ঢাকা, মঙ্গলবার 17 April 2018, ৪ বৈশাখ ১৪২৫, ২৯ রজব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সাবেক নেতা গ্রেপ্তার

সিলেট ব্যুরো : চেক ডিজনার মামলায় সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ইমরান চৌধুরীকে  গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত রোববার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে নগরীরর রিকাবী বাজার এলাকা থেকে তাকে  গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে কোতোয়ালি খানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গৌছুল হোসেন জানান, ইমরানের বিরুদ্ধে ২৫ লক্ষ টাকার চেক ডিজনার মামলায়  গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। ইমরান নগরীর চন্দ্রিমা এলাকার শরফ উদ্দিন চৌধুরীর ছেলে।
জানা যায়, গত  ফেব্রুয়ারি মাসের ৮ তারিখে সিলেটের চিফ  মেট্রাপলিটন আদালতে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ইমরানের বিরুদ্ধে ২৫ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়। যার নম্বর কোতোয়ালি সিআর ১৬৯/১৮ ইং। মামলাটি করেন শাহজালাল উপশহর এলাকার বাসিন্দা মৃত মঈন উদ্দিন চৌধুরীর ছেলে মোশারফ হোসেন চৌধুরী মিয়া। মামলা দায়েরের পর থেকে ইমরান পলাতক ছিলেন।
দুই যুক্তরাজ্য প্রবাসী আটক
সিলেট নগরীর মজুমদারিতে গৃহপরিচারিকা ও তার মেয়েকে নির্যাতনের অভিযোগে গত রোববার রাতে দুই যুক্তরাজ্য প্রবাসীকে আটক করেছে এসএমপির বিমানবন্দর থানা পুলিশ। আটককৃতরা হচ্ছে-মজুমদারির এলাকার মৃত আব্দুন নুরের পুত্র কবির আহমদ খোকন (৪২) ও তার ভাই সাকির আহমদ মুন্না (৪৩)।
এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্র জানায়, স্বর্ণ চুরির অভিযোগে ওই বাসার গৃহপরিচারিকা এবং তার ৭ম শ্রেণিতে পড়–য়া মেয়েকে নির্যাতন করছিল ওই বাসার লোকজন। মাকে একটি গাছের সাথে এবং মেয়েকে বাসার একটি পিলারের সাথে বেধে নির্যাতন করা হয়। খবর পেয়ে রোববার রাত ১০টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মা- মেয়েকে উদ্ধার করে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে  প্রেরণ করে। এ সময় এ দুই প্রবাসীকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। বিমানবন্দর থানার ওসি মোশাররফ মা-মেয়েকে নির্যাতনের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় ভিকটিম পারভিন বেগম একটি মামলা দায়ের করেছেন। দুই যুক্তরাজ্য প্রবাসীকে আটকের বিষয়টিও তিনি স্বীকার করেন।
বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার
সিলেটে নিখোঁজের তিনদিন পর সোহাগ মিয়া নামের এক কিশোরের বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার দুপর ১২টার দিকে নগরীর ঘাসিটুলাস্থ এলইজিইডি কার্যালয়ের সীমানাপ্রাচীর সংলগ্ন একটি খালেরপাড় থেকে ওই কিশোরের লাশ উদ্ধার করা হয়।
 সোহাগ মিয়া নগরীর ঘাসিটুলা মজুমদারপাড়ার ময়না মিয়ার কলোনিতে মায়ের সাথে থাকতো। তার বাড়ি বগুড়ার ওলিবাজারে। সে নগরীর কাজিরবাজারে মাছের আড়তে দিনমজুরের কাজ করতো। সোহাগের গলা, হাত ও পায়ে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।  সোহাগ মিয়ার মা ফুলবানু জানান, গত ১৩ এপ্রিল বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফিরে আসেনি সোহাগ। সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজ করেও তাকে পাওয়া যায়নি। গতকাল সকালে স্থানীয় শিশু কিশোররা ক্রিকেট বল কুড়িয়ে  আনতে গিয়ে বস্তাবন্দী লাশ দেখতে পেয়ে এলাকার লোকজনকে খবর দেন। পরে সোহাগের লাশ সনাক্ত করা হয়।
এসএমপির অতিরিক্ত উপ কমিশনার বিভূতি ভূষণ ব্যানার্জ্জী জানান, স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে বস্তাবন্দী লাশের খবর পেয়ে পুলিশ এসে উদ্ধার করে। এ সময় পরিবারের লোকজন সোহাগের লাশ সনাক্ত করেন। লাশের গলা, হাতে ও পায়ে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। হত্যাকান্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশ তৎপরতা চালাচ্ছে বলে জানান তিনি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ