ঢাকা,বুধবার 14 November 2018, ৩০ কার্তিক ১৪২৫, ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

বিসিএসে পিছিয়ে পড়ছে নারীরা

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক:

বিসিএসে নারী প্রার্থীদের পাসের হার ক্রমান্বয়ে কমে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে সরকারি কর্ম-কমিশন (পিএসসি)।রোববার সংসদের বৈঠকে পিএসসির ২০১৭ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে এ তথ্য দেওয়া হয়েছে।সর্বশেষ পাঁচটি বিসিএস পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল পর্যালোচনায় এ চিত্র পাওয়া গেছে। সরকারি কর্ম কমিশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের পক্ষে সংসদে এই প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক।এর আগে বিকেল ৫টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়। 

বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ হয়। কয়েকটি ধাপ পেরিয়ে মৌখিক পরীক্ষা শেষে চূড়ান্ত তালিকা করে নিয়োগের সুপারিশ করে সরকারি কর্মকমিশন; তা অনুসরণ করে সরকার কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়।    

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৩২তম বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণের ক্ষেত্রে পুরুষের চেয়ে এগিয়ে ছিল নারীরা। ওই পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মধ্যে নারী ছিল ৫৫ দশমিক ১ শতাংশ (৯২৩ জন), পুরুষ ছিল ৪৪ দশমিক ৯০ শতাংশ (৭৫২ জন)। এরপর থেকে নারীর হার ক্রমেই কমছে।

৩৩তম বিসিএসে উত্তীর্ণদের মধ্যে পুরুষ ৬১ দশমিক ৭৪ শতাংশ (৫২৫২জন); নারী ৩৮ দশমিক ২৬ শতাংশ (৩ হাজার ২৫৫ জন)

৩৪তম বিসিএসে উত্তীর্ণদের মধ্যে পুরুষ ৬৪ দশমিক ৩৮ শতাংশ (১৪০১ জন); নারী ৩৫ দশমিক ৬২ শতাংশ (৭৭৫জন)

৩৫তম বিসিএসে উত্তীর্ণদের মধ্যে পুরুষ ৭২ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ (১ হাজার ৫৭২ জন); নারী ২৭ দশমিক ৯২ শতাংশ (৬০৯ জন)

৩৬তম বিসিএসে উত্তীর্ণদের মধ্যে পুরুষ ৭৩ দশমিক ৭৮ শতাংশ (১৭১৪ জন); নারী ২৬ দশমিক ২২ শতাংশ (৬০৯ জন)।

 

প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা গেছে, সংখ্যার দিক থেকে সব চেয়ে বেশি নারী প্রার্থী চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হয় ৩৩তম বিসিএসে ৩ হাজার ২৫৫ জন; আর সবচেয়ে কম উত্তীর্ণ হয় ৩৬তম বিসিএসে ৬০৯ জন।

গত বছর (২০১৭ সালে) চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা ৩৬তম বিসিএস পরীক্ষা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, এতে মোট যোগ্য পরীক্ষার্থী ছিল ২ লাখ ১১ হাজার ২৮২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ছিল ১ লাখ ৪১ হাজার ২৭০ জন (৬৬ দশমিক ৮৬ শতাংশ), নারী ৭০ হাজার ৬ জন (৩৩ দশমিক ১৩ শতাংশ) ও তৃতীয় লিঙ্গ ৬ জন (০.০০৩ শতাংশ)।

পরীক্ষার্থীদের মধ্যে প্রিলিমিনারি টেস্টে এক লাখ ৯ হাজার ২ জন (৭৯ দশমিক ৭০ শতাংশ) ‍পুরুষ ও দুই হাজার ৭৭৭ জন (২০ দশমিক ৩০ শতাংশ) নারী উত্তীর্ণ হয়।

লিখিত পরীক্ষায় চার হাজার ৭৮০জন (৭৯ দশমিক ৮০ শতাংশ) পুরুষ ও এক হাজার ২১০জন (২০.২০শতাংশ) নারী উত্তীর্ণ হয়। এরপর মৌখিক পরীক্ষা নিয়ে  নিয়োগের সুপারিশপ্রাপ্তদের (চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ) মধ্যে এক হাজার ৭১৪ জন (৭৩.৭৮ শতাংশ) ছিলেন পুরুষ এবং ৬০৯ জন (২৬ দশমিক ২২ শতাংশ) ছিলেন নারী।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ