ঢাকা, সোমবার 16 April 2018, ৩ বৈশাখ ১৪২৫, ২৮ রজব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

রাস্তায় পুলিশের ‘চাঁদাবাজি’ চালকের দুর্বলতার সুযোগে -----স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

 

স্টাফ রিপোর্টার : সড়কে পণ্যবাহী যান আটকে পুলিশের ‘অর্থ হাতানোর’ অভিযোগের মুখে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, চালকরা যানবাহন চালানোর শর্তগুলো না মানায় তাদের  সেই দুর্বলতাই পুলিশের ‘চাঁদাবাজির’ সুযোগ করে দিচ্ছে। রোজায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য সহনীয় রাখা নিয়ে গতকাল রোববার ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিতে (ডিসিসিআই) বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে একথা বলেন তিনি।

রমজানের চাঁদ দেখা সাপেক্ষে মে মাসের ১৫ বা ১৬ তারিখ থেকে রোজা শুরু হবে। অতীতের মতো এবারও রোজায় পণ্য পরিবহনের সময় যেন পুলিশের হয়রানির মুখে পড়তে না হয় সে বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদক্ষেপ চান ব্যবসায়ীরা।

আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, “পুলিশ চাঁদাবাজির সুযোগ পায় আমাদের (ব্যবসায়ী) দুর্বলতার জন্য, চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স, গাড়ির ফিটনেস সার্টিফিকেটসহ চালকের গাড়ি চালাতে যে শর্তগুলো লাগে তা বাদ দিয়েই গাড়ি চালাচ্ছে...এই কারণেই ঘটছে।  “দুই-একজন ‘চাঁদাবাজ পুলিশ’ নেই অস্বীকার করব না। আছে...হয়ত দুই-এক ক্ষেত্রে একটু বেশি বাড়াবাড়িও করে ফেলে, কিন্তু সেটা যেন ব্যবসায় কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করে সেটা আমরা দেখব।”

পুলিশের ‘চাঁদাবাজি’ বন্ধে ব্যবসায়ীদের সহায়তা চেয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “চাঁদাবাজির জন্য আমরা কঠিন ব্যবস্থা নিচ্ছি, কিন্তু আপনাদের (ব্যবসায়ী) বলতে হবে, জানাতে হবে। আমরা ব্যবস্থা নেব, কোনো পুলিশই আইনের ঊর্ধ্বে নয়, আর শাস্তিটাও কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে দেওয়া হয়।”

রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধির পেছনে প্রথাগত বাজার সরবরাহ প্রক্রিয়া, অতিরিক্ত মজুতকরণের মাধ্যমে বাজারে পণ্যের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, অপর্যাপ্ত ও সমন্বয়হীন বাজার মনিটরিং, পরিবহন খাতে চাঁদাবাজি, যানজট ও অতিরিক্ত পরিবহন ব্যয়কে দায়ী করেন ডিসিসিআইয়ের সভাপতি আবুল কাসেম খান।

অনুষ্ঠানে কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি গোলাম রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক মো. জিয়া রহমান, ডিসিসিআইয়ের সহ-সভাপতি কামরুল ইসলামসহ নানা ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতা ও ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ