ঢাকা, রোববার 18 March 2018, ৪ চৈত্র ১৪২৪, ২৯ জমদিউস সানি ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

বাঁশখালীতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গা দখল করে মাছের ঘের ও মাটি বিক্রি

মোঃ আবদুল জব্বার, বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) : বাঁশখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের সরকারি জায়গা দখল করে মাটি বিক্রি ও মাছের ঘের তৈরি করছে স্থানীয় প্রভাবশালীরা। পাশের শ্মশানের জায়াগাও দখলে নিয়েছে প্রভাবশালী চক্রটি। উপকূলীয় বন বিভাগের সৃজিণ বাগানও ধংস করে ফেলা হয়েছে। এ নিয়ে এলাকায় চরম উত্তেজনা ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
জানা যায়, বাঁশখালী উপজেলার কাথারিয়া ইউনিয়নের চুনতি বাজার এলাকায় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়ি বাঁধের অংশের মাটি প্রতিদিন কেটে তৈরি করা হচ্ছে মৎস্য চাষের প্রকল্প। সরকারি জমির মাটি ৮০০ টাকা দামে প্রতি ট্রাক বিক্রি হচ্ছে । মাটি কাটার খনন যন্ত্র (এক্সেভেটর) দিয়ে সরকারি জমি থেকে মাটি কেটে প্রতিদিন অর্ধশত ট্রাক মাটি বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ভূমি দস্যুরা প্রভাবশালী হওয়ায় সাধারণ মানুষ অসহায় হয়ে পড়েছে। বাঁশখালী কাথারিয়ার এক স্থানীয় ইউপি সদস্য মাছের ঘের ও মাটি বিক্রি করছে। এমন খবর পেয়ে শরজমিনে পরিদর্শনে গেলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছিুক কয়েকজন জানান, মাটি কেটে মাছের প্রজেক্ট তৈরি করছে বলে স্থানীয়রা জানান। এ প্রসঙ্গে ইউপি সদস্য মোঃ আনছার বলেন, কে বা কারা এই জায়গা দখল করে মাঠি কেটেছে আমি জানিনা। এলাকাবাসী আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে।
সরকারি জায়গা কিনা আমি জানি না। মাটি বিক্রি করছে কে তাও আমি জানি না, এক্সেভেটরটি ভাড়ায় আনা হয়েছে। আমার ২টি ট্রাক আছে ঐ ট্রাকগুলো মাটি পরিবহন করছে। শ্মশানের জায়গার মাটি কাটার প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি কোন উত্তর দেননি।
কাথারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়াম্যান মোহাম্মদ শাহাজাহান বলেন, বেড়ি বাঁধের অংশ থেকে মাটি কাটার বিষয়টি আমার জানা নেই। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকোশলী ২ জুলফিকার তারেক জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গায় কোন অবস্থাতেই মাছের ঘের করতে দেয়া হবে না। কাথারিয়া এলাকায় সরকারি জায়গা হতে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদের ব্যবস্থা করা হবে। বেড়ি বাঁধের অংশ কর্তন করে বিক্রি বা অবৈধভাবে সরকারি জায়গা দখল করা হলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ