ঢাকা, বৃহস্পতিবার 12 April 2018, ২৯ চৈত্র ১৪২৪, ২৪ রজব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

সরকার আর দুদকের টার্গেট বিএনপি?

জিবলু রহমান : [ছয়]
খালেদা জিয়া আরো বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে সমাবেশে আসতে সরকার বাধা দিচ্ছে। খালেদা জিয়া অভিযোগ করেছেন, সড়কে বাস রেখে তাঁকেও সমাবেশস্থলে আসতে বাধা দেয়া হয়েছিল। সড়কে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে সরকার চেয়েছিল তিনি যেন সমাবেশস্থলে আসতে না পারেন। তিনি সরকারের উদ্দেশে বলেন, জনপ্রিয়তা থাকলে নিরপেক্ষ নির্বাচন দিন। শেখ হাসিনার অধীনে তো নিরপেক্ষ নির্বাচন হবেই না। (সূত্র : দৈনিক প্রথম আলো ১৩ নভেম্বর ২০১৭)
ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতা এবং সরকারের মন্ত্রীদের বক্তৃতা-বিবৃতি শুনে ও পাঠ করে মনে হচ্ছে বিএনপির বিরুদ্ধে কথা বলার বাইরে তাঁদের কোনো কাজ নেই। প্রায় প্রতিদিনই পত্রিকায়, টেলিভিশনে আওয়ামী লীগের জাঁদরেল নেতারা বিএনপিকে টিকিয়ে রাখতে হলে কী কী করতে হবে, কীভাবে দলকে এগিয়ে নিতে হবে, সেসব নিয়ে উপদেশ বর্ষণ করে চলেছেন।
দু’ বছর আগেও আওয়ামী লীগের একজন তুখোড় সাংসদ ও একটি সংসদীয় কমিটির সভাপতি বিএনপির জন্য পাঁচ দফা করণীয় বাতলিয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছে, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের স্বেচ্ছায় পদ থেকে সরে দাঁড়ানো, যুদ্ধাপরাধীর বিচারে সম্মতি ও জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গ ত্যাগ, স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি হিসেবে নিজেকে ঘোষণা এবং সন্ত্রাসী ও জঙ্গিবাদীদের পৃষ্ঠপোষকতা না করা। (সূত্র : দৈনিক প্রথম আলো ২০ জুন ২০১৫)
বিএনপির নেতৃত্ব কে দেবেন কিংবা কে কবে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করবেন, সেসব নিয়ে সরকারি দলের নেতাদের বক্তব্য কী রাজনৈতিক শিষ্টাচারের আওতায় পড়ে?
আওয়ামী লীগেরই নেতারা হটাৎ উদ্বিগ্ন হয়ে পড়লেন কেন? এর একটি কারণ হতে পারে তাঁরা প্রতিদ্ব›দ্ধীকে ভয় পান। আরেকটি কারণ হতে পারে শেখ হাসিনাকে খুশি করা। নেত্রীকে খুশি করার দুটি উপায় আছে-অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন ও তোষামোদ। প্রথম কাজটি কঠিন বলেই ডিজিটাল জমানার আওয়ামী লীগের অনেক নেতা সহজ পথটি বেছে নিয়েছেন। এতে দল হিসেবে আওয়ামী লীগের কিংবা সরকারের কোনো লাভ না হলেও নেতাদের সুবিধা নিশ্চিত। কিন্তু এই নেতারা একবারও ভেবে দেখেন না যে তাঁরা যত বেশি বিএনপির নেত্রীকে নেতৃত্ব ছাড়ার কথা বলবেন, তাঁর প্রতি সাধারণ মানুষের সহানুভূতি তত বেশি বাড়বে। এটি অনুমানের কথা নয়, অঙ্কের কথা। চাঁদের যেমন নিজস্ব আলো নেই তেমনি বাংলাদেশে কোনো দল নিজ গুণে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে না। একসময় বিএনপির দুর্বলতা আওয়ামী লীগকে শক্তিশালী করেছে। এখন আওয়ামী লীগের দুর্বলতা খালেদা জিয়া কিংবা বিএনপির শক্তি জোগাচ্ছে। আওয়ামী লীগ জঙ্গিদের পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে না ঠিকই কিন্তু সন্ত্রাসীদের পৃষ্ঠপোষকতা দেয়ার ভূরি ভূরি প্রমাণ রয়েছে। নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগের নেতা ও সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর নজরুল ইসলামকে বিএনপির কোনো নেতা হত্যা করেননি। র‌্যাব সদস্যদের দিয়ে খুন করিয়েছেন নুর হোসেন নামে স্থানীয় আওয়ামী লীগের আরেক নেতা। তাঁকে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাংসদ শামীম ওসমান। ফেনীর উপজেলা চেয়ারম্যান একরাম কিংবা টাঙ্গাইলের আওয়ামী লীগের নেতা ফারুক আহমদের খুনিও বিএনপি থেকে আসেনি। দুটো ঘটনায়ই অভিযোগের তির স্থানীয় সাংসদের প্রতি।
শেখ হাসিনা দলকে তৃণমূল পর্যায়ে যতই শক্তিশালী করার কথা বলুন না কেন, তৃণমূলের নেতারা দলকে সংগঠিত করার চেয়ে বখরা নিয়েই মারামারিতে ব্যস্ত আছেন। এই যে দেশে মানব পাচারের মহাবিপর্যয় ঘটছে; সেটি নিয়ে ক্ষমতাসীন দলে কোনো উচ্চবাচ্য নেই। এই যে ঢাকা শহর মুমূর্ষু হয়ে যাচ্ছে, সে সম্পর্কেও মন্ত্রী-সাংসদদের মুখে কোনো কথা নেই। তাঁরা সবাই উদ্বিগ্ন আছেন বিএনপির করণীয় নিয়ে।
মন্ত্রীরা বলেছেন, বিএনপির দিন শেষ। মিডিয়া বিএনপিকে বাঁচিয়ে রেখেছে। খালেদা জিয়া নেতা-কর্মীদের যতই উজ্জীবিত করার চেষ্টা করুন না কেন, বিএনপি আর শিরদাঁড়া শক্ত করে দাঁড়াতে পারবে না। মন্ত্রীরা যদি সরকারের পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি বাদ দিয়ে মাঠে খেলতে নামতেন, দেখতেন কত ধানে কত চাল। সিটি করপোরেশন নির্বাচনী প্রচারে খালেদা জিয়া নামতে না-নামতেই আওয়ামী লীগের কর্মীদের গায়ে জ্বর উঠে গিয়েছিল। এরপর যা ঘটেছে, সেই জ্বরের প্রতিক্রিয়া। মিডিয়া নয়, বিএনপিকে চাঙা করে রাখছে মন্ত্রী-সাংসদ নেতাদের গরম বক্তৃতা-বিবৃতি। অনেক সময় দেখা যায়, যে বিষয়েই সেমিনার বা আলোচনা হোক না কেন, আওয়ামী লীগের নেতারা খালেদা জিয়া বা বিএনপিকে সেখানে টেনে আনবেনই।
মন্ত্রী-সাংসদেরা সংসদের বাইরে ও ভেতরে অবিরাম বিএনপির ভবিষ্যৎ নিয়ে তাঁদের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার কথা জানিয়ে আসছেন। কিন্তু নিজ দলের নেতা-কর্মীরা যে দেশজুড়ে নানা অপকর্ম করে বেড়াচ্ছেন, সেসব নিয়ে তাঁদের আদৌ কোনো মাথাব্যথা আছে বলে মনে হয় না। যখন রাষ্ট্রীয় ব্যাংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লুট হয়ে যায়, যখন মানব পাচার ও ইয়াবা ব্যবসায় সরকারি দলের সাংসদ জড়িয়ে পড়েন কিংবা একজন নারী সাংসদের ছেলে গুলি করে দুজন নিরীহ মানুষকে হত্যা করেন, তখন তাঁদের টুঁ শব্দটি করতে দেখা যায় না।
সংসদের ভেতরে বিরোধী দল নেই। রাজপথে বিরোধী দল নেই। আগুন-বোমার রাজনীতি দেশের মানুষ প্রত্যাখ্যান করেছে। এর অর্থ এই নয় যে তারা দলীয় মাস্তানি-চাঁদাবাজির রাজনীতিকে বুকে আলিঙ্গন করে নেবে।
২১ মার্চ ২০১৮ দৈনিক ইত্তেফাক-এর শিরোনাম ছিল-‘নির্বাচন পর্যন্ত মাঠ দখলে রাখবে ক্ষমতাসীনরা : কেন্দ্র থেকে সর্বত্র সভা-সমাবেশ, চলছে প্রধানমন্ত্রীর মহাসমাবেশও।’ বিস্তাারিত বলা হয়েছে-‘......আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত রাজপথসহ সারাদেশের মাঠ দখলে রাখবে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ শক্তি-বর্তমান ক্ষমতাসীনরা। গত তিন মাস ধরে শহর-বন্দর-নগর-গ্রাম-গঞ্জ-মাঠ-ময়দান-জনপদগুলোতে সভা-সমাবেশ-প্রচার-প্রচারনা চালিয়ে আসছে ক্ষমতাসীনরা। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ৩০ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী জনসভা শুরু করেছেন। ইতিমধ্যে তিনি ৫ টি বিভাগীয় সদরে মহাসমাবেশ করেছেন। এই সমাবেশগুলোতে ঢল নামছে মানুষের। প্রতিটি মহাসমাবেশে আগামী নির্বাচনে আবারও নৌকার প্রার্থীকে বিজয়ী করতে অনুরোধ জানাচ্ছেন শেখ হাসিনা.....।’
‘......দলগতভাবে আওয়ামীলীগ এবং তাদের মিত্ররাও জোর কদমে মাঠে নেমেছে। ইতিমধ্যে আওয়ামী লীগের ১৫টি টিমের নেতারা বিভিন্ন জেলা সফর করেছেন। জনসভা-সমাবেশ করেছেন.....।’
‘......১৪ দলের সমন্বয়ক ও আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম জানিয়েছেন, দেশের সব জেলা ও বিভাগসহ সর্বত্রই সমাবেশ-জনসভা করবেন তারা। নির্বাচন পর্যন্ত মাঠ দখলে থাকবে আওয়ামীলীগের। জনগনের ভোটে আবারো ক্ষমতায় আসবে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ শক্তি। পাশাপাশি দাবি-দাওয়া নিয়ে বিএনপি যাতে আবার মাঠে নেমে জ্বালাও-পোড়াও না করতে পারে সেজন্য সতর্ক রয়েছেন ক্ষমতাসীনরা। যে কোনোভাবেই হোক সারাদেশের মাঠ দখলে রাখার পরিকল্পনার বার্তা ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ মহানগর, জেলা-উপজেলাসহ তৃণমূল পর্যায়ে পাঠিয়ে দিয়েছে। কোথাও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তা প্রতিহত করার নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ। ক্ষমতাসীন জোটের নেতাদের ধারণা, আদালতে শাস্তি পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত বিএনপি প্রধান বেগম খালেদা জিয়া নির্বাচনে অযোগ্য হবেন। একই সঙ্গে মাঠের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের কাছে তারা টিকতে পারবে না। ক্ষমতাসীন দলের একজন প্রভাবশালী নেতা জানান, বিএনপির প্রতি আর নরম সুরে কথা বলবে না সরকার। জাতীয় নির্বাচনের অব্যবহিত আগে আন্দোলনের নামে পরিবেশ ঘোলাটে হতে দেবে না প্রশাসন। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতে হার্ডলাইনে যাবে তারা। এজন্য নানা পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে সরকার এবং ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ ও তাদের মিত্ররা।
এছাড়া বিএনপিকে যে কোনো কর্মসূচি পালন করতে হলে প্রশাসনের অনুমতি নিতে হবে। আইনশৃঙ্খলার অবনতি হবে না-কেবল এমন নিশ্চয়তা পেলেই বিএনপিকে প্রশাসন কর্মসূচি পালনের অনুমতি দেবে। সরকারের বিভিন্ন মাধ্যমে জানা যায়, নির্বাচনী পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে এখন থেকেই ‘এন্টি গভর্নমেন্ট মুভমেন্ট’ প্রতিরোধে মাঠে থাকবে সরকারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। দলীয় কর্মসূচি পালনের নামে অপতৎপরতা রোধ করবেন তারা। শাসক দলের নেতারা বলছেন, বিএনপি কর্মসূচির নামে বিশৃঙ্খলা করে। জ্বালাও-পোড়াও ও ভাংচুর করে। সাধারণ মানুষের মধ্যে ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। দলটির আন্দোলন কর্মসূচি যেহেতু লোক দেখানো, তাই আর সামনে এগোতে দেয়া যাবে না। নির্বাচনের আগমুহূর্ত পর্যন্ত দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সরকারের শক্ত অবস্থানে যাওয়ার বিকল্প নেই।
এদিকে নির্বাচনী প্রচারনায় দেশের সবগুলো গুরুত্বপূর্ণ জেলায় জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই সফরে নির্বাচনি প্রচারণার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোতে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকা-ের উদ্বোধন করবেন তিনি....গত ৩০ জানুয়ারি সিলেটের জনসভায় নৌকা মার্কায় ভোট চাওয়ার মধ্য দিয়ে তিনি শুরু করেন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনী প্রচারণা। এরপর ৮ ফেব্রুয়ারি বরিশাল এবং ২২ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী, ৩ মার্চ খুলনায়, ৭ মার্চ রাজধানীতে জনসভায় নৌকা মার্কায় ভোট চেয়েছেন। একই সঙ্গে জনসভাগুলোতে প্রধানমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছেন যে, ডিসেম্বরে নির্বাচন হবে। এর আগে গত ৩১ ডিসেম্বর যশোরে জনসভায় ভাষন দেন প্রধানমন্ত্রী.....জানা গেছে, জেলায় জেলায় আওয়ামী লীগের অনুষ্ঠিত জনসভাগুলোয় নির্বাচনি জনসংযোগ ছাড়াও বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের মনোবল দুর্বল করে দেয়ার উদ্দেশ্যও রয়েছে। এ কারণেই এসব জনসভায় বিএনপির দুর্নীতি-দুঃশাসনের চিত্র তুলে ধরার পাশাপাশি খালেদা জিয়ার দুর্নীতি ও কারাদণ্ডের বিষয়টিও তুলে ধরছেন ক্ষমতাসীনরা।
একদিকে মাঠে চলছে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মসূচি,অন্যদিকে বিএনপির কর্মসূচি রয়েছে চার দেয়ালে বন্দি। এতেই রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়ছে বিএনপি। তারা জনসভা করতে পারছে না ঢাকায়। এপর্যন্ত সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ৩ দফা আবেদন করেও অনুমতি পায়নি। বিভাগীয় শহরগুলোতে বিএনপি জনসভা করতে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তাদেরকে কর্মসুচি পালনে বাধা দেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করে আসছেন। নেতাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। তারা মাঠে নামতে পারছে না.......।’ (সূত্র : দৈনিক ইত্তেফাক ২১ মার্চ ২০১৮)
সরকার হার্ডলাইনে। বিএনপিরও হার্ডলাইনে যাওয়া ছাড়া বিকল্প কোনো পথ খোলা নেই। এখনো সরকারের সংলাপ-সমঝোতার পথে ফিরে আসা উচিত। কারণ রাষ্ট্র পরিচালনার ভার নেয়ায় এটা তাদেরই দায়িত্ব। খালেদা জিয়া সব সময় সংলাপ-সমঝোতার দ্বার খুলে রেখেছেন। সরকারকেই এর উদ্যোগ নিতে হবে।
বিএনপির বর্তমান আন্দোলন কর্মসূচি এখন আর সেই অর্থে কেন্দ্রের হাতে নেই। তৃণমূল পর্যায়ে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছে। তারা জেগে উঠেছে। এটা কোনোভাবেই সরকারের দমনপীড়নে বন্ধ হওয়ার না। এতে বিএনপির মাঠের নেতা-কর্মীরা নতুন করে হয়রানির শিকার হচ্ছে। হত্যা, গুম, অপহরণ, ক্রসফায়ারে দেয়া হচ্ছে নেতা-কর্মীদের। গণমাধ্যম থেকে বিএনপির যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করতে দলের মুখপাত্র ও সংশ্লিষ্ট নেতারাও রয়েছেন গ্রেফতারের তালিকায়। তারপরও মাঠ ছাড়ছে না বিএনপি। ইতোমধ্যে বহুসফল কর্মসূচি পালন করেছে তারা। আগামী মাস কয়েকের মধ্যে হয়তো নতুন কিছু দেখা যাবে বাংলার রাজনীতিতে। [সমাপ্ত]
jiblu78.rahman@gmail.com

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ