ঢাকা, বৃহস্পতিবার 15 March 2018, ১ চৈত্র ১৪২৪, ২৬ জমদিউস সানি ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

চরিত্র মাধুর্য দিয়ে ছাত্রদের কাছে কুরআনের বাণী পৌঁছে দিতে হবে -ছাত্রশিবির

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল মোবারক হোসাইন বলেছেন, যে কোন ত্যাগ স্বীকার করে হলেও আল্লাহর এই জমিনে দ্বীন প্রতিষ্ঠায় ইসলামী আন্দোলনের কর্মীরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। এই দ্বীন কায়েমের পূর্বশর্ত মানুষকে আল্লাহর পথে আহ্বান করা। তাই চরিত্র মাধুর্য মাধ্যমে প্রতিটি ছাত্রের কাছে কুরআনের বাণী পৌঁছিয়ে দিতে হবে।
তিনি গতকাল বুধবার রাজশাহীর এক মিলনায়তনে ছাত্রশিবির রাজশাহী অঞ্চল পশ্চিমের সদস্য শিক্ষা শিবিরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। রাজশাহী মহানগর সভাপতি মনিরুল ইসলামের পরিচালনায়-শিক্ষাশিবিরে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক খালেদ মাহমুদ, কলেজ সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম, চাপাইনবাবগঞ্জ শহর সভাপতি আতিক হাসান, জেলা সভাপতি সানিম সাজদান, নওগাঁ জেলা পূর্ব শাখার সভাপতি সবুজ আহমেদ, নওগাঁ জেলা পশ্চিমের সভাপতি নাফিস ইকবাল, রাজশাহী মহানগরী সেক্রেটারী তারিফ ইমতিয়াজসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
শিবির সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, যুব ও তরুণরাই একটি দেশ এবং সমাজের মূল চালিকাশক্তি। এই তরুণ সমাজের এগিয়ে চলার পথ যদি হয় কুরআন তাহলে শুধু দেশ বা সমাজ নয় বরং সারা বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব। কিন্তু বর্তমানে যুব সমাজের বিশাল অংশ মাদক সেবন, অপহরণ, খুন, ধর্ষণ, অশ্লীলতা, নারী নির্যাতনের মতো ভয়ঙ্কর অপরাধের সাথে জড়িত। যে বয়সে যুবকদের হাতে কুরআন থাকার কথা, কুরআনের আলোকে নিজ ও সমাজকে গঠনে এগিয়ে যাওয়ার কথা সেই সময়ে তাদের নৈতিক অবক্ষয়ের মাধ্যেমে দেশ ও সমাজ ক্রমেই অশান্তিপূর্ণ এবং অস্থিতিশীল হয়ে যাচ্ছে। আগামী প্রজন্মকে অশুভ শক্তির হাত থেকে রক্ষা ও কাঙ্খিত নাগরিক গড়ে তুলতে হলে কুরআনের আলোকে জীবন গঠনের কোন বিকল্প নেই। আর সেই লক্ষ্যে পৌঁছাতে ছাত্রশিবিরের সকল নেতা কর্মীদেরকে সকল প্রতিকূলতার মাঝেও দাওয়াতি কাজ অব্যাহত রাখতে হবে।
তিনি বলেন, আল্লাহর দিকে আহ্বানকারীর কথাই সর্বোত্তম কথা। মহান আল্লাহ বলেন, ‘তার কথার চেয়ে উত্তম কথা আর কার হতে পারে, যে মানুষকে আল্লাহর দিকে ডাকে, সৎ কাজ করে এবং বলে আমি আত্মসমর্পণকারীদের একজন’। আল্লাহর প্রিয় পাত্র হতে চাইলে, আমাদেরকেও দ্বীনের দাওয়াত ছড়িয়ে দিতে হবে সবার মাঝে। দাওয়াতি কাজকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। ইসলাম বিদ্ধেষীদের অপপ্রচারের জবাব দাওয়াতী চরিত্রের মাধ্যমে দিতে হবে। রাসুল সা: এর শিখানো পদ্বতিতে প্রতিটি ছাত্রের কাছে ইসলামের আহ্বান পৌঁছিয়ে দিতে হবে। ব্যক্তি সমাজসহ মানুষের সার্বিক জীবনে কুরআন অনুস্বরণের গুরুত্ব তুলে ধরতে হবে। মনে রাখতে হবে, দাওয়াতি কাজ যত তীব্র হবে বিজয় তত নিকটবর্তী হবে ইনশাআল্লাহ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ