ঢাকা, বৃহস্পতিবার 5 April 2018, ২২ চৈত্র ১৪২৪, ১৭ রজব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কিশোরের লাশ উদ্ধার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংবাদদাতা : ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আনুমানিক ১৫ বছর বয়সী অজ্ঞাতনামা এক কিশোরের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের সদর উপজেলার বড়হরণ এলাকা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, সকালে বড়হরণ এলাকায় রেল লাইনের পাশের সড়কে অজ্ঞাতনামা ওই কিশোরের লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছে।

নিহতের প্যান্টের পকেট থেকে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি থেকে নরসিংদী রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত একটি ট্রেনের টিকিট পাওয়া গেছে।

এ ব্যাপারে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মোঃ জিয়াউল হক বলেন, নিহতের শরীরে তেমন কোনো আঘাতের চিহ্ন না থাকলেও গলায় দাগ আছে। ময়নাতদন্তের জন্য  লাশ জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

ওসি মহিউদ্দিনকে প্রত্যাহার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মহিউদ্দিনকে  প্রত্যাহার করা হয়েছে।  গতকাল বুধবার দুপুর ১২টা দিকে তাকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়।

এ ব্যাপারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মোঃ ইকবাল হোসাইনের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন ।

এদিকে পুলিশের একটি সূত্র জানায়, গত ৬ মার্চ কসবা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শ্যামল মজুমদার ও মনির হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল কসবা উপজেলার টি.আলী মোড় থেকে দুটি প্রাইভেটকারে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার করে। পরে তারা মাত্র ৪০ কজি গাঁজা থানায় জমা দিয়ে বাকি গাঁজা থানার পাশের একটি ঝোঁপে লুকিয়ে রাখেন। 

পরে ওইদিন রাতেই জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ওই ঝোঁপ থেকে গাঁজা উদ্ধার করে। তবে কী পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছিল সেটি সাংবাদিকদের জানানো হয়নি। 

এ ঘটনায় ৭ মার্চ সকালে এস.আই শ্যামল ও এসআই মনিরসহ কসবা থানার ছয় সদস্যকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়। একই সাথে মাদকের তথ্য গোপনের ঘটনা তদন্তে দায়িত্ব দেয়া হয় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইকবাল হোসাইনকে। ওই ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্টতার কারণে ওসি মহিউদ্দিনকে প্রত্যাহার করা হয়ে থাকতে পারে বলে সূত্রটি জানায়।

এ ব্যাপারে কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মহিউদ্দিন বলেন, পুলিশ সুপার মহোদয়ের মৌখিক নির্দেশনা পেয়েছি। তবে লিখিত এখনো পাইনি। তিনি বলেন, কি কারণে আমাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে তা আমি জানি না।  তিনি বলেন, বদলি একটি চলমান প্রক্রিয়া, আজ না হয় কালতো যেতেই হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ