষে সরকার দাবি মেনে নিয়েছে। আমরা শেখ হাসিনার কাছে কৃতজ্ঞ। আন্দোলনের কারণে গত পাঁচদিন যে ক্ষতি হয়েছে তা পরবর্তী চার সপ্তাহের শনিবার আমরা সবাই বাড়তি কাজ করে পুষিয়ে দেব।
আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, দেশের ৩২৭টি পৌরসভার মধ্যে ২২৬টির বেতন-ভাতা অনিয়মিত। নানা কারণে পৌরসভাগুলো নাগরিকদের সেবা দিয়ে নিজেদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করতে হিমশিম খায়। এসব পৌরসভায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ২ থেকে ৫৮ মাস পর্যন্ত বেতন-ভাতা বাকেয়া রয়েছে। সব মিলিয়ে পৌরসভাগুলোতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ৫১৬ কোটি টাকার বেশি বকেয়া রয়েছে। বছরে সবক’টি পৌরসভার জন্য প্রয়োজন ৬২০ কোটি টাকা। এই  টাকা সরকারি কোষাগার থেকে দেওয়ার দাবি করেন তারা।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ