ঢাকা, বৃহস্পতিবার 15 March 2018, ১ চৈত্র ১৪২৪, ২৬ জমদিউস সানি ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধষর্ণের দায়ে আপন চন্দ্রের ফাঁসির দাবি

চট্টগ্রাম অফিস: চট্টগ্রামে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে গ্রেফতার দপ্তরির ফাঁসির দাবিতে সোমবার সড়ক অবরোধ করেছেন বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। এসময় স্কুলছাত্র, অভিভাবকসহ সর্বস্তরের কয়েক হাজার এলাকাবাসী হাটহাজারী-নাজিরহাট সড়ক ও স্কুল প্রাঙ্গণে অবস্থান নেন। এতে উভয় পাশে শত শত গাড়ি আটকা পড়ে।
হাটহাজারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বেলাল উদ্দিন জাহাঙ্গীর জানান, কিছু তরুণ-যুবক স্কুলের সামনে জড়ো হয়েছিল। অবরোধ নেই। তিনি বলেন, নির্যাতনের শিকার শিশুটি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে আপন চন্দ্রকে আমরা গ্রেফতার করেছি। তার বিরুদ্ধে মামলার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
হাটহাজারির ২ নম্বর ধলই ইউনিয়নের ৪, ৫ ও ৬ নম্বর সংরক্ষিত ওয়ার্ডের সদস্য সুলতানা রিজিয়া জানান, কাটিরহাট উচ্চ বিদ্যালয় ও প্রাথমিক বিদ্যালয় পাশাপাশি। তৃতীয় শ্রেণির ওই ছাত্রী ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়া ভাইকে ভুট্টা দিতে যায়। এ সময় তৃতীয় শ্রেণির আরেক ছাত্রীকে সঙ্গে দেন শ্রেণিশিক্ষক। ভাইয়ের কাছে নিয়ে যাবে বলে আপন চন্দ্র মালী (৫০) নামের এক দপ্তরি ওই ছাত্রীকে দোতলায় নিয়ে যান। পরে শিক্ষিকাসহ খুঁজতে যান। দপ্তরিকে ফোন দিয়ে ছাত্রীর কথা জানতে চাইলে বলেন, বাড়িতে চলে গেছে। কিন্তু বাড়িতে যায়নি। খবর পেয়ে বাবা ছুটে আসে। সবাই খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন। একপর্যায়ে সেপটিক ট্যাংকে গোঙানির শব্দ শোনা যায়। সবাই রশি আনতে ছুটে যান। কিন্তু মেয়েটির বাবা রশি ছাড়াই মেয়েকে বাঁচাতে ট্যাংকে নেমে পড়েন। রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নিয়ে যান।
রোববার বিকেলে হাটহাজারী উপজেলার কাটিরহাট আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের সেপটিক ট্যাংক থেকে ৯ বছরের মেয়েকে উদ্ধার করেছে বাবা। কাটিরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ওই ছাত্রীকে উচ্চ বিদ্যালয়ের দপ্তরি পাশবিক নির্যাতনের পর হত্যার জন্য ওই সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ করেছে স্থানীয়রা।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ