ঢাকা, শনিবার 7 April 2018, ২৪ চৈত্র ১৪২৪, ১৯ রজব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

অবশেষে বল ট্যাম্পারিং নিয়ে মুখ খুললেন পন্টিং

অবশেষে কেপ টাউন টেস্টের বল ট্যাম্পারিং নিয়ে মুখ খুলেছেন অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ জয়ী সাবেক অধিনায়ক রিকি পন্টিং। আইপিএল-এর এ আসরে দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের কোচ হিসেবে যোগ দিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে পন্টিং জানিয়েছেন, স্মিথদের বল ট্যাম্পারিংয়ের ঘটনায় তিনি মর্মাহত। ৪৩ বছর বয়সী সাবেক এই ক্রিকেটার বলেছেন, ‘কয়েক সপ্তাহ আগে দক্ষিণ আফ্রিকায় যা ঘটেছে সে বিষয়ে এই প্রথমবারের মতো আমি কোন প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছি। একজন সাবেক খেলোয়াড় ও অধিনায়ক হিসেবে আমি ওই ঘটনায় খুবই মর্মাহত হয়েছি।’ পন্টিংয়ের দাবি, অস্ট্রেলিয়া সবসময় কঠিন ও ন্যায্য ক্রিকেট খেলে ও তাদের দর্শকরাও সে ধরনের খেলা প্রত্যাশা করে। আর সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া দলের সংস্কৃতি নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, তা নিয়ে খুব একটা চিন্তিত নন দুইবারের বিশ্বকাপ জয়ী এ ক্রিকেটার, ‘সংস্কৃতি বিষয়টা আমার কাছে খুবই মজার। কারণ, আপনি একটু পেছনে ফিরে গেলেই দেখবেন, যখন অস্ট্রেলিয়া অ্যাশেজ জিতল, তখন দলের সংস্কৃতি নিয়ে কোন সমস্যা হয়নি। সুতরাং, আমার মনে হয়, সংস্কৃতির বিষয়ে যে কথা উঠেছে তার সাথে ড্রেসিং রুমের বাস্তবতার মিল নেই।’ কেপ টাউনে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে বল ট্যাম্পারিং করেছিলেন ক্যামেরন ব্যানক্রফট। যা টিভি ক্যামেরায় ধরা পড়ে। পরে বল ট্যাম্পারিংয়ের কথা স্বীকার করেন ব্যানক্রফট ও সেই সময়ের অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ। এ ঘটনায় স্মিথকে এক টেস্ট নিষিদ্ধসহ ম্যাচ ফির পুরোটা জরিমানা করে আইসিসি। আর ব্যানক্রফটের ম্যাচ ফির ৭৫ শতাংশ জরিমানা করা হয়। তবে কলঙ্কজনক এ ঘটনায় কঠোর পদক্ষেপ নেয় অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট বোর্ড। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার নিজস্ব তদন্তে স্মিথ, ব্যনক্রফট ও ডেভিড ওয়ার্নার দোষী প্রমাণিত হন। ফলে তিনজনই ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার শাস্তির মুখে পড়েন। ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে স্মিথ ও ওয়ার্নার নিষিদ্ধ হয়ে যান এক বছরের জন্য। আর ব্যানক্রফটকে নিষিদ্ধ করা হয় ৯ মাসের জন্য। ইন্টারনেট।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ