ঢাকা, মঙ্গলবার 10 April 2018, ২৭ চৈত্র ১৪২৪, ২২ রজব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

ধামরাইয়ে চলন্ত বাসে নারী পোশাক শ্রমিককে গণধর্ষণ ॥ আটক ৫

সাভার সংবাদদাতা :ধামরাইয়ে চলন্ত বাসে এক নারী পোশাক শ্রমিককে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। ধর্ষণ এর অভিযোগে গাড়ির চালক আজিজ (২৫) সহ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে রবিবার রাতে। রবিবার রাত ১২ টার দিকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের ধামরাইয়ের কচমচ এলাকা থেকে চলন্ত বাস থামিয়ে ওই নারী পোশাক শ্রমিককে উদ্ধার করে পুলিশ। আটক ধর্ষকরা হলো- ধামরাই থানার গাওয়াইল গ্রামের মো. কালু মিয়ার ছেলে মো. সোহেল রানা (২০), একই উপজেলার কেলিয়া গ্রামের মৃত রাজু সরদারের ছেলে মকবুল হোসেন (৩৮), চুয়াডাঙ্গা উপজেলার কোটপাড়া গ্রামের মৃত শফি মল্লিকের ছেলে বাবু মল্লিক (২৪), ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়ি থানার দেওখোলা গ্রামের মৃত জসিম উদ্দিনের ছেলে আব্দুল আজিজ (২৫) ও নীলফামারী জেলার ডিমলা থানার সরকারবাড়ী গ্রামের মহর লালের ছেলে বলরাম (২০)।

ধামরাই থানার উপ-পরিদর্শক মলয় সাহা বলেন, কারখানায় কাজ শেষে ধামরাইয়ের ইসলামপুর থেকে যাত্রীবাহী বাসে ওই নারী পোশাক শ্রমিক উঠলে যাত্রীসেবা পরিবহনে ধামরাইয়ের কালামপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছালে ৫ জন যাত্রী ব্যতীত সকল যাত্রী নেমে যায়। এরপর বাসের চালকের সহকারী বাসের দরজা বন্ধ করে দেয় এবং চালক বাসটি মহাসড়কে উদ্দেশ্য বিহীনভাবে চালাতে শুরু করে। বাসটি চলন্ত অবস্থায় নারী শ্রমিককে জোর পূর্বক দুইজন ধর্ষণ করে। ওই নারীর ডাক-চিৎকারে আশপাশের লোকজন বিষয়টি বুঝতে পেরে ধামরাই থানা পুলিশকে খবর দিলে, পুলিশ বাসটি ধাওয়া করে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের কচমচ এলাকা থেকে আটক করে। পরে পাঁচজনের বিরুদ্ধে ধামরাই থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা দায়ের করে। গতকাল সোমবার সকালে তাদেরকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে ও ধর্ষণের শিকার ওই নারী শ্রমিককে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টফ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে চলন্ত বাসে নারী শ্রমিককে ধর্ষণের ঘটনায় ওই এলাকায় বাসে চলাচলরত নারী শ্রমিকদের মাঝে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

এ ঘটনায় এলাকাবাসী ধর্ষণকারীদের কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন।

মাদরাসার ছাত্রীকে গণধর্ষণ

কাউখালী (পিরোজপুর) সংবাদদাতা : কাউখালীতে মাদরাসার ছাত্রী গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। গতকাল সোমবার বিকেলে ধর্ষিতাকে উদ্ধার করে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পিরোজপুর সিভিল সার্জন অফিসে প্রেরণ করা হয়। জানা গেছে, উপজেলার চিরাপাড়া গ্রামের কাঠ মিস্ত্রী আল আমিন হোসেন এর মেয়ে ইসলামী কমপ্লেক্স এর ৫ম শ্রেণীর ছাত্রী হাদিয়া আক্তার (১৩) গত শনিবার বিকেলে এক অটো ড্রাইভার ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে অটো রিকশা করে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে একটি বাগানে বসে রনিসহ তার আরও তিন সহযোগী বন্ধু রাতভর গণধর্ষণ করে ভোরে পালিয়ে যায়। ধর্ষিতার জ্ঞান ফিরলে বাড়িতে ফিরে এসে বাবা-মার কাছে ঘটনা জানায়। গত তিনদিন ধরে ধর্ষকদের হুমকি ধামকির কারণে মেয়েটির পরিবার মামলা ও মুখ খুলতে সাহস পায়নি। পরে বিষয়টি প্রতিবেশীর মাধ্যমে জানাজানি হলে স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিকবৃন্দ, চেয়ারম্যান ও পুলিশের সহায়তা নিয়ে ধর্ষিতাকে গতকাল সোমবার বিকেলে উদ্ধার করা হয়। এ ব্যাপারে অফিসার ইনচার্জ কামরুজ্জামান জানান, ধর্ষিতাকে উদ্ধার করে ডাক্তারি পরীক্ষা করার জন্য পাঠানো হয়েছে এবং ধর্ষিতার বাবা আল আমিন হোসেন ৪জনকে আসামী করে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করেছে। আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ