ঢাকা, রোববার 8 April 2018, ২৫ চৈত্র ১৪২৪, ২০ রজব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

তিস্তার ভয়াবহ ভাঙনে বিলীন হচ্ছে আবাদি জমি

গাইবান্ধা থেকে জোবায়ের আলী: অসময়ে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় তিস্তার ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। যার কারণে উঠতি ফসলসহ আবাদি জমি নদী গর্ভে বিলীন হচ্ছে দিনের পর দিন। নদীভাঙন ঠেকাতে স্থায়ীভাবে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় অসময়ে এই ভাঙ্গন দেখা দেয়। উপজেলার তারাপুর, বেলকা, হরিপুর, চ-ীপুর, শ্রীপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত রাক্ষুসি তিস্তা নদী। গোটা বছরেই প্রায় নদীভাঙ্গন অব্যাহত থাকে। গত এক সপ্তাহ ধরে উপজেলার কাপাসিয়া ইউনিয়নের লালচামার এলাকায় নদী ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে ভাঙ্গনের কবলে শতাধিক একর আবাদি জমি উঠতি ফসলসহ নদীগর্ভে বিলিন হয়েছে। এছাড়া কালাইসোতার চর, কেরানির চর, ফকিড়ের চর, উজান বুড়াইল, ভাটি বুড়াইল হরিপুর খেয়াঘাট এলাকায় ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। লালচামার চরের আনছার আলী জানান এ বছরে তার বাড়ী দুইবার ভেঙ্গেছে। বর্তমানে তিনি আশ্রয় কেন্দ্রে এসে আশ্রয় নিয়েছে। তিনি আরও বলেন ঘরবাড়ী সড়াতে তার সম্বল শেষ হয়ে গেছে। যার কারণে তাকে এখন খেয়ে না খেয়ে জীবন যাপন করতে হচ্ছে। কাপাসিয়া ইউপি চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন জানান- কাপাসিয়া ইউনিয়নে প্রায় সারা বছরেই নদী ভাঙ্গন চলতে থাকে। যার কারণে এই ইউনিয়নের মানুষ অতিকষ্টে জীবন যাপন করে আসছে। চরের মানুষকে সারা বছর ঘর বাড়ী সড়ানোর জন্য সব সময়ে প্রস্তুত থাকতে হয়। চেয়ারম্যান স্থায়ীভাবে নদী ভাঙ্গন রোধের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবী জানান। রোববার নব-নির্বাচিত এমপি ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী কাপাসিয়া ইউনিয়নের নদী ভাঙ্গন  কবলিত লালচামার এলাকা পরিদর্শন করেছেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন ইউএনও এসএম গোলাম কিবরিয়া, ইউপি চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন। এমপি শামীম স্থায়ীভাবে নদী ভাঙ্গন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ