ঢাকা, শনিবার 31 March 2018, ১৭ চৈত্র ১৪২৪, ১২ রজব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

পাঠদান চলছে পরিত্যক্ত ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে

তিতাসের কাপাশকান্দি মডেল একাডেমির পাঠদান চলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিত্যাক্ত ভবনে (উপরে)। এসেম্বলিতে শিক্ষার্থী ও (ইনসেটে) প্রধানশিক্ষক -সংগ্রাম

দাউদকান্দি (কুমিল্লা) সংবাদদাতা: কুমিল্লার তিতাস উপজেলার অজ পাড়াগাঁয় কাপাশকান্দি গ্রাম, এখানে ২০০৪ সালে স্থাপিত হয়েছে কাপাশকান্দি মডেল একাডেমি নামে একটি উচ্চ বিদ্যালয়। নানাহ সমস্যায় জর্জরিত স্কুলটিতে পাঠদান চলছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিত্যাক্ত দু’টি ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে। সরকারি সকল জাতীয় অনুষ্ঠান পালন ও ক্রীড়া-সংস্কৃতিতে পিছিয়ে নেই শিক্ষার্থীরা।
অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করে শিক্ষকমন্ডলী, পরিচালনা কমিটির সহায়তায় শুরু থেকে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে যাচ্ছে। দানবীর মরহুম খলিলুর রহমান মোল্লা স্কুলটির প্রতিষ্ঠাতা কিন্তু সম্প্রতি তিনি ইন্তেকাল করায় তার ইচ্ছার প্রতিফলন দেখে যেতে পারেননি। তবে স্কুলের সুযোগ্য সভাপতি মো. আমির হোসেন জানান, জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন ও দানশীল ব্যক্তিদের সহযোগিতায় একদিন ইনশাআল্লাহ্ এই স্কুল উপজেলা এবং জেলা পর্যায়ে স্ব-মহিমায় মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে।
ক একর সাড়ে চৌঁত্রিশ শতাংশ জমি স্কুলের নামে থাকলেও নিজস্ব একটি টিনের ঘরসহ প্রাইমারি স্কুলের দু’টি পরিত্যক্ত ভবনে প্রায় পৌনে তিনশত শিক্ষার্থীর পাঠদান চলছে। এখানে আটজন শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটিতে সদস্য সংখ্যা রয়েছে তের জন। প্রধানশিক্ষক মো. মজিবুর রহমান জানান, কাপাশকান্দি মডেল একাডেমির ঊওওঘ-ঘঙ-১৩১১ ৯০ এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা নিজের ক্যাম্পাস ও উপজেলা পর্যায়ে সকল জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে থাকে। জমির আইল ও ভাঙা রাস্তা পেরিয়ে যেকোন অনুষ্ঠানে যেতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা কার্পণ্য করেনা। কিন্তু নানাহ সমস্যা স্কুলটির জন্য প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। শ্রেণি কক্ষের সমস্যার কারণে সরকারি প্রাইমারী স্কুলের দু’টি পরিত্যাক্ত ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে দৈনন্দিন পাঠদান। এতে করে ভবন ভেঙে-ধসে দুর্ঘটনার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
একাডেমিক ভবন, শৌচাগার, ভরাট খেলার মাঠ, সীমানা প্রাচীর ও রাস্তা-ঘাট নির্মাণ হলে স্কুলটি একটি মডেল প্রতিষ্ঠান হিসেবে দৃশ্যমান হবে। স্কুলটিতে অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ হলেন মহিদ উল্লাহ, অলি উল্লাহ্, ফজলুল করিম, নাইম ইসলাম, বাবুল ইসলাম, মো. তোফাজ্জল ও ফারজানা আক্তার। ম্যানেজিং কমিটিতে সভাপতি মো. আমির হোসেন, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মিসেস সালেহা বেগম, দাতা সদস্য কাবিল আহম্মেদ ভুইয়া, চার অভিভাবক সদস্য আবুল কাশেম, নূরে আলম মুন্সী, পারভীন আক্তার ও আব্দুল বাতেন। সংরক্ষিত মহিলা অভিভাবক সদস্যা সেলিনা বেগম। শিক্ষক প্রতিনিধিদ্বয় অলি উল্লাহ্ ও মাওলানা মহিববুল্লাহ।
সংরক্ষিত মহিলা শিক্ষক প্রতিনিধি ফারজানা আক্তার ও পদাধিকারবলে সদস্য সচিব প্রধান শিক্ষক মো. মজিবুর রহমান। এদিকে বিদ্যোৎসাহী হিসেবে মো. দিদার হোসেন (দিদার মেম্বারের) নাম ঘোষণা করা হয়। স্কুলটি নানা সমস্যার বিষয়ে জেলা-উপজেলার সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড কর্তৃপক্ষ অবহিত রয়েছেন। তারা আশ্বাস দিয়েছেন সংসদ সদস্যের ডিও লেটারে এখানে একটি আধুনিক একাডেমিক ভবন নির্মাণ হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ