ঢাকা, শুক্রবার 30 March 2018, ১৬ চৈত্র ১৪২৪, ১১ রজব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

তাড়াশে খিরার বাম্পার ফলন ভাল দাম পাওয়ায় কৃষকরা খুশি

বিক্রির জন্য প্রস্তুত করছে খিরা -সংগ্রাম

শাহজাহান তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) : গরমের আগমনি বার্তার সাথে সাথে জমে উঠেছে চলনবিলের ওইতিহ্যবাহী খিরার হাট। প্রতি বছরের মত শীত মওসুমের বিদায় আর গরম মওসুমের আগমনের সাথে সাথে চলনবলের প্রাণকেন্দ্র এবছর জমে উঠেছে অস্থায়ী খিরার হাটটি। হাটে প্রতিদিন ভোর থেকে শুরু হয়ে সন্ধ্যা নাগাদ বেচাকেনা হচ্ছে শত শত টন খিরা। সরেজমিনে দেখা গেছে, তাড়াশ উপজেলা সদর হতে ১৪ কিলোমিটার দুরে উপজেলার সীমান্তবর্তী প্রত্যন্ত চলনবিলের প্রানকেন্দ্রে দিঘরিয়া গ্রামে বসেছে হাটটি। হাটে সিরাজগঞ্জ, নাটোর ও বগুড়া জেলার খিরা চাষীরা খিরা বিক্রি করতে এসেছেন। খিরা কিনতে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা শহর থেকে আরতদাররা এসেছেন। দেশের বিভিন্ন এলাকা হতে আগত ক্রেতা-বেক্রেতা ও দর্শকদের পদ-চারনায় প্রত্যন্ত গ্রামটি জন-সমাবেশে পরিনত হয়েছে। চলনবিলের মাটি এটেল জাতিয় হওয়ায় এখানকার উৎপাদিত খিরা খুব সুস্বাদু বিশেষ করে গরমে ক্লান্ত শরীরে একটু শান্তির পরশ পেতে খিরার বিকল্প কিছু নেই। তাই সারাদেশে এর আলাদা একটা কদর রয়েছে। হাটে প্রচুর পরিমানে খিরার আমদানি হওয়ায় ওজনের পরিবর্তে এখানে বস্তা চুক্তিতে বিক্রি করা হয়। প্রকারভেদে প্রতি ছোট বস্তা খিরা বিক্রি হচ্ছে ২৬০থেকে ৩২০ টাকা এবং প্রতি বড় বস্তা  খিরা বিক্রি করা হচ্ছে ৫৫০ থেকে ৬৫০ টাকা পর্যন্ত। এহাটটি ফেব্রয়ারী থেকে শুরু হয়ে চলবে এপ্রিল পর্যন্ত। চলনবিলের সাচানদিঘি গ্রামের খিরা চাষী মো. রন্জু আহমেদ জানান, প্রতি বিঘা জমিতে খিরা চাষ করতে প্রায় ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা ব্যায় হয়েছে। আর ১ বিঘা থেকে উৎপাদিত খিরা বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা। 

চলনবিলের মাটি খিরা চাষের উপযোগী হওয়ায় এখানকার কৃষকরা অন্য ফসলের চেয়ে খিরা চাষে বেশি আগ্রহী তাই দেশের যেকোন এলাকার তুলনায় এখানে খিরা চাষ বেশি হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ