ঢাকা, বুধবার 11 April 2018, ২৮ চৈত্র ১৪২৪, ২৩ রজব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

শহিদ হাদিস পার্কের পার্কিং স্পেসসহ খুলনা  মহানগরীর পাবলিক টয়লেট টেন্ডারেও বাধা!

 

খুলনা অফিস : খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) সম্পত্তি শাখার শহিদ হাদিস পার্কের দক্ষিণ পাশের গেট সংলগ্ন পার্কি স্পেসসহ বিভিন্ন স্থানের পাবলিক টয়লেট বন্দোবস্ত ইজরায় টেন্ডার জমা প্রদানে বাধার অভিযোগ উঠেছে। গত সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত যুবলীগের কতিপয় নেতা-কর্মীর বাধার মুখে সাধারণ ঠিকাদারা দরপত্র জমা দিতে পারেনি। এ অবস্থায় ফের রি-টেন্ডারের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।  কর্পোরেশন সূত্রে জানা গেছে, খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি) নিয়ন্ত্রণাধীন কেডি ঘোষ রোডস্থ কেসিসি সুপার মার্কেটের পাকিং স্পেস, শহিদ হাদিস পার্কের দক্ষিণ পার্শ্বের গেট সংলগ্ন পার্কি স্পেস, খুলনা ওয়াসার সম্মুখস্থ পাবলিক টয়লেট, সোনাডাঙ্গা ট্রাক টার্মিনালের অভ্যন্তরের পুরাতন পাবলিক টয়লেট, খুলনা রেল স্টেশনে নির্মিত পাবলিক টয়লেট, নতুন রাস্তা মোড়ে নির্মিত পাবলিক টয়লেট, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মুখস্থ পাবলিক টয়লেট, শেখপাড়া বাজার পাবলিক টয়লেট, শহিদ হাদিস পার্কের পুকুর পাড়ের ২০টি নারিকেল গাছ, খালিশপুর টিভি উপকেন্দ্র সংলগ্ন চোকড আপ পাম্প চত্বরের সাতটি নারিকেল গাছ, নিরালা আদর্শ স্কুল সংলগ্ন পার্কের অভ্যন্তরের পাঁচটি নারিকেল ও দু’টি সুপারী গাছ, বয়রা ক্রস রোডের পার্শ্বের একটি নারিকেল গাছ, জিয়া হল চত্ত্বরের ১৮টি নারিকেল গাছ, খালিশপুর লাল হাসপাতাল ও কোয়ার্টারের ২১টি নারিকেল গাছ ইজারা বন্দোবস্ত প্রদানে গত ৮ মার্চ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিজস্ব প্যাড অথবা সাদা কাগজে সীলগালা যুক্ত খামে দরপত্র আহক্ষান করা হয়। টেন্ডার বক্স রাখা হয় কেএমপি পুলিশ কমিশনার, কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও রাজস্ব কর্মকর্তার দফতর এবং জেলা প্রশাসকের স্থানীয় সরকার শাখায়। সোমবার দুপুর ১টা পর্যন্ত ওই দরপত্র জমার শেষ সময় ধার্য ছিল। আর দরপত্র উন্মুক্ত করার সময় ছিল দুপুর ২টা। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শহিদ হাদিস পার্কের দক্ষিণ পাশের গেট সংলগ্ন পার্কি স্পেস ও নতুন রাস্তা মোড়ে নির্মিত পাবলিক টয়লেট এর বিপরীতে মাত্র দু’টি করে দরপত্র জমা পড়ে। সাধারন ঠিকাদারদের অভিযোগ, সোমবার সকাল থেকে নগর ভবনে কেসিসির যুবলীগের নেতৃবৃন্দ সাধারন ঠিকাদারদের দরপত্র জমাদানে বাধা প্রদান করে। ফলে সাধারণ ঠিকাদাররা দরপত্র জমা দিতে পারেনি। তাই ফের রি-টেন্ডারের আহক্ষান জানিয়েছেন তারা। তবে এ ব্যাপারে কেসিসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কোন প্রকার মন্তব্য করতে রাজি হননি।

পাউবোতে ঠিকাদারদের হয়রানির অভিযোগ দুদকে : ওয়ার্ক অর্ডার দিতে সময়ক্ষেপন, প্রভাবশালীদের দৌরাত্ম ও অবৈধ অর্থ দাবিসহ নানাভাবে হয়রানির অভিযোগ করেছেন খুলনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) ঠিকাদাররা। সোমবার পাউবো ডিভিশন-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে এ ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ করেন তারা। ঠিকাদাররা জানান, অনলাইনে দরপত্র আহ্বানের পরও পাউবো ডিভিশন-১ এ ওয়ার্ক অর্ডার দিতে অহেতুক সময়ক্ষেপন করা হচ্ছে। এতে ঠিকাদাররা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। নির্বাহী প্রকৌশলীর নিয়মিত কর্মস্থলে না আসা, ভুয়া বিল-ভাউচারে অর্থ আত্মসাৎ ও মানহীন কাজের বিল পরিশোধের কথা বলা হয়েছে অভিযোগপত্রে। এছাড়া ঠিকাদারদের হয়রানির কারণে খুলনায় চলমান নদী খনন কাজ সময়মতো শেষ না হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। দুদক সমন্বিত খুলনা জেলা শাখার উপ-পরিচালক মোহাম্মদ আবুল হোসেন জানান, ঠিকাদারদের লিখিত অভিযোগ আমরা পেয়েছি। এটি ঢাকায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো হচ্ছে। তাদের অনুমতি পাওয়া গেলে এ বিষয়ে তদন্ত হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ