ঢাকা, শুক্রবার 16 March 2018, ২ চৈত্র ১৪২৪, ২৭ জমদিউস সানি ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

খালেদা জিয়ার জামিনের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল শুনানি রোববার

 

স্টাফ রিপোর্টার: জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন  বেগম খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিনের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করেছে দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষ। গতকাল বৃহস্পতিবার আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদন দুটি দাখিল করা হয়।

আবেদন দুটি প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে শুনানির জন্য আপিল বিভাগের রোববারের কার্যতালিকায় ৯ ও ১০ নম্বরে রাখা হয়েছে। 

লিভ টু আপিল দাখিলের পর দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান সাংবাদিকদের বলেন, হাইকোর্টের দেওয়া জামিন আদেশের বিরুদ্ধে নিয়মিত লিভ টু আপিল দায়ের করা হয়েছে। আপিল আবেদনে খালেদা জিয়ার জামিন স্থগিতাদেশের মেয়াদ বাড়ানোরও আর্জি জানানো হয়েছে। নিয়মিত আপিলের শুনানি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত জামিন স্থগিত চাওয়া হয়েছে। 

ডেপুটি এটর্নি জেনারেল একরামুল হক বলেন, খালেদা জিয়ার জামিন স্থগিত চেয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরের পর আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় লিভ টু আপিল করা হয়েছে। এতে আইনজীবী সুফিয়া খাতুনকে এডভোকেট অন রেকর্ড করা হয়েছে।

এর আগে ১৪ মার্চ জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন  বেগম খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন ১৮ মার্চ রোববার পর্যন্ত স্থগিত করেন আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে এ সময়ের মধ্যে দুদক ও সরকার পক্ষকে নিয়মিত লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করতে বলা হয়।

জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ ও দুদকের করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন। গত ১২ মার্চ এই মামলায় খালেদা জিয়াকে চার মাসের জামিন দেন হাইকোর্ট। এ আদেশ স্থগিত চেয়ে পৃথক আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ ও দুদক। আবেদনের শুনানি নিয়ে খালেদা জিয়ার জামিন স্থগিত না করে আবেদন দুটি শুনানির জন্য আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন চেম্বার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। পরে আপিল বিভাগ জামিন স্থগিত করেন। তবে আসামী পক্ষের বক্তব্য না শুনেই এই আদেশ দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। গত ৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ড. আক্তারুজ্জামানের আদালত খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদ- দেন। একই আদালত খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ছয় জনের সবাইকে মোট দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা ৮০ পয়সা অর্থদন্ডে দন্ডিত করেন। বিশেষ আদালতের রায়ের পর থেকে কারাবন্দী রয়েছেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ