ঢাকা, বৃহস্পতিবার 19 April 2018, ৬ বৈশাখ ১৪২৫, ২ শাবান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

উপজেলা চেয়ারম্যানকে বর্জন করলেন ইউপি চেয়ারম্যানরা

নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর) থেকে এম রুহুল আমিন প্রধান: দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে সরকারিভাবে বিতরণ করা বয়স্ক, বিধবা, স্বামী পরিত্যক্তা ও প্রতিবন্ধী ভাতা কার্ড ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের সঙ্গে ইউপি চেয়ারম্যানদের দ্বন্দের কারণে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের প্রতি অনাস্থা আনয়ন করে রংপুর বিভাগীয় কমিশনার বরাবরে লিখিত অভিযোগ দাখিল হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, সমাজসেবার অধীনে বয়স্ক, বিধবা, স্বামী পরিত্যক্তা এবং প্রতিবন্ধী ভাতা যা পরিপত্র অনুযায়ী ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক তালিকা ও রেজুলেশন করে সমাজসেবা অধিদপ্তরে প্রেরণ করে। উপজেলা চেয়ারম্যান মো. নুরে আলম সিদ্দিকী ২০১৬-২০১৭ অর্থ বছরের তালিকায় তার অংশ রাখার দাবি করেন এবং ইউপি চেয়ারম্যানেরা পরিপত্র অনুযায়ী অংশ দিতে অস্বীকার করলে উপজেলা চেয়ারম্যান গত এক বছর যাবত তালিকার অনুমোদন দেননি। পরবর্তীতে সকল চেয়ারম্যান অংশ প্রদান করতে বাধ্য হয়। ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে ইউপি চেয়ারম্যান উপজেলা চেয়ারম্যানকে প্রতিটি ইউনিয়ন হতে একটি বিধবা ভাতা, দুইটি বয়স্ক ভাতা মোট তিনটি করে প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। তিনটি করে নয়টি ইউনিয়নের সর্বমোট ২৭টি নামের তালিকা উপজেলা চেয়ারম্যানকে প্রদানের জন্য ২নং বিনোদনগর ইউপি চেয়ারম্যান মো. মনোয়ার হোসেন গত ২৭ মার্চ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে অবগত করেন। এতে উপজেলা চেয়ারম্যান সম্মতিও জ্ঞাপন করেন।
উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের এমন আচরণের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জ্ঞাপন সহ তিনি উপস্থিত থাকলে আমরা সভা প্রত্যাখান করব। এক পর্যায়ে তারা উপজেলা পরিষদের সাধারণ সভা বর্জন করে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মশিউর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে সভা বর্জনের সত্যতা স্বীকার করে পরবর্তীতে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস জানান। এ বিষয়ে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নুরে আলম সিদ্দিকীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছি। মন্ত্রণালয় থেকে ভাতাভোগীদের প্রকৃত তথ্য চেয়ে ফরমেট পাঠানো হয়েছে। ইউনিয়ন চেয়ারম্যানেরা সেই ফরমেট অনুযায়ী তথ্য দিতে ব্যর্থ হয়েছে। আমি আমার ভাগের ভাতার কার্ড চাইনি। আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। বর্তমানে অসহায় দুস্থদের তালিকা প্রণয়ন করে দ্রুত ভাতার টাকা দেয়ার জন্য দাবি জানান উপজেলার সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ