ঢাকা, শনিবার 24 March 2018, ১০ চৈত্র ১৪২৪, ৫ রজব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

বেকার হওয়ার আশঙ্কায় লক্ষাধিক ইউনানী চিকিৎসক

স্টাফ রিপোর্টার : সরকারের নতুন ওষুধ আইনের খসড়া পর্যালোচনায় বক্তারা বলেছেন, ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা পদ্ধতি ও চিকিৎসকদের স্বার্থের পরিপন্থী কিছু ধারা সংশোধন ছাড়া প্রস্তাবিত ওষুধ আইন - ২০১৭ পাশ হলে সমগ্র ইউনানী চিকিৎসা পদ্ধতি দারুণভাবে ক্ষত্রিগ্রস্ত হবে। একইসাথে প্রায় ৫ হাজার বছরের চিকিৎসা পদ্ধতি ঐতিহ্য হারাবে। চিকিৎকরা তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে। এবং দেশের লক্ষাধিক ইউনানী আয়ুর্বেদিক দেশীয় চিকিৎসক বেকার হয়ে যাবে। এতে প্রত্যন্ত গ্রামীণ জনগণের স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সেবা মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে।
গতকাল শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ দেশীয় চিকিৎসক সমিতির উদ্যোগে ‘ইউনানী-আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকদের ভবিষৎ উন্নয়ন ও ওষুধ আইন-২০১৭ এর খসড়া পর্যালোচনা ও করণীয়’ শীর্ষক আলোচনায় বক্তারা এ আশঙ্কার কথা ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, সংগঠনের সভাপতি ও বাংলাদেশ ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক বোর্ডের সদস্য ডা. মো. মিজানুর রহমান। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের মহাসচিব হাকীম মো. হাবিবুর রহমান, বোর্ড সদস্য নওশাদ জাকী, বিশিষ্ট হাকিম শেখ মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিলসহ বিভিন্ন কলেজের প্রিন্সিপাল, প্রতিষ্ঠাতা ও শিক্ষকরা।
আলোচনা সভায় বক্তারা ইউনানী আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা পদ্ধতির উন্নয়নে প্রতিটি জেলায় লোকজ চিকিৎসকদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ও সনদ প্রদানের ব্যবস্থা, স্নাতকোত্তর চিকিৎসকদের পাশাপাশি ডিপ্লোমাপ্রাপ্ত চিকিৎসকদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও কমিউিনিটি ক্লিনিকে নিয়োগ, ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক শিক্ষক কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সরকারি বেতন-ভাতা প্রদান এবং পৃথক ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক লাইসেন্সসিং অথোরেটি ও গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠাসহ চৌদ্দ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ