ঢাকা, বৃহস্পতিবার 19 April 2018, ৬ বৈশাখ ১৪২৫, ২ শাবান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

সিলেটে ছুরিকাঘাতে স্কুল ছাত্র নিহত ॥ আটক ৫

সিলেট ব্যুরো : সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলায় দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে এক স্কুল ছাত্র নিহত হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাতে উপজেলার শরীফগঞ্জ ইউনিয়নে এ ঘটনাটি ঘটে। নিহত স্কুল ছাত্র আমির হোসেন (১৮) শরীফগঞ্জ ইউনিয়নের বসস্তপুর গ্রামের আব্দুল হকের দ্বিতীয় পুত্র ও মানিককোনা উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজের এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রত্যাশী। এ ঘটনায় পুলিশ এক মহিলাসহ ৫ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে।
আটককৃতরা হলেন- বসন্তপুর গ্রামের মৃত আব্দুল মনাফ বাবুলের স্ত্রী হাছনা বেগম (৫০), মৃত সাজ্জাদ আলীর পুত্র জয়নাল আবেদিন (৪০), আফতাব আলীর পুত্র ফজলে রাব্বি মুন্না (১৮), একই গ্রামের ইছরাব আলীর পুত্র রিপন আহমদ রনি (৩৫) ও মঈন আহমদ (১৮)।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ৮ টার দিকে আমির হোসেন স্থানীয় অমরগঞ্জ বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে দুর্বৃত্তরা তাকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। এ সময় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। এ ব্যাপারে গোলাপগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম ফজলুল হক শিবলি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় রাতেই ৫ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরে প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানান।
আদালতে শাকিলের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী
মাদকের টাকা নিয়ে দ্বন্দ্বে
কিশোর সোহাগ খুন
সিলেট নগরীর ঘাসিটুলায় কিশোর সোহাগ মিয়া হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দী দিয়েছে তার বন্ধু শাকিল আহমদ (২০)। গতকাল বুধবার বিকেলে সিলেট মহানগর হাকিম (এমএম-৩) আদালতে শাকিল স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করে। গতকাল বুধবার দুপুরে ঘাসিটুলা এলাকা থেকে শাকিলকে গ্রেপ্তার করে এসএমপির কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ। এর আগে গত সোমবার দুপুরে ঘাসিটুলা এলজিইডি কার্যালয়ের সীমানাপ্রাচীর সংলগ্ন খালের পাশ থেকে সোহাগ মিয়ার বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
সিলেট কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গৌছুল হোসেন বলেন, বুধবার দুপুরে নিহত সোহাগের বন্ধু শাকিলকে গ্রেপ্তারের পর বিকেলে আদালতে তোলা হলে সে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি প্রদান করে।
শাকিলের জবানবন্দীর বরাত দিয়ে ওসি বলেন, শাকিল ও সোহাগ পরষ্পরের বন্ধু ছিল। তারা একসাথে হিরোইন, গাঁজা, ফেন্সিডিলসহ বিভিন্ন মাদক সেবন করতো। মাদকের টাকা নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। এই বিরোধ থেকে আরো কয়েকজন বন্ধু নিয়ে সোহাগকে খুন করে শাকিল। জবানবন্দি গ্রহণ শেষে শাকিল আহমদকে কারাগারে প্রেরণ করেন আদালত। নগরীর ঘাসিটুলার ময়না মিয়ার কলোনীর বাসিন্দা সোহাগ মিয়া  কাজিরবাজারে মাছের আড়তে দিনমজুরের কাজ করতো। গত ১৩ এপ্রিল থেকে সোহাগের খোঁজ পাচ্ছিলেন না তার স্বজনরা। ১৬ এপ্রিল সকালে স্থানীয় শিশু-কিশোররা এলজিইডি অফিসের পাশে ক্রিকেট খেলতে গিয়ে সোহাগের বস্তাবন্দি লাশ দেখতে পায়। খবর পেয়ে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করলে স্বজনরা সোহাগ মিয়ার লাশ সনাক্ত করেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ