ঢাকা, বুধবার 18 April 2018, ৫ বৈশাখ ১৪২৫, ১ শাবান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

মাদক বিক্রি ও সেবনে বাধা দেয়ায় শরীয়তপুরে প্যানেল মেয়রকে হাতুড়িপেটা করে আহত

শরীয়তপুর সংবাদদাতা : শরীয়তপুর পৌরসভার প্যানেল মেয়র-২ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ আলমগীর হোসেন মৃধা (৩৮) কে হাতুড়িপেটা করে গুরুতর আহত করা হয়েছে। সম্প্রতি শরীয়তপুর পৌরসভার কাগদী দক্ষিণপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত আলমগীর হোসেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আলমগীর শরীয়তপুর সদর উপজেলা ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক। তিনি এলাকায় মাদক সেবন এবং ক্রয় বিক্রয় নিষিদ্ধ করায় এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীরা তার উপর এ হামলা চালিয়েছে বলে জানান চাচা আব্দুর রহমান মৃধা। এ ব্যাপারে পালং মডেল থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। এ ঘটনায় শরীয়তপুর পৌরসভা মেয়র তীব্র নিন্দা ও দোষীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দাবী করেছেন।
পালং মডেল থানা ও প্যানেল মেয়র আলমগীর হোসেনের ভাই নয়ন হোসেন জানান, প্যানেল মেয়র আলমগীর মাদকের বিরুদ্ধে সভা সমাবেশসহ এলাকায় মাদক সেবন ও ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ করেন। এতে মাদক ব্যবসায়ীরা তার উপর ক্ষিপ্ত হয়। প্রতি দিনের ন্যায় গত শুক্রবার ফজরের নামাজ পড়ে প্যানেল মেয়র আলমগীর মৃধা তার নির্বাচনী এলাকার কাগদী দক্ষিণপাড়া এলাকার জাকির মাদবরের চায়ের দোকানে চা পান করতে যায়। এ সময় পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে কাগদী রমিজ উদ্দিন বেপারীর ছেলে শাহজালাল বেপারী, হারুন মাদবরের ছেলে জালাল মাদবর ও জলিল শেখের ছেলে সাদ্দাম হোসেন শেখসহ কয়েকজনে প্যানেল মেয়রকে ডেকে নিয়ে তার উপর হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা তাকে মাথায় ও শরীরের বিভিন্নস্থানে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে মারাত্মক রক্তাক্ত জখম করে। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। ঘটনার পর থেকেই শাহাজালাল ব্যাপারী, সাদ্দাম শেখ ও জালাল মাদবর পলাতক রয়েছে। তাদের বাড়ীতে গেলে এ বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি তাদের পরিবারের সদস্যরা। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানায় পালং মডেল থানা পুলিশ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ