ঢাকা, শনিবার 7 April 2018, ২৪ চৈত্র ১৪২৪, ১৯ রজব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

‘খালাস পাওয়া উচিত ছিল সালমান খানের’

৬ এপ্রিল, দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের : বিরল প্রজাতির কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা মামলায় সালমান খানের খালাস পাওয়া উচিত ছিল বলে মন্তব্য করেছেন বলিউড অভিনেত্রী ও ভারতীয় পার্লামেন্টের সদস্য জয়া বচ্চন। গত বৃহস্পতিবার দেওয়া রায়ের প্রতিক্রিয়ায় জয়া এই মন্তব্য করেন। জানানো হয়, প্রায় ২০ বছরের পুরনো এই মামলার রায় দেয় ভারতের রাজস্থান রাজ্যের যোধপুর আদালত। ভারতীয় দ-বিধির (আইপিসি) বন্যপ্রাণী সুরক্ষা আইনের ৫১তম ধারা অনুযায়ী সালমানকে দ- দেওয়া হয়। রায়ের পর এক প্রতিক্রিয়ায় ভারতীয় পার্লামেন্টের বাইরে দাঁড়িয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জয়া বচ্চন বলেন, ‘আমি খ্বুই মর্মাহত। তার (সালমান খান) খালাস পাওয়া উচিত ছিল। সে অনেক মানবিক কাজ করেছে।’ সালমান খানের জেল হওয়ায় শুধু যে জয়া বচ্চনই তার প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন, তা-ই নয়। বলিউডের এমন অনেক তারকাই সালমানের কারাদ-ের খবরে হতাশ হয়েছেন।

প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা ও সালমান খান অভিনীত ‘যুবরাজ’ সিনেমার পরিচালক সুভাষ ঘাই বলিউডের হার্টথ্রব অভিনেতার কারাদ- হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন। এক টুইটে তিনি লিখেন, ‘ভারতের বিচারব্যবস্থার প্রতি আমি আস্থা রেখেই বলছি যে, সালমান খান দ-প্রাপ্ত হওয়ায় আমি খুবই বিস্মিত হয়েছি। তবে যাই হোক না কেন, চূড়ান্ত বিচারের আবেদনের জন্য আরও দরজা খোলা রয়েছে। মানবিক কর্মকা-ের জন্য ইন্ডাট্রিতে এখন পর্যন্ত সে-ই সবচেয়ে ভালোবাসার মানুষ।’ ১৯৯৮ সালে ‘হাম সাথ সাথ হ্যায়’ সিনেমার শুটিংয়ের জন্য এই মামলার আসামীরা যোধপুরে গিয়েছিলেন। সেখানে শুটিং চলাকালে ১ ও ২ অক্টোবর রাতে যোধপুরের কাঙ্কিনি গ্রামে দুটি বিরল প্রজাতির কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা করেন তারা বলে অভিযোগ ওঠে।

ওই বছরের অক্টোবরেই সালমান, সাইফ, নীলম, টাবু ও সোনালির বিরুদ্ধে মামলা হয়। মামলার চূড়ান্ত পর্বের শুনানি শুরু হয়েছিল গত বছরের ১৩ অক্টোবর। ২৪ মার্চ দুই পক্ষের প্রশ্ন-উত্তর পর্ব শেষ হয়। এরপর ২৮ মার্চ যোধপুরের দেব কুমার খাতরির আদালত ৫ এপ্রিল রায় ঘোষণার দিন ধার্য করা হয়। এর আগেও ২০০৬ সালে এই মামলায় হরিণ হত্যার দায়ে সালমানকে যোধপুরের আদালত পাঁচ বছরের কারাদ-সহ ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছিল। পরে তিনি উচ্চ আদালতে আপিল করেন। ওই আপিলের রায় আজ দেওয়া হলো। আদালতের রায়ে সালমান খানের পাঁচ বছরের কারাদ- ও ১০ হাজার রুপি জরিমানা করা হয়েছে। তবে মামলার অন্য আসামি সাইফ আলি খান, নীলম, টাবু, সোনালি বান্দ্রে বেকসুর খালাস পেয়েছেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ