ঢাকা, সোমবার 16 April 2018, ৩ বৈশাখ ১৪২৫, ২৮ রজব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

গাজায় বিস্ফোরণে ৪ ফিলিস্তিনী ইসলামপন্থি নিহত

১৫ এপ্রিল, রয়টার্স: গাজা ভূখণ্ডে আপাত দুর্ঘটনাবশত এক বিস্ফোরণে ফিলিস্তিনি ইসলামিক জিহাদ গোষ্ঠীর চার সদস্য নিহত হইইন। শনিবার এ ঘটনা ঘটেই বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে ইসলামিক জিহাদ।

‘প্রস্তুতি নেওয়ার সময় শহীদ হওয়া যোদ্ধাদের জন্য তারা শোক করই’ বলে বিবৃতিতে জানিইই গোষ্ঠীটি। ইসরাইলের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর সময় অস্ত্র বা বিস্ফোরকজনিত কোনো দুর্ঘটনায় কোনো সদস্য হতাহত হলে সাধারণত গোষ্ঠীটি এ ধরনের ভাষা ব্যবহার করে বলে জানিইই ওই ঘটনায় চার জন নিহত হওয়ার কথা নিশ্চিত করেই গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। বিস্ফোরণটির জন্য ইসরাইল দায়ী বলে ঘটনাস্থল রাফা এলাকায় উপস্থিত চিকিৎসা কর্মীরা দাবি করেইন।

কিন্তু এ ঘটনায় ইসরাইলি সেনাবাহিনী জড়িত ছিল না বলে দাবি করেইন দেশটির সামরিক মুখপাত্র।

৩০ মার্চ ইসরাইল-গাজা সীমান্তে ফিলিস্তিনিদের প্রতিবাদ-বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর থেকে গাজা ভূখণ্ডে সহিংসতার বিস্তার ঘটেই। ইসরাইলের ভিতরে নিজেদের পূর্বপুরুষের ভিটায় ফিরে যাওয়ার দাবি নিই ‘দ্য গ্রেট মার্চ অব রিটার্ন’ প্রতিবাদ শুরু করে গাজাবাসী ফিলিস্তিনিরা। ইসরাইলি সীমান্তের কাই তাঁবু টাঙিই অবস্থান নেওয়া বিক্ষোভকারীদের এই প্রতিবাদ তৃতীয় সপ্তাহে গড়িইই।   ওই প্রতিবাদ-বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরাইলি সেনাদের গুলিতে এ পর্যন্ত ৩১ জন গাজাবাসী নিহত হইইন। তবে শনিবার ওই সীমান্তের পরিস্থিতি অনেকটাই শান্ত ছিল বলে খবর রয়টার্সের। গাজা-ইসরাইলের সীমান্ত বেড়া সংলগ্ন অংশে ‘নো-গো জোন’ ঘোষণা করেই ইসরাইল। কিন্তু বিক্ষোভ মোকাবিলায় দেশটি প্রাণঘাতী কৌশল নেওয়ায় বিশ্ব সমাজ নিন্দা জানিইই। ২০০৫ সালে গাজা থেকে নিজেদের সেনা ও বসতিস্থাপনকারীদের সরিই নেয় ইসরাইল। বর্তমানে এই ভূখণ্ডটি শাসন করই ফিলিস্তিনের ইসলামপন্থি রাজনৈতিক দল হামাস, যাদেরকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে বিবেচনা করে ইসরাইল ও পশ্চিমা দেশগুলো। 

নিরাপত্তা উদ্বেগের কথা তুলে উপকূলীয় এই ভূখণ্ডটিতে নৌঅবরোধ চালিই যাচ্ছে ইসরাইল। গাজামুখি লোক চলাচল ও মালামাল সরবরাহে কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে রেখেই দেশটি। অপরদিকে ইসলামপন্থি বিদ্রোহীদের সঙ্গে লড়াইই লিপ্ত থাকা মিশর তাদের গাজা সীমান্তের প্রায় পুরোটাই বন্ধ করে রেখেই।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ