ঢাকা, শনিবার 17 March 2018, ৩ চৈত্র ১৪২৪, ২৮ জমদিউস সানি ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

বন্ধন এক্সপ্রেসের নতুন বিড়ম্বনা ভারতীয় কাস্টমসে উৎকোচ

খুলনা অফিস : খুলনা-কলকাতা রুটে সাপ্তাহিকভাবে বন্ধন এক্সপ্রেস চলছে। বেশি ভাড়া এবং বিড়ম্বনার অভিযোগ আগে থেকেই রয়েছে। নতুন করে যুক্ত হয়েছে ভারতীয় কাস্টমসে যাত্রী হয়রানি করে উৎকোচ নেয়ার অভিযোগ। এ বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

জানা গেছে, খুলনা-কলকাতা রুটে চলমান রয়েছে বন্ধন এক্সপ্রেস। বন্ধনের সূচনা থেকে এখনও পর্যন্ত পরিপূর্ণ যাত্রী পায়নি এই এক্সপ্রেস। ভাড়া বৃদ্ধি, কাস্টমসে বিড়ম্বনা, বিলম্ব এসব অভিযোগ যাত্রীদের রয়েছে আগে থেকেই। তবে নতুন করে যুক্ত হয়েছে ভারতীয় কাস্টমসে যাত্রী হয়রানির নামে উৎকোচ গ্রহণের অভিযোগ। তবে এই বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নয় এক্সপ্রেসের সাথে সংশ্লিষ্টরা। এদিকে বৃস্পতিবার কলকাতা থেকে ১১০ জন যাত্রী নিয়ে নির্ধারিত সময়ের ৫ মিনিট পরে খুলনা রেল স্টেশনে পৌঁছে। অপরদিকে খুলনা থেকে কলকাতার উদ্দেশে যথাসময়ে ১৮৭ জন যাত্রী নিয়ে স্টেশন ত্যাগ করে এক্সপ্রেসটি।

খুলনা রায়েরমহল মুন্সিবাড়ি থেকে কলকাতায় গত সপ্তাহে বেড়াতে যায় একজন বেসরকারি কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম ও তার স্ত্রী মাহমুদা ইসলাম। বৃহস্পতিবার বন্ধন এক্সপ্রেসে চেপে খুলনায় পৌঁছে। তারা বলেন, সার্ভিস ভালো। বাংলাদেশে কোন সমস্যা হয় না। তবে ভারতীয় কাস্টমসে যাতে হয়রানি না করে সেজন্য কিছু উৎকোচ দিতে হয়।

কলকাতা থেকে বন্ধনে আসা দৌলতপুর এলাকার এক কোম্পানিতে কর্মরত রমেশ চন্দ্র বলেন, তিনি এর আগেও বন্ধনে খুলনা-কলকাতা যাতায়াত করেছেন। তবে ভাড়া বেশি হলেও সরাসরি সার্ভিসের কারণে তিনি এই এক্সপ্রেসে যাতায়াত করেন।

বন্ধনে চেপে খুলনায় আসা অপর এক যাত্রী টুটপাড়াস্থ ইলিয়াস হোসেন বলেন, কলকাতায় ডাক্তার দেখাতে গিয়েছিলাম। তবে সার্ভিস ভালো কিন্তু কাস্টমসে কিছু হয়রানিতে পড়তে হয়।

খুলনা থেকে কলকাতায় রোগী দেখাতে যাওয়া সুধীর পাল বলেন, তারা এবার প্রথমবার যাচ্ছেন। এই সার্ভিসটি সরাসরি হওয়ায় তারা এই ট্রেনে যাচ্ছেন।

খুলনা থেকে বন্ধনে যাওয়া মিয়াপাড়াস্থ হায়দার আলী বলেন, তিনি এই প্রথম বন্ধনে কলকাতা যাচ্ছেন। এর পরে সেবা ও কাস্টমসের পরিস্থিতি দেখে পরবর্তীতে যাতায়াত করবেন কিনা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।

বন্ধন এক্সপ্রেসের দায়িত্বে থাকা বাংলাদেশ রেলওয়ের পরিচালক মো. ইলিয়াস হোসেন বলেন, ভারতীয় কাস্টমসের ব্যাপারে তিনি কিছু বলতে পারেন না।

খুলনা রেল স্টেশনের মাস্টার মানিকচন্দ্র সরকার বলেন, বন্ধন ৫ মিনিট দেরিতে স্টেশনে প্রবেশ করেছে। আর ভারতীয় কাস্টমসের ব্যাপারে কোন অভিযোগ সম্পর্কে তিনি অবগত নন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ