ঢাকা, বৃহস্পতিবার 19 April 2018, ৬ বৈশাখ ১৪২৫, ২ শাবান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

খুলনার চরমপন্থী নেতা শিমূলের ডাবল যাবজ্জীবন

খুলনা অফিস : খুলনার রূপসা উপজেলার উত্তর বাগমারা এলাকায় গুলী ও বোমা মেরে নজরুল ইসলাম ওরফে নজু (৩৮) হত্যা মামলার আসামী আব্দুল্লাহ ওরফে আব্দুল ওরফে শহিদুল ওরফে শিমূলকে পৃথকভাবে ডাবল যাবজ্জীবন কারান্ডাদেশ দিয়েছে আদালত। একই সাথে তাকে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে পৃথকভাবে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরো দুই বছর করে কারাদন্ডাদেশ দেয়া হয়। মঙ্গলবার খুলনা বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম এ রব হাওলাদার এ রায় ঘোষণা করেন। দন্ডপ্রাপ্ত আসামী রূপসা উপজেলার নিকলাপুর এলাকার মৃত আব্দুল খালেক খাঁর ছেলে শিমূল পলাতক রয়েছে। তার গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা পাতাখালী গ্রামে।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী ফকির মো. জাহিদুল ইসলাম নথির বরাত দিয়ে জানান, হত্যা ও বিস্ফোরক আইনের পৃথক দু’টি মামলায় চার্জশিটভুক্ত ১২ আসামীর তিনজন মারা গেছে। বাকী ৯ জনের মধ্যে ৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমানিত না হওয়ায় তাদেরকে বেকসুর খালাস দেন আদালত। একজন আসামীকে দন্ডবিধির ৩০২/৩৪ এবং ১৯০৮ সালের বিস্ফোরক আইনের ধারায় দন্ডাদেশ দেয়া হয়েছে। খালাসপ্রাপ্তরা হলো-রূপসার রহিমনগর এলাকার আজাদ খার ছেলে নাসির খান, নেহালপুরের আব্দুল লতিফের ছেলে অলিল কাজী, সামন্তসেনার আব্দুল মজিদের ছেলে আব্দুর রহমান, রহিম নগরের মৃত আজাদ খার ছেলে হারুন খা, বাগমারা এলাকার লতিফ মোল্লার ছেলে আব্দুল ওয়াহেদ মোল্লা ওরফে আব্দুল্লাহ, রামনগরের আব্দুল জব্বার চৌকিদারের ছেলে বছির শেখ, ভবানীপুরের নওয়াব আলী শিকদারের ছেলে কামরুল ইসলাম শিকদার ও রামনগরের আব্দুল আজিজ সরদারের ছেলে মো. কবির হোসেন সরদার।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণী থেকে জানা গেছে, ২০০৪ সালের ২ জানুয়ারি বিকেলে রূপসা উপজেলার নৈহাটী ইউনিয়নের উত্তর বাগমারা এলাকার আশ্রাব শেখের বস্তিতে গুলি ও বোমা মেরে রহিমনগর এলাকার মৃত কাশেম আলীর ছেলে নজরুল ইসলাম ওরফে নজু (৩৮) কে হত্যা করে চরমপন্থিরা। এ ঘটনায় ১০ জানুয়ারি রূপসা থানার এসআই মিজানুর রহমান বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন (নং-০৫)। তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. সামছুদ্দিন ২০০৫ সালের ৪ সেপ্টেম্বর মামলাটিকে দু’টিভাগে বিভক্ত করে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে ১২ জনের বিরুদ্ধে আদালতে পৃথকভাবে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের কৌশুলী ছিলেন স্পেশাল পিপি বেগম শাকেরীন সুলতানা।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ