ঢাকা, বৃহস্পতিবার 19 April 2018, ৬ বৈশাখ ১৪২৫, ২ শাবান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় বাধা গ্যাস বিদ্যুৎ অবকাঠামো

স্টাফ রিপোর্টার: দেশের অগ্রযাত্রায় বড় বাধা গ্যাস, বিদ্যুৎ ও অবকাঠামো সমস্যা। উৎপাদনশীলতা বাড়াতে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ, সড়ক যোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়ন ও বন্দর সুবিধা বৃদ্ধির তাগিদ দিয়েছেন শিল্প উদ্যোক্তারা।
গতকাল রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে ন্যাশনাল প্রোডাক্টিভিটি অ্যান্ড কোয়ালিটি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড-২০১৬ প্রদান অনুষ্ঠানে তারা এ দাবি জানান। নিজ নিজ শিল্প-কারখানায় উৎপাদনশীলতা বাড়ানোসহ বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এবার চতুর্থবারের মত এ অ্যাওয়ার্ড দিয়েছে ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও)। আনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু।
শিল্প উদ্যোক্তারা বলেন, দেশের অগ্রযাত্রার সিংহভাগ অবদান বেসরকারি খাতের। উৎপাদনশীলতা বাড়াতে উদ্যোক্তারা সর্বাত্মক চেষ্টা করছেন। কিন্তু এতে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে দেশের অবকাঠামো সমস্যা। এ সমস্যার সমাধান না হলে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা ব্যাহত হবে।
শিল্প উদ্যোক্তারাদের দাবির প্রেক্ষিতে আমির হোসেন আমু বলেন, শিল্প উদ্যোক্তাদের চাহিদামাফিক নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার ৩ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট থেকে বাড়িয়ে ১৬ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে সক্ষম হয়েছে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে শিল্প, সেবা, কৃষিসহ সব খাতে উৎপাদনশীলতা বাড়াতে সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা অব্যাহত থাকবে।
অনুষ্ঠানে নিজ নিজ শিল্প-কারখানায় উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি ও উৎপাদিত পণ্যের উৎকর্ষতা সাধনে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৬ সালের জন্য ৫ ক্যাটাগরিতে মোট ১২টি শিল্প ও সেবা প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার প্রদান করেছে শিল্পমন্ত্রণালয়।
পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে- বৃহৎ শিল্প ক্যাটাগরিতে প্রিমিয়ার সিমেন্ট মিলস্, মার্কেন্টাইল ব্যাংক ও আরএফএল প্লাস্টিকস্। মাঝারি শিল্প ক্যাটাগরিতে বঙ্গ প্লাস্টিক ইন্টারন্যাশনাল, প্রাণ ফুডস্ লিমিটেড ও গ্রাফিকপিপল। ক্ষুদ্র শিল্প ক্যাটাগরিতে রংপুর ফাউন্ড্রি ও সিন্থেটিক এডেসিভ কোং লিমিটেড। মাইক্রো শিল্প ক্যাটাগরিতে একাডেমিক বুক হাউস এবং রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প ক্যাটাগরিতে কেরু অ্যান্ড কোম্পানি (বাংলাদেশ), ইস্টার্ন কেবলস্ও গাজী ওয়্যারস্ লিমিটেড।
উল্লেখ্য শিল্প-কারখানায় উৎপাদন বাড়াতে উৎসাহ প্রদানের লক্ষ্যে ২০১১ সালে এ পুরস্কার প্রবর্তনের ঘোষণা দেয়া হয়। এর পর থেকেই ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অ্যান্ড কোয়ালিটি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড দেয়া হচ্ছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ