ঢাকা, শনিবার 24 March 2018, ১০ চৈত্র ১৪২৪, ৫ রজব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

কৌশলগত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় এরদোগানকে ট্রাম্পের ফোন

২৩ মার্চ, দ্য হিল ডটকম : যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্কের মধ্যেকার মতপার্থক্যের বিষয়ে আলোচনা করতে টেলিফোনে তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগানের সঙ্গে কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

বৃহস্পতিবার দুই নেতার মধ্যে এই কথোপকথন হয় বলে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

দুই নেতা যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্কের মধ্যে দৃঢ় সম্পর্কের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন এবং কৌশলগত চ্যালেঞ্জের ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার জন্য প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন বলেও এতে জানানো হয়।

সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল যে তুরস্কের সামরিক বাহিনী কুর্দি বাহিনীর কাছ থেকে সিরিয়ার আফরিন শহর দখল করে নেয়ার খবরে তারা ‘গভীরভাবে উদ্বিগ্ন’। এরদোগান বলেছিলেন, তুরস্ক উত্তর সিরিয়াতে তার অভিযান আরো সম্প্রসারণ করবে।

আইএসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য সিরিয়ায় কুর্দি বাহিনীকে সমর্থন করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে, তুরস্ক কুর্দিদের সন্ত্রাসী বলে বিবেচনা করে।

পেন্টাগনের মুখপাত্র বলেন, আইএসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে এগিয়ে যাওয়ার বিষয়ে আলোচনার জন্য তুরস্কের সঙ্গে তাদের ‘ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ’ রয়েছে।

গত বছর তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগানের ওয়াশিংটন সফরের সময় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে তার নিরাপত্তা রক্ষীদের সংঘর্ষের ঘটনায় অভিযুক্ত ১৫ জনের মধ্যে ১১ জনকে তাদের অভিযোগ থেকে বৃহস্পতিবার খালাস দেয়া হয়। এর কয়েক ঘণ্টা পরই দুই নেতার মধ্যে এই কথোপকথন হয়। গত বছরের নভেম্বর মাসে প্রথম তুর্কি নিরাপত্তা দলের চার সদস্যকে অভিযোগ থেকে মুক্তি দেয়া হয়েছিল। এরপর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসনের আঙ্কারা সফরের পরের দিন ১৪ ফেব্রুয়ারি তারিখে তুর্কি নিরাপত্তা দলের প্রধানসহ আরো সাতজনকে অভিযোগ থেকে মুক্তি দেয়া হয়।

ওই সময়ে মার্কিন কর্মকর্তারা জোর দিয়ে বলেছিল যে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রত্যাহার করার জন্য কোনোভাবেই প্রসিকিউটররা চাপ দেয়নি এবং এই অভিযোগসমূহ চারটি বিষয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল এবং অন্যদের বিরুদ্ধে যথেষ্ট প্রমাণ উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হয়েছে। ২০১৭ সালের মে মাসে এরদোগানের আমেরিকা সফরের সময় তুরস্কের দূতাবাসের সামনে তার বিরুদ্ধে কিছু মানুষ বিক্ষোভ করে। এসময় বিক্ষোভকারীরা এরদোগানের কাছাকাছি চলে গেলে তার নিরাপত্তারক্ষীরা তাদের প্রতিরোধ করে। ওই ঘটনায় কমপক্ষে নয়জন বিক্ষোভকারী, এক রক্ষী বাহিনীর সদস্য এবং একজন পুলিশ কর্মকর্তা আহত হন।

তুরস্ক বলেছিল, ওই বিক্ষোভকারীরা ছিল ফেতুল্লাহ সন্ত্রাসী সংগঠন (এফইটিও) এর সদস্য। তারা পরিকল্পিতভাবে এরদোগানের ওপর হামলা করতে ওই বিক্ষোভ করেছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ