ঢাকা, শনিবার 17 March 2018, ৩ চৈত্র ১৪২৪, ২৮ জমদিউস সানি ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার মাধ্যমে চিংড়ির উৎপাদন বৃদ্ধি সম্ভব

খুলনা অফিস : বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের চিংড়ি চাষের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার মাধ্যমে নিরাপদ চিংড়ি উৎপাদন বৃদ্ধি করা সম্ভব। গত রোববার খুলনায় অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশে চিংড়ি চাষ: সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক  এক কর্মশালায় এ কথা উঠে এসেছে।
উপকূলীয় অঞ্চলের চিংড়ি চাষের দুর্বল অবকাঠামো, সময়মতো পানির অভাব, মানসম্পন্ন রোগমুক্ত পোনার অভাব, খাদ্যসহ উপকরণের মূল্যবৃদ্ধি, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিভিন্ন রোগের প্রাদুর্ভাব, সনাতন পদ্ধতির চাষাবাদ ইত্যাদির কারণে চিংড়ির কাঙ্খিত উৎপাদন লাভ করা যাচ্ছে না। কর্মশালায় মুক্ত আলোচনা পর্বে আলোচকরা এ কথা বলেন। তাদের অভিমত বিদ্যমান সমস্যার সমাধানে আশু পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন। তাছাড়া চিংড়ি সেক্টরের উন্নয়নের জন্য জরুরী ভিত্তিতে একটি উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করার ওপর তারা গুরুত্বারোপ করেন। জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্মদ মন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ এমপি। তিনি বলেন, আমাদের প্রাকৃতিকসম্পদ বিশেষ করে চিংড়ি অপার সম্ভাবনাময়। এ সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হলে চিংড়ির উৎপাদন ও রপ্তানী বহুগুণ বাড়ানো সম্ভব হবে। তিনি উল্লেখ করেন, গুণগত মানসম্পন্ন সুস্থ পোনা, চাষী পর্যায়ে সুলভ ও ন্যায্যমূল্যে মৎস্য খাদ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত এবং ঋনের সহজলভ্যতার লক্ষ্যে সরকার বহুমুখি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সেমিনারে বক্তৃতা করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রইছউল  আলম মন্ডল, বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান দিলদার আহমদ, বাংলাদেশ মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সৈয়দ আরিফ আজাদ ও বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ। সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মো: আমিন উল আহসান। কর্মশালায় খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, যশোর, ও নড়াইল জেলার মৎস্য কর্মকর্তাবৃন্দ, সিনিয়র জেলা/উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা, সিনিয়র সহকারী পরিচালক, সহকারী পরিচালক, চিংড়ি সেক্টরের উন্নয়নের সাথে জড়িত বেসরকারী প্রতিষ্ঠান সলিডারিড্যাড এশিয়া নেটওয়ার্ক, বাংলাদেশ শ্রিম্প এ্যান্ড ফিস ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুড এক্সপোর্টারস এ্যাসোসিয়েশন, ফার্মারস এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ, উত্তরণ, ব্রাক, বাংলাদেশ চিংড়ি চাষী সমিতি, বাংলাদেশ সেমি ইনটেনসিভ চিংড়ি চাষি সমিতি, হ্যাচারী মালিক সমিতি, মৎস্য খাদ্য উৎপাদনকারী ও বিক্রয়কারী, ডিপো আড়ত ব্যবসায়ী, চিংড়ি চাষী ও কাঁকড়া চষিগণ অংশগ্রহণ করেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ