ঢাকা, বৃহস্পতিবার 15 March 2018, ১ চৈত্র ১৪২৪, ২৬ জমদিউস সানি ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত জামিনে মুক্ত

চট্টগ্রাম অফিস : চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। গতকাল বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি চট্টগ্রাম কারাগার থেকে মুক্ত হন। তার সঙ্গে আরো ৩ ছাত্রদল নেতা মুক্তি পেয়েছেন। পরে তারা নাসিমন ভবনের বিএনপি দলীয় সমাবেশে যোগ দেন।
মহানগন বিএনপির সহ-দফতর সম্পাদক ইদ্রিস আলী বলেন, ডা. শাহাদাত ভাইসহ ৩ ছাত্রদল নেতা মুক্তি পেয়েছেন। বাকিরা আজ ও আগামীকালের মধ্যে মুক্তি পাবেন। সবার জামিন হয়েছে এক সঙ্গে।
জানা গেছে, বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার রায়কে কেন্দ্র করে গত ৮ ফেব্রুয়ারি কাজীর দেউড়ি নাসিমন ভবনের দলীয় কার্যালয় থেকে পুলিশ শাহাদাতসহ ১৯ জন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে। তার মধ্যে ৭ জন মহিলা দলের নেত্রী রয়েছে। ঘটনার রাতেই নগরীর কোতোয়ালী থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইন ও পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে দুটি মামলা করা হয়। মামলা দুটিতে শাহাদাত হোসেনসহ ৪৯ জনকে আসামী করা হয়। ওই দুই মামলায় তাকে রিমান্ডেও নেয় পুলিশ। একাধিকবার চট্টগ্রামের আদালতে জামিন আবেদন করলেও তা নামঞ্জুর হয়। পরে উচ্চ আদালতের যাওয়া হয়। গত ৭ মার্চ হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ শাহাদাত হোসেনসহ গ্রেফতার ১৯ জনের জামিন মঞ্জুর করে। কিন্তু তার আগেই ফেনীতে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার গাড়ি বহরের পেছনে দুটি বাসে আগুন ও বিস্ফোরণের মামলায় শাহাদতকে  গ্রেফতার দেখানো হয়। বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শামীম বলেন, চট্টগ্রামের দুটি মামলাতে হাই কোর্ট থেকে আগেই জামিন পেয়েছিলেন ডা. শাহাদাত হোসেন। পরে ফেনীর মামলাটির জামিন পায় শাহাদাত হোসেন।
এদিকে সকালে মুক্তি পেয়েই দলীয় কার্যালয়ে আসেন। সেখানে নগর বিএনপির পক্ষ থেকে তাকে তাৎক্ষণিক সংবর্ধনা দেয়া হয়। সেখানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম, নগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ান, সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্করসহ বিএনপি নেতাকর্মীরা তাকে শুভেচ্ছা জানান।
কর্ণফুলী নদীতে থেকে ভাসান জাল বড়শি জব্দ
কর্ণফুলী নদীতে থেকে ১২ হাজার মিটার দীর্ঘ ছয়টি ভাসান জাল ও সাতটি বড়শি জব্দ করেছে বোয়ালখালী উপজেলা মৎস্য দফতর। বুধবার সকালে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আতিকুর রহমান কালুরঘাট সেতু থেকে নাজিরহাট সেতু পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে এসব জাল ও বড়শি জব্দ করেন। তিনি জানান, কালুরঘাট সেতু থেকে নাজিরহাট সেতু পর্যন্ত মৎস্য অভয়াশ্রম ঘোষণা করা হয়েছে। এসব এলাকায় সারাবছর মাছ ধরা নিষিদ্ধ। পাশাপাশি মার্চ থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত কর্ণফুলী নদীতে সকল প্রকার মাছ ধরা নিষিদ্ধ রয়েছে। এ নির্দেশনা উপেক্ষা করে কর্ণফুলী নদীতে মাছ শিকারের অপরাধে মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী অবৈধ ১২ হাজার মিটার দীর্ঘ ছয়টি ভাসান জাল ও ৭টি বড়শি জব্দ করা হয়েছে। পরে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে এসব জাল ও বড়শি পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ