ঢাকা, রোববার 8 April 2018, ২৫ চৈত্র ১৪২৪, ২০ রজব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

ঘাটাইলে গ্রামীণ সড়কের সংস্কার নেই ॥ যান চলাচল বিঘ্নিত

ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা: অতিরিক্ত মাল বোঝাই ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার অভ্যন্তরীণ অধিকাংশ গ্রামীণ সড়ক যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এ কারণে বারবার  সংস্কার করা হলেও সড়কগুলো টেকানো যাচ্ছে না। ফলে যানবাহন চলাচল বিঘিœত হচ্ছে এবং জনদুর্ভোগ বাড়ছে। 

গ্রামীন সড়কে ১০ টনের বেশী মালামাল বহন করার প্রতি বিধি নিষেধ থাকলেও আইন মানার ও প্রয়োগের কোন বালাই নেই স্থানীয় প্রশাসনের। ২৫/৩০ টনের মালবাহী ট্রাক চলাচল করলেও কর্তা ব্যাক্তিদের এ বিষয়ে কোন উদ্যোগ নেই। 

উপজেলা প্রকৌশলী অফিস সূত্রে জানা যায়, ঘাটাইল উপজেলায় পাকা সড়ক রয়েছে প্রায় ২৮০ কিলোমিটার এর মধ্যে উপজেলা সড়ক প্রায় ১১০ কিলোমিটার, ইউনিয়ন সড়ক প্রায় ৬২ কিলোমিটার, গ্রামীণ সড়ক-এ ক্যাটাগরির প্রায় ৯০ কিলোমিটার, গ্রামীণ সড়ক - বি ক্যটাগরির প্রায় ২০ কিলোমিটার।

দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না করায় ও মালবাহী ট্রাকসহ ভারী যানবাহন ও মাটিবাহী পিকআপ ট্রাক বেপরোয়া ভাবে চলাচলের কারনে এসব সড়ক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। 

অধিকাংশ গ্রামীণ সড়কের বেহাল দশা, সড়ক গুলোতে খানা-খন্দের সৃষ্টি হয়ে যান চলাচলের  অযোগ্য হয়ে পড়েছে। অনেক গ্রামীন পাকা সড়ক  দেখে বোঝার কোন উপায় নেই এই সব সড়ক এক সময় পাকা ছিল। 

উপজেলা সড়ক ও ইউনিয়ন সড়কের মধ্যে উপজেলার ঘাটাইল-সাগরদিঘী- ভরাডোবা সড়কে ৪০ কিলোমিটার, জামুরিয়া-ছুনটিয়া-ভূয়াপুর সড়কের ২০ কিমিঃ মোগলপাড়া-সিংগুরিয়া সড়কের ১০ কিঃ মিঃ চলাচলেরর অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে  ঘাটাইল-সাগরদিঘী- ভরাডোবা সড়কের ধলাপাড়া থেকে  গুপ্তবৃন্দাবন পর্যন্ত সড়কটি এবং ঘাটাইল-ছুনটিয়া-ভূয়াপুর সড়কের অবস্থা বেশী খারাপ। এসব রাস্তার খানা খন্দে পড়ে  প্রতিদিন মালবাহী ট্রাক-বাস ও অটোরিক্্রা বিকল হয়ে যানজটের সৃষ্টি করছে।    গুনগ্রাম-সন্ধানপুর সড়কের পাশে গড়ে উঠেছে ৮/১০টি ইটভাটা। এই রাস্থায় প্রতিদিন চলছে ২৫/৩০ টন মালামাল নিয়ে চলছে শত শত ট্রাক। ভাটায় মাটি পরিবহনের জন্য মিনি ট্রাক চলছে লাইন ধরে। এ সড়কের কিছু অংশ গত বছর মেরামত করলেও এক বছরের মাথাই আবার ভেঙ্গে খানা খন্দের সৃষ্টি হয়েছে। 

সাগরদিঘী থেকে তালতলা যাওয়ায় পাকা সড়কটি দেখলে এখন আর মনে হবে না এটি এক সময় পাকা সড়ক ছিল। পোড়াবাড়ি-গারোবাজার ৩০ কিঃমিঃ সড়কটি পাকা করনের কাজ সম্প্রতি শেষ হয়েছে । সড়কটি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়নি। কিন্তু ইতিমধ্যেই সড়কটির বিভিন্ন স্থানে ডেবে গেছে এবং খানা-খন্দের সৃষ্ঠি হয়েছে।  

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী এ কে এম হেদায়েত উল্লাহ বলেন, সরকারি বিধিমালা মেনে যানবাহন না চলায় সড়কগুলোর এমন বেহাল দশার সৃষ্টি হয়েছে। জনদুর্ভোগ দুর করতে  সড়কগুলো সংস্কার জরুরি হয়ে পড়েছে বিষয়টি আমরা  উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি। প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ পেলেই এ সব সড়কের সংস্কার কাজ করা হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ