ঢাকা, শুক্রবার 30 March 2018, ১৬ চৈত্র ১৪২৪, ১১ রজব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

বাংলাদেশে ভিক্ষা ব্যবস্থা থাকবেই ---অর্থমন্ত্রী

 

স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশে বেশিরভাগই প্রফেশনাল ( পেশাদার) ভিক্ষুক এবং তাদের কিছু করা যায় না। আমার হিসাবে দেশে ছয় লাখের মতো ভিক্ষুক আছে, যাদের কোনোমতেই ভিক্ষাবৃত্তির বাইরে নিয়ে আসা সম্ভব হচ্ছে না। যতই আমরা সাহায্য করি না কেন তারা আবার (ভিক্ষাবৃত্তিতে) ফিরে যায়। এদের কোথাও (কাজে) বসানো হলে, একটা ঘরবাড়ি দেওয়া হলেও কিছুদিন পর আবার সেই ভিক্ষাতেই ফিরে যায়।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর জাতীয় নাট্যশালায় দুর্নীতি প্রতিরোধে শ্রেষ্ঠ কমিটির সদস্যদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত একথা বলেন। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন দুদক কমিশন এএফএম আমিনুল ইসলাম ও দুদক মহাপরিচালক জাফর ইকবাল প্রমুখ। 

অর্থমন্ত্রী মুহিত বলেন, এখন অভাবে কেউ মারা যাচ্ছে এরকম চিত্র বোধ হয় আপনারা দেখেন না। আমার  শৈশব-কৈশোর এমনকি যৌবনেও দেখেছি, বাগেরহাটে দুর্যোগ প্রবণ এলাকায় মানুষ হঠাৎ না খেয়ে মারা যাওয়া খুব স্বাভাবিক ছিল। এখন কোথাও না খেয়ে মারা যায় না। অসুখে পড়ে খেতে না পারার কারণে মারা যেতে পারে। শুধু খাবারের অভাবে মানুষ মরে যাচ্ছে সেটা এখন দেখতে পাবেন না।

তিনি বলেন, দুদকের মামলায় ৭০ ভাগ শাস্তি পাচ্ছে শুনে খুশি হলাম। এটাই হবে ভবিষৎ। দুদক ওয়াচডগ হিসেবে থাকবে। তারা লোকজনকে নীতিকথা শুনাবে। দুর্নীতিতে দেশ ছেয়ে গেছে, সেটা ৮ বা ১০ বছর পরে আর বলবে না।

মুহিত বলেন, নতুন জেনারেশন শুদ্ধাচার কৌশল অনুসরণ করবে। তখন অ্যান্টি করাপশন কমিশনেরও থাকার প্রয়োজন আছে। কারণ শুদ্ধাচারের প্রচার-প্রচারণা করা তখনও প্রয়োজন। একই সঙ্গে শাস্তিরও ব্যবস্থা থাকা উচিত, কিন্তু শাস্তি প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত নয়।

সভাপতির বক্তব্যে দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশ এখন উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতির পথে। আমরা সামাজিভাবে এগিয়ে যাচ্ছি। অভাবের কারণে এখন আর কেউ দুর্নীতি করে না। আমাদের আরও উন্নতি হতো যদি আমরা লোভের কারণে দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে। দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ