ঢাকা, সোমবার 16 April 2018, ৩ বৈশাখ ১৪২৫, ২৮ রজব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

ফটিকছড়িতে মিষ্টি মাল্টার চাষ করে লাভবান হচ্ছেন অনেকে

মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, ফটিকছড়ি থেকে : দেশে-বিদেশের বেশ জনপ্রিয় ফল মাল্টা ফটিকছড়িতেও চাষ হচ্ছে। এ ফল চাষে আগ্রহী হচ্ছে অনেকে। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে উপজেলায়, ৩০ হেক্টর জমিতে মাল্টা চাষ হয়েছিল। উৎপাদন হয়েছিল ৩৫০ মেট্রিক টন। উপজেলার  মাল্টা উৎপাদন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কর্তৃক গত ৪ বছরে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ করে বাগানবাজার, দাঁতমারা, নারায়ণহাট, ভূজপুর, পাইন্দং, হারুয়াল-ছড়িতে ১০০ টির বেশি মাল্টা বাগান বিনামূল্যে চারা, সার ও অন্যান্য উপকরণ সহায়তা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্থাপণ করা হয়েছে। ২০০টি বসতবাড়িতে বিনামূল্যে ১২টি করে সাইট্রাস জাতীয় চারা বিতরণ করা হয়েছে। বারি মাল্টা-১ জাতের প্রতি গাছে ২০০-৪০০টি। হেক্টর প্রতি ৩০-৩৫ মেট্রিক টন উৎপাদন হয়।
মিষ্টি মাল্টার চাষ করে  সফলতার দৃষ্টান্ত রেখেছেন দঁতমারা এলাকার চাষী মো. ইউনুচ। এ ব্যাপারে বাগানের মালিক মোহাম্মদ ইউনচু জানান, সখের বসেই মাল্টা চাষ করেছেন তিনি। মাল্টা সারা বছরের এবং সকল শ্রেনী পেশার মানুষের চাহিদার ফল। তিনি বলেন এখানকার জমি মাল্টা চাষের জন্য খুবই উপযোগী। যে কেউ ইচ্ছে করলে এর চাষ করতে পারে। সে জন্য কোন উদ্যোগী ব্যক্তি তাঁর সহযোগিতা চাইলে তিনি সব ধরনের সহযোগিতা করবেন বলে জানান। এ ছাড়া তাঁর বাগান থেকে মাল্টার কলম চারাও বিক্রি করছেন তিনি। ইউনুচ বলেন চাষে সফলতা দেখে এতবেশী খুশী যে তার হার্টেও রোগ অনেকটা কমে গেছে। এ ছাড়া প্রতিদিন উৎসুক মানুষের ভিড় দেখে তাঁর কাছে আরো বেশী আনন্দ লাগে। উপজেলা কৃষি অফিসার লিটন দেবনাথ বলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, ফটিকছড়ি মাল্টা চাষীদের কারিগরি পরামর্শ দিয়ে সহায়তা করেছেন। ফলে কৃষকরা আগ্রহী হয়ে মাল্টা চাষে ঝুঁকছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ