ঢাকা, বৃহস্পতিবার 19 April 2018, ৬ বৈশাখ ১৪২৫, ২ শাবান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

খালেদা জিয়ার চিকিৎসা সেবা নিয়ে নোংরা রাজনীতি করছে না সরকার -ওবায়দুল কাদের

স্টাফ রিপোর্টার: সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘খালেদা জিয়ার চিকিৎসা সেবা নিয়ে নোংরা রাজনীতি করছে না সরকার।’ পাশাপাশি খুলনা এবং গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির সেনা মোতায়েনের দাবিকে অযৌক্তিক বলেও মন্তব্য করেন তিনি। গতকাল বুধবার রাজধানীর হাতিরঝিলে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ অভিযান পরিদর্শনের সময় মোটরসাইকেল চালক এবং আরোহীদের হেলমেট ব্যবহারের তাগিদ দেন সেতুমন্ত্রী। সমাজের ক্ষমতাশালীরা আইন অমান্য বেশি করে মন্তব্য করে, উল্টো পথে গাড়ি না চালাতে সবার প্রতি আহ্বান জানান ওবায়দুল কাদের।
চলন্ত গাড়ির সংঘর্ষে হাত হারানো এবং নিহত রাজীবের ঘটনা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘চালক এবং যাত্রীদের অসচেতনতার কারণেই এ ধরনের দুর্ঘটনা বেশি ঘটছে। তিনি বলেন, ‘গাড়ি ওভারটেক করতে গিয়ে হাত গেল, এটার সাথে সড়কের কী সম্পর্ক?’ 
পাশাপাশি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কথা বলেন দেশের সাম্প্রতিক রাজনীতি প্রসঙ্গে। কারাগারে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সুস্থতা নিয়ে শঙ্কায় বিএনপি- দলটির নেতাদের এমন বক্তব্যের জবাব দেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘হায়াত-মউত আল্লাহর হাতে। বেগম জিয়ার বয়সও হয়েছে। উনার হায়াততো আল্লাহই জন্মের সঙ্গে নির্ধারণ করেছেন। কোরআন শরিফ উনিও বিশ্বাস করেন। বিএনপির নেতারা বিশ্বাস করেন না? এটা নিয়ে অযথা কিছু বলা উচিত নয়। তবে সরকার এত নোংরা রাজনীতি, শেখ হাসিনা সরকার করে না, কোনো দিনও করবে না।’
খুলনা এবং গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির সেনা মোতায়েনের দাবিকেও অযৌক্তিক বলে মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ইলেকশন কমিশন বলছে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের কোনো প্রয়োজন নেই। অযৌক্তিক বলে ইলেকশন কমিশন নাকচ করেছে।’
ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, ‘নিজেরা যেটা করেননি সে উপদেশ এখন ক্ষমতায় না থেকে কেন দিচ্ছেন? ক্ষমতায় থাকলে হয়তো আপনিও বলতেন না। যখন আপনারা ক্ষমতায় ছিলেন, তখন কি কখনও স্থানীয় সরকারে সেনা বাহিনী মোতায়েন হয়েছে। কাজেই নিজেরা যা প্র্যাকটিস করেননি, সেটা কেন এখন বিরোধীদলে এসে, বেগতিক দেখে নিজের অবস্থা খারাপ দেখে এসব আবোলতাবোল বকছেন।’

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ