ঢাকা, মঙ্গলবার 17 April 2018, ৪ বৈশাখ ১৪২৫, ২৯ রজব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

আসিফার পর চরম নিষ্ঠুরতার শিকার আরেক শিশু গায়ে ৮৬টি ক্ষত

১৬ এপ্রিল, টাইমস অব ইন্ডিয়া : কাঠুয়া ও উন্নাও ধর্ষণ নিয়ে যখন দেশ তোলপাড়, তার মধ্যেই এই ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় ক্ষোভ আরও বেড়েছে। কাঠুয়া ও উন্নাও ধর্ষণ নিয়ে যখন দেশ তোলপাড়, তার মধ্যেই এই ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় ক্ষোভ আরও বেড়েছে। ভারতশাসিত কাশ্মীরের কাঠুয়ার আসিফা বানোর মতোই অবস্থা হয়েছিল সুরাটের নাবালিকার? গুজরাটের ভেস্টান এলাকা থেকে ৮৬টি ক্ষতসহ যে কিশোরীর দেহ উদ্ধার করা হয়েছিল, তাকে বন্দী করে রেখে দিনের পর দিন তার উপর যৌন অত্যাচার চালানো হয়েছে বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা।

৬ এপ্রিল একটি ক্রিকেট মাঠের ঝোপের ধারে মেয়েটির দেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন পথচারীরা। শহরের পুলিশ কমিশনার জানিয়েছেন, ‘ দেহটি হাইওয়ের ধারে পড়ে ছিল। শিশুটির উপর যৌন নির্যাতন চালানো হয় এবং ৫ এপ্রিল তাকে খুন করা হয়।’

পা-েসারা পুলিশ স্টেশনের ইন্সপেক্টর কেবি ঝালা জানিয়েছেন, ‘পুলিশ এখনো মেয়েটির পরিচয় জানতে পারেনি। আমরা সংবাদমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের সাহায্য নিয়েছি। হোয়াটসঅ্যাপসহ অন্যত্র মেয়েটির ছবি ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে। কেউ যদি ওকে দেখে চিনতে পায়। মেয়েটির বয়স আনুমানিক ১১ বছর। ’

শহরের যে হাসপাতালে শিশুটির দেহ ময়নাতদন্ত করা হয়েছে, তার ডাক্তার গণেশ গোভেকর জানিয়েছেন, মৃতার শরীরে ৮৬টি ক্ষতচিহ্ন মিলেছে। গোভেকরের মতে, ‘ক্ষতের ধরণ থেকে মনে হচ্ছে, দেহ উদ্ধারের আগে এক সপ্তাহ সময় ধরে সেই আঘাত লেগেছে। এর থেকেই মনে করা হচ্ছে, মেয়েটিকে হয়তো বন্দী করে রেখে, তার উপর অত্যাচার চালানো হয়েছে। হয়তো ধর্ষণও করা হয়েছে।’

শিশুটির সম্পর্কে কোনোরকম তথ্য দিতে পারলে ২০ হাজার টাকা পুরস্কার দেয়া হবে বলে ঘোষণা করেছে পুলিশ। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরি। পক্সো ভারতীয় দ-বিধির অন্যান্য ধারায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

কাঠুয়া ও উন্নাও ধর্ষণ নিয়ে যখন দেশ তোলপাড়, তার মধ্যেই এই ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় ক্ষোভ আরও বেড়েছে দেশবাসীর। ধর্ষকদের কঠোর শাস্তির দাবিতে সোচ্চার হয়েছে সবাই।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ