ঢাকা, বৃহস্পতিবার 5 April 2018, ২২ চৈত্র ১৪২৪, ১৭ রজব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

চলনবিলে বৃষ্টিতে ইট ভাটায় ৫ কোটি টাকার ক্ষতি

তাড়াশ সিরাজগঞ্জ থেকে শাহজাহান: চলনবিলে বৃষ্টিতে ইট ভাটায় ৫ কোটি টাকার ক্ষতি খবর পাওয়া গেছে।

জানা গেছে সিরাজগঞ্জের তাড়াশ রায়গঞ্জ, সলঙ্গাসহ চলনবিলের চাটমোহর  ভাঙ্গুড়া নাটোরের বড়াইগ্রাম সিংড়া ইট ভাটায় প্রচুর  ক্ষতি সাধিত হয়েছে। 

গত শুক্রবার দুপুরের পর ও শনিবার সকালের বৃষ্টিতে চলনবিলের  ইট ভাটা মালিকদের প্রায় ৫ কোটি টাকার ক্ষতি সাধন হয়েছে। চাটমোহরের দশটি ইটের ভাটায় পুরোদমে ইট উৎপাদন চলছিল। 

বৃষ্টিতে প্রত্যেকটি ভাটা মালিক কম বেশি ক্ষতির শিকার হয়েছেন। কোন কোন ভাটা মালিক কিছু কাঁচা ইট পলিথিন দিয়ে ঢেকে বাঁচানোর চেষ্টা করেছেন। ভেঙ্গে চুরে যাওয়া কাঁচা ইট অপসারণ করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন ভাটা শ্রমিকেরা। শনিবার সরেজমিন কিছু ইট ভাটায় গেলে চোখে পরে এমন দৃশ্য।

চাটমোহরের ডিএস এ ভাটার স্বত্বাধিকারী দুলাল হোসেন জানান, চাটমোহরের হরিপুর ইউনিয়নের ধুলাউড়ি এবং বিলচলন ইউনিয়নের বওশা এলাকায় দুইটি ইটের ভাটা রয়েছে তার। বৃষ্টিতে তার দুই ইট ভাটার প্রায় ৭ লাখ কাঁচা ইট নষ্ট হয়ে গেছে। 

প্রতি হাজার ইট অপসারণে শ্রমিকদের দিতে হচ্ছে ২শ’ ৫০ টাকা করে। তিনি আরো জানান, ৭ লাখ ইট পোড়াতে পারলে তা প্রায় ৫৫ লাখ টাকা বিক্রি করা যেত। চাটমোহরের ধুলাউড়ি এবং গুনাইগাছা এলাকায় সিভিল টেক ব্রিকস কোম্পানীর দুইটি ইটের ভাটা রয়েছে। 

গুনাইগাছার ভাটার ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন জানান, তাদের দু’টি ইটের ভাটার অন্তত ১৫ লাখ কাঁচা ইট নষ্ট হয়েছে। এ ইটগুলো প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ টাকা বিক্রি করা যেত। 

অন্যান্য ভাটা মালিকের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বর্তমান কাঁচা ইট তৈরী বন্ধ রয়েছে। 

বিরুপ আবহাওয়া ও বৃষ্টিপাতের কারণে তাদের অপূরণীয় ক্ষতি সাধন হয়েছে। চলতি মৌসুমে কয়েক দফা বৃষ্টিপাত হওয়ায় ইট ভাটা মালিকরা অর্থনৈতিক ভাবে যে বড় ধরণের ক্ষতির সম্মুখিন হন। এ ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা অনেকের পক্ষেই কষ্টকর হয়ে পরবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ