ঢাকা, মঙ্গলবার 10 April 2018, ২৭ চৈত্র ১৪২৪, ২২ রজব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নেতা নজরুল ইসলামসহ ১০ জন নেতাকর্মীর আগাম জামিন

 

খুলনা অফিস : বিএনপি’র কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহানগর শাখার সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলামসহ খুলনা বিএনপি’র দশ নেতাকর্মী সুপ্রিম কোর্ট থেকে আগাম জামিন লাভ করেছেন। গতকাল সোমবার সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনের ১১ ও ১৯ নম্বর পৃথক বেঞ্চে এ জামিন মঞ্জুর করা হয়। ‘মাদার অব ডেমোক্রেসি’ বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগের রাজনৈতিক প্রহসনের মামলায় সাজানো-পাতানো রায়ের দিন সারাদেশের ন্যায় নগরীর কেডি ঘোষ রোডে দলীয় কার্যালয়ে সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে পুলিশী হামলা চালিয়ে কয়েকজনকে আটক করে। পরে মহানগর বিএনপি’র সভাপতি নজরুল ইসলামসহ ২৮ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৫০/৬০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন (যার নং-১২, ০৮-০৪-১৮ইং) খুলনা থানার এস আই সুজিত মিস্ত্রি। এ মামলায় আগে আরও ১১ জনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ; তারা আগেই জামিনে মুক্তি লাভ করেন। আইনজীবীদের সূত্র জানিয়েছেন, গতকাল হাইকোর্টের বিচারপতি এনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি শহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ বেঞ্চে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও নগর সভাপতি নজরুল ইসলামকে আট সপ্তাহের আগাম জামিন মঞ্জুর করেছেন।  অপরদিকে, একই মামলায় হাইকোর্টের বিচারপতি ওবাইদুল হাসান ও বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ বেঞ্চ আরও নয়জনের আগাম ছয় সপ্তাহের জামিন মঞ্জুর করেন। আগাম জামিনপ্রাপ্তরা হলেন-খুলনা জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আমীর এজাজ খান, মহানগর বিএনপি’র সহ-সভাপতি এডভোকেট ফজলে হালিম লিটন, নগর যুবদলের সাবেক সভাপতি শফিকুল আলম তুহিন, বর্তমান সভাপতি মাহবুব হাসান পিয়ারু, সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী নাজমুল হুদা সাগর, নগর ছাত্রদলের সভাপতি শরিফুল ইসলাম বাবু ও সাধারণ সম্পাদক হেলাল আহমেদ সুমন, ২১ ওয়ার্ড বিএনপি’র সাংগঠনিক শেখ কামাল উদ্দিন, আবু তালেব ও যুবদল নেতা মো. জুয়েল। উভয় আদালতে মামলা পরিচালনা করেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্ট্রার মাহবুবউদ্দিন খোকন, এডভোকেট মো. আনিছুর রহমান খান ও জিএম বাবুল আক্তার সুমন।

অভিযান শুরু : আগামী ১৫ মে খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আর এ নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের প্রচারণা সামগ্রী ব্যক্তি উদ্যোগে অপসারণের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনার সময়ে শেষ হয়েছে রোববার। এরপর থেকেই জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটদের নেতৃত্বে দু’টি টিম শুরু করে প্রচারণা সামগ্রী অপসারণের অভিযান। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শাহ আব্দুল সাদী জানান,  জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরাফতুল ইসলাম ও সুস্মিতা সাহা এর নেতৃত্বে দু’টি টিম রোববার বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে প্রচারণী সামগ্রী অপসারণের কাজ শুরু করেছে। তারা নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রচারণা সামগ্রী অপসারণের কাজ করেছেন। দু’টি টিমের মধ্যে মো. আরাফতুল ইসলামের নেতৃত্বে সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও সাতক্ষীরা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এম মাজহারুল ইসলাম এবং সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও নড়াইল জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আনিছুর রহমানসহ পুলিশ, কেসিসি’র কারিগরি সহায়তায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। এ সময় কেসিসি’র সিনিয়র লাইসেন্স অফিসার এসকেএম তাছাদুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন। 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ