ঢাকা, শুক্রবার 6 April 2018, ২৩ চৈত্র ১৪২৪, ১৮ রজব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

ছড়া

ছড়া লেখার ইচ্ছা

ফরিদ আহমদ ফরাজী

 

এমন একটি ছড়া লিখতে মন চায়

যে ছড়াটি বৃদ্ধ, শিশু

                   পড়বে যতোজন চায়।

 

ছড়া পড়ে হাসবে কাঁদবে তা না

ছড়ার পিঠে উঠবে যে সে

                  ধরবে মেঘের ডানা।

 

তাই তো আামি ছড়ার খোঁজে যাচ্ছি

বাংলা মায়ের গাঁয়ে হাজার

                ছড়ার দেখা পাচ্ছি।

 

কতো ছড়া পুষ্পশাখে দোল খায়

কতো ছড়া হিজল শাখে

                  দোলছে শীতল বায়।

 

ছড়ার খোঁজে ত্রিশ বছর হাঁটছি শ্যামল গাঁও

জেলের জালে পরছে ধরা

                      ঝাটকা ইলিশ ছাও।

 

নদীর বাঁকে,গগন শাখে যে দিক পানে চাই

শুধুই ছড়া মিঠে কড়া

                       যার ইয়ত্তা নাই।

 

ছড়া লেখার ইচ্ছা ছিলো, লেখতে পারি নাই

সারা বাংলায় ছড়ায় ভরা

                      পড়ছি তা সবাই।

 

বায়না

দীদার মাহদী

 

মায়ের কাছে ধরছে শিশু

আস্ত কঠিন বায়না,

দূর আকাশের চাঁদটা ছাড়া

আর কিছু সে চায় না

 

মাথার ভেতর ভূত চেপেছে

যতই খেদায় যায় না, 

এতই বুঝায় তবুও শিশু

তেমন কিছুই খায় না ৷

 

গোমরা মুখে বসে থাকে

সময় মতো নায় না,

মিষ্টি গলায় আগের মতো

গানও শিশু গায় না ৷

 

যেদিন দিলো জোসনা মেখে

অবুঝ শিশুর মায় না,

সেদিন থেকে এই শিশুটিই

চাঁদ দেখে চমকায় না ৷

 

 

মনটা হঠাৎ

মিনহাজুল ইসলাম মাসুম

 

মনটা হঠাৎ ইচ্ছে করে

বনের ধারে ছুটতে,

গাছের ডালে হেলে দুলে

হাওয়ায় ভেসে দুলতে।

 

বনে গিয়ে পাখ-পাখালির

কিচির-মিচির শুনতে,

মায়াভরা এই দুনিয়ায়

মজার সময় কাটতে!

 

সবুজ টিয়া বলতো ডেকে

শুনবে আমার গান,

গানে গানে মজতো ফাগুন

ভরতো আমার প্রাণ।

 

এতো খুশি কিসের লাগি

এই না হৃদয়জুড়ে

আল্লাহ-নবীর গান গেয়ে যাই

কী যে মধুর সুরে!

 

 

পাখির কথা

কে, এইচ, মাহাবুব

 

একটি পাখি কানা

মারলো তবু হানা

সেই পাখিটি ধরতে গেলে

করলো তাকে মানা।

 

একটি পাখি কালো

ছড়ায় তবু আলো

সেই পাখিটি বাঁচিয়ে দিয়ে

খোকা  সাজলো ভালো।

 

একটি পাখি উড়ে

যায় যে আবার দূরে

তাকায় সেথা খোকা,

কি জানি কি ভাবে

পাখি কোথায় যাবে

ভাবছি কেনো বোকা!

 

ভুলিনি তোমায় গাঁ 

আসাদউজ্জামান খান 

 

ভুলবনা আমি কোনো দিন 

ওগো জন্মভূমি 

রাগকরো না ফিরবো আমি 

ভেবোনা কো তুমি।

কতো আনন্দে কাটত দিন 

তোমারই ঐ বুকে 

সব সময়ে তোমার কথা 

থাকে আমার মুখে।

সকালবেলা ঘুম ভাঙাতো 

মুয়াজ্জিনের গানে 

নামাজ পড়ে রাস্তায় যেতাম 

বন্ধুআড্ডার পানে।

লেখাপড়া ঘোরাঘুরি 

ছিলো যতো যাহা 

ছোটোবেলার সেই স্মৃতি

ভোলা যায় কি তাহা! 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ